চরচা ডেস্ক

গত কয়েক বছর ধরে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং যখনই কোনো কিছু করেছেন তখনই তিনি একটি প্রচলিত পথ অনুসরণ করেছেন। তিনি ডেটা সেন্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালানোর জন্য একের পর এক শক্তিশালী সেমিকন্ডাক্টর, সফটওয়্যার এবং নতুন সিস্টেমের উন্মোচন করেছেন।
আর এমনটা হওয়ারই কথা যেখানে এআইয়ের জয়জয়কার টেক দুনিয়ার জায়ান্ট সার্ভার ফার্মগুলোতে বেশি খরচের জোয়ার এনেছে। আর সেই অর্থের বেশিরভাগই সরাসরি জমা হয়েছে এই শীর্ষ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পকেটে। দ্য ইকোনোমিস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত চার বছরে এনভিডিয়ার ডেটা-সেন্টার বিভাগের বার্ষিক আয় ১১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৯৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে কোম্পানির বাজারমূল্য ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ইতিহাসের যেকোনো কোম্পানির চেয়ে বেশি।
কিন্তু ১ জুন তাইওয়ানে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি খাতের বার্ষিক মেলা ‘কম্পিউটেক্স’-এ মিস্টার হুয়াং শুধু এনভিডিয়ার ডেটা-সেন্টার প্রযুক্তির নতুন সংস্করণই দেখাননি, তিনি ‘আরটিএক্স স্পার্ক’ নামের পার্সোনাল কম্পিউটারের একটি চিপও উন্মোচন করেছেন।
চলতি বছরের শেষের দিকে বাজারে আসতে যাওয়া এই চিপটি মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার চলবে। আর এভাবে এনভিডিয়া সরাসরি এই খাতের দুই শীর্ষ চিপ নির্মাতা ইন্টেল ও এএমডিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
এনভিডিয়ার এআইয়ের পরবর্তী ধাপ শুধু দূরবর্তী ডেটা সেন্টারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা সরাসরি ব্যবহারকারীর হাতের ডিভাইসে চলে আসবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কম্পিউটার খাতটি প্রযুক্তির দুনিয়ায় কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিল। এভারকোর নামের একটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত এক দশকে ডেস্কটপ কম্পিউটারের চিপ বিক্রির হার প্রতি বছর ৪ শতাংশ করে কমেছে।
অন্যদিকে ল্যাপটপের চিপ বিক্রির হার ছিল প্রায় স্থবির। তবে এখন নতুন করে সবার আগ্রহ তৈরি করছে ‘এজেন্টিক’ এআইয়ের উত্থান। এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে থেকে জটিল সব কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই প্রযুক্তি যতই ছড়িয়ে পড়বে,‘টোকেন’( এআই মডেল দিয়ে বড় লেখা ছোট করা) ব্যবহারের পরিমাণ তত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মডেল নির্মাতা এবং ক্লাউড সেবাদাতারা ইতোমধ্যেই এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই ক্লাউডের কিছু কাজ যদি সরাসরি স্থানীয় ডিভাইস বা কম্পিউটারে স্থানান্তর করা যায়, তবে তা অনেক সাশ্রয়ী ও কার্যকর হবে।
এনভিডিয়ার দাবি, এই পরিবর্তনের জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে। সাধারণ পিসিগুলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউয়ের ওপর নির্ভর করে। যা ওয়ার্ড প্রসেসিং থেকে শুরু করে ওয়েব ব্রাউজিংয়ের মতো সব সাধারণ কাজ পরিচালনা করতে পারে।
সিপিইউ হয়তো এআই এজেন্টদের কাজের সমন্বয় করতে পারে কিন্তু এই এজেন্টগুলো যে এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে চলে সেগুলোর জন্য প্রয়োজন অন্য এক ধরণের চিপের। যার নাম গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা জিপিইউ। এই জিপিইউয়ের বাজারে এনভিডিয়ার রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য।
‘আরটিএক্স স্পার্ক’-এর মাধ্যমে এনভিডিয়া এই দুই ধরণের চিপকে একত্রিত করে একটি ‘সুপারচিপ’ তৈরি করছে। মিস্টার হুয়াংয়ের মতে, এর চূড়ান্ত ফলাফল হলো গত ৪০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কম্পিউটারকে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে পুরনো সেই মডেলটি বদলে যাবে যেখানে মানুষ নিজেই বেশিরভাগ ক্লিক বা টাইপিংয়ের কাজ করত। এখন সে জায়গায় এআই এজেন্টরাই বেশিরভাগ কাজ করে দেবে।
তবে এই উদ্যোগের সফলতা কিন্তু নিশ্চিত নয়। এনভিডিয়া পিসি বাজারের জন্য একেবারেই নতুন কোনো নাম নয়। এআই বিপ্লবের আগে তাদের আয়ের একটা বড় অংশ আসত গেমিং কম্পিউটারের জিপিইউ বিক্রি থেকে। তবে পিসির সিপিইউ তৈরির ক্ষেত্রে তারা একেবারেই নতুন।
বর্তমানে বাজারে বিক্রি হওয়া মোট পিসি সিপিইউয়ের ৮০ শতাংশের চেয়েও বেশি সরবরাহ করে ইন্টেল এবং এএমডি। অন্যদিকে সফটওয়্যারের হিসাবে, এনভিডিয়া জানিয়েছে যে তারা এই নতুন চিপটি নিয়ে মাইক্রোসফটের সাথে আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে। তা সত্ত্বেও, কিছু বিশ্লেষক এখনও সংশয়ে আছেন যে ডেভেলপার এবং সাধারণ ব্যবহারকারীরা এই নতুন প্রযুক্তির ‘এআই-প্রধান’ পিসিগুলোকে কত দ্রুত সামঞ্জস্যপূর্ণ করে নেবে।
তবুও এনভিডিয়ার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, তাদের বিনিয়োগ করার মতো প্রচুর অর্থ রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, কোম্পানিটি এই বছর প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের ফ্রি ক্যাশফ্লো তৈরি করবে। এছাড়া বড় বড় অংশীদারদের আকৃষ্ট করার মতো ক্ষমতা এবং সাধারণ গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ভ্যালুও তাদের রয়েছে। ইতোমধ্যেই এইচপি, লেনোভো এবং এসার-এর মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পিসি নির্মাতারা তাদের ডিভাইসে এই নতুন চিপটি ব্যবহার করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

এনভিডিয়ার এই পদক্ষেপটি জানিয়ে দেয় যে, চিপের ব্যবসা এখন কতটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে; যেখানে কোম্পানিগুলো নিজেদের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রবেশ করছে। গত মার্চ মাসে ব্রিটিশ ডিজাইন প্রতিষ্ঠান আর্ম এআই ডেটা সেন্টারের জন্য নিজস্ব সিপিইউ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। উল্লেখ্য, আরটিএক্স স্পার্ক-এর সিপিইউ তৈরিতে এই আর্ম-এর ডিজাইনই ব্যবহার করা হয়েছে।
কম্পিউটেক্সে হুয়াংয়ের বক্তব্যের ঠিক পরদিনই ইন্টেলের প্রধান লিপ-বু ট্যান তার নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। যার মধ্যে ছিল চলতি বছরের শেষের দিকে বাজারে আসতে যাওয়া একটি এআই চিপ, যা ডেটা সেন্টারে মডেল চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি। বিষয়টি নিয়ে ট্যান বলেন, “সত্যিই দারুণ কিছু করতে যাচ্ছে।” ইন্টেল ও এনভিডিয়ার মধ্যে একটি নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। তবে হুয়াংও তার কোম্পানিকে নিয়ে কোনো অংশে কম আত্মবিশ্বাসী নন।

গত কয়েক বছর ধরে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং যখনই কোনো কিছু করেছেন তখনই তিনি একটি প্রচলিত পথ অনুসরণ করেছেন। তিনি ডেটা সেন্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালানোর জন্য একের পর এক শক্তিশালী সেমিকন্ডাক্টর, সফটওয়্যার এবং নতুন সিস্টেমের উন্মোচন করেছেন।
আর এমনটা হওয়ারই কথা যেখানে এআইয়ের জয়জয়কার টেক দুনিয়ার জায়ান্ট সার্ভার ফার্মগুলোতে বেশি খরচের জোয়ার এনেছে। আর সেই অর্থের বেশিরভাগই সরাসরি জমা হয়েছে এই শীর্ষ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পকেটে। দ্য ইকোনোমিস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত চার বছরে এনভিডিয়ার ডেটা-সেন্টার বিভাগের বার্ষিক আয় ১১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৯৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে কোম্পানির বাজারমূল্য ৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ইতিহাসের যেকোনো কোম্পানির চেয়ে বেশি।
কিন্তু ১ জুন তাইওয়ানে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি খাতের বার্ষিক মেলা ‘কম্পিউটেক্স’-এ মিস্টার হুয়াং শুধু এনভিডিয়ার ডেটা-সেন্টার প্রযুক্তির নতুন সংস্করণই দেখাননি, তিনি ‘আরটিএক্স স্পার্ক’ নামের পার্সোনাল কম্পিউটারের একটি চিপও উন্মোচন করেছেন।
চলতি বছরের শেষের দিকে বাজারে আসতে যাওয়া এই চিপটি মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে মাইক্রোসফটের সফটওয়্যার চলবে। আর এভাবে এনভিডিয়া সরাসরি এই খাতের দুই শীর্ষ চিপ নির্মাতা ইন্টেল ও এএমডিকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।
এনভিডিয়ার এআইয়ের পরবর্তী ধাপ শুধু দূরবর্তী ডেটা সেন্টারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা সরাসরি ব্যবহারকারীর হাতের ডিভাইসে চলে আসবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কম্পিউটার খাতটি প্রযুক্তির দুনিয়ায় কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিল। এভারকোর নামের একটি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত এক দশকে ডেস্কটপ কম্পিউটারের চিপ বিক্রির হার প্রতি বছর ৪ শতাংশ করে কমেছে।
অন্যদিকে ল্যাপটপের চিপ বিক্রির হার ছিল প্রায় স্থবির। তবে এখন নতুন করে সবার আগ্রহ তৈরি করছে ‘এজেন্টিক’ এআইয়ের উত্থান। এটি এমন একটি সফটওয়্যার যা মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে থেকে জটিল সব কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই প্রযুক্তি যতই ছড়িয়ে পড়বে,‘টোকেন’( এআই মডেল দিয়ে বড় লেখা ছোট করা) ব্যবহারের পরিমাণ তত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মডেল নির্মাতা এবং ক্লাউড সেবাদাতারা ইতোমধ্যেই এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। তাই ক্লাউডের কিছু কাজ যদি সরাসরি স্থানীয় ডিভাইস বা কম্পিউটারে স্থানান্তর করা যায়, তবে তা অনেক সাশ্রয়ী ও কার্যকর হবে।
এনভিডিয়ার দাবি, এই পরিবর্তনের জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরণের কম্পিউটারের প্রয়োজন হবে। সাধারণ পিসিগুলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউয়ের ওপর নির্ভর করে। যা ওয়ার্ড প্রসেসিং থেকে শুরু করে ওয়েব ব্রাউজিংয়ের মতো সব সাধারণ কাজ পরিচালনা করতে পারে।
সিপিইউ হয়তো এআই এজেন্টদের কাজের সমন্বয় করতে পারে কিন্তু এই এজেন্টগুলো যে এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে চলে সেগুলোর জন্য প্রয়োজন অন্য এক ধরণের চিপের। যার নাম গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বা জিপিইউ। এই জিপিইউয়ের বাজারে এনভিডিয়ার রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য।
‘আরটিএক্স স্পার্ক’-এর মাধ্যমে এনভিডিয়া এই দুই ধরণের চিপকে একত্রিত করে একটি ‘সুপারচিপ’ তৈরি করছে। মিস্টার হুয়াংয়ের মতে, এর চূড়ান্ত ফলাফল হলো গত ৪০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কম্পিউটারকে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে পুরনো সেই মডেলটি বদলে যাবে যেখানে মানুষ নিজেই বেশিরভাগ ক্লিক বা টাইপিংয়ের কাজ করত। এখন সে জায়গায় এআই এজেন্টরাই বেশিরভাগ কাজ করে দেবে।
তবে এই উদ্যোগের সফলতা কিন্তু নিশ্চিত নয়। এনভিডিয়া পিসি বাজারের জন্য একেবারেই নতুন কোনো নাম নয়। এআই বিপ্লবের আগে তাদের আয়ের একটা বড় অংশ আসত গেমিং কম্পিউটারের জিপিইউ বিক্রি থেকে। তবে পিসির সিপিইউ তৈরির ক্ষেত্রে তারা একেবারেই নতুন।
বর্তমানে বাজারে বিক্রি হওয়া মোট পিসি সিপিইউয়ের ৮০ শতাংশের চেয়েও বেশি সরবরাহ করে ইন্টেল এবং এএমডি। অন্যদিকে সফটওয়্যারের হিসাবে, এনভিডিয়া জানিয়েছে যে তারা এই নতুন চিপটি নিয়ে মাইক্রোসফটের সাথে আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে। তা সত্ত্বেও, কিছু বিশ্লেষক এখনও সংশয়ে আছেন যে ডেভেলপার এবং সাধারণ ব্যবহারকারীরা এই নতুন প্রযুক্তির ‘এআই-প্রধান’ পিসিগুলোকে কত দ্রুত সামঞ্জস্যপূর্ণ করে নেবে।
তবুও এনভিডিয়ার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, তাদের বিনিয়োগ করার মতো প্রচুর অর্থ রয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, কোম্পানিটি এই বছর প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের ফ্রি ক্যাশফ্লো তৈরি করবে। এছাড়া বড় বড় অংশীদারদের আকৃষ্ট করার মতো ক্ষমতা এবং সাধারণ গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ভ্যালুও তাদের রয়েছে। ইতোমধ্যেই এইচপি, লেনোভো এবং এসার-এর মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পিসি নির্মাতারা তাদের ডিভাইসে এই নতুন চিপটি ব্যবহার করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

এনভিডিয়ার এই পদক্ষেপটি জানিয়ে দেয় যে, চিপের ব্যবসা এখন কতটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে; যেখানে কোম্পানিগুলো নিজেদের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রবেশ করছে। গত মার্চ মাসে ব্রিটিশ ডিজাইন প্রতিষ্ঠান আর্ম এআই ডেটা সেন্টারের জন্য নিজস্ব সিপিইউ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। উল্লেখ্য, আরটিএক্স স্পার্ক-এর সিপিইউ তৈরিতে এই আর্ম-এর ডিজাইনই ব্যবহার করা হয়েছে।
কম্পিউটেক্সে হুয়াংয়ের বক্তব্যের ঠিক পরদিনই ইন্টেলের প্রধান লিপ-বু ট্যান তার নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরেন। যার মধ্যে ছিল চলতি বছরের শেষের দিকে বাজারে আসতে যাওয়া একটি এআই চিপ, যা ডেটা সেন্টারে মডেল চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি। বিষয়টি নিয়ে ট্যান বলেন, “সত্যিই দারুণ কিছু করতে যাচ্ছে।” ইন্টেল ও এনভিডিয়ার মধ্যে একটি নীরব প্রতিযোগিতা চলছে। তবে হুয়াংও তার কোম্পানিকে নিয়ে কোনো অংশে কম আত্মবিশ্বাসী নন।

এনভিডিয়ার এই পদক্ষেপটি জানিয়ে দেয় যে, চিপের ব্যবসা এখন কতটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে; যেখানে কোম্পানিগুলো নিজেদের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রবেশ করছে। গত মার্চ মাসে ব্রিটিশ ডিজাইন প্রতিষ্ঠান আর্ম এআই ডেটা সেন্টারের জন্য নিজস্ব সিপিইউ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে।