Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> এক্সপ্লেইনার

কে এই এপস্টেইন, কী আছে তার ফাইলে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০: ২১
কে এই এপস্টেইন, কী আছে তার ফাইলে

২০১৯ সালের জুলাই। নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল জেলখানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর এবং রহস্যময় ব্যক্তি জেফ্রি এপস্টেইনকে। কাগজে-কলমে এটি আত্মহত্যা হলেও, সারা বিশ্ব বিশ্বাস করে, এর পেছনে ছিল এক বিশাল ষড়যন্ত্র।

Advertisement

কারণ?

এপস্টেইনের কাছে ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষদের এমন কিছু গোপন তথ্য, যা প্রকাশ পেলে ধসে পড়ত বহু সাম্রাজ্য। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৪ সালের শুরুতে উন্মোচিত হয় সেই ‘এপস্টেইন ফাইল’।

কে এই এপস্টেইন?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জেফ্রি এপস্টেইন ছিলেন একজন মার্কিন কোটিপতি এবং ফিন্যান্সিয়ার। কিন্তু তার আসল পরিচিতি ছিল অন্য জায়গায়। তিনি ছিলেন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের “নেটওয়ার্কার”। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস কিংবা ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স অ্যান্ড্রু-সবাই ছিলেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, তার ব্যক্তিগত দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’ পরিচিতি পায় ‘পাপের দ্বীপ’ হিসেবে, যেখানে চলতো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার এবং যৌন নিপীড়ন।

সম্প্রতি নিউইয়র্কের আদালত কয়েক শ পাতার আইনি নথি জনসমক্ষে এনেছে। এগুলো মূলত ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামে এক ভিকটিমের করা মামলার অংশ। এই নথিতেই লুকিয়ে আছে সেই সব নাম, যারা বিভিন্ন সময় এপস্টেইনের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছিলেন।

এপস্টাইন ফাইলসে এবার উঠে এল ব্রিটিশ রাজপরিবারের ‘যৌন কেলেঙ্কারি’prince andrew

কী আছে ফাইলে?

ফাইলে নাম থাকা মানেই তারা অপরাধী নন, তবে তাদের সংশ্লিষ্টতা অনেক প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে।

নথিতে দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনকে খুব পছন্দ করতেন। যদিও ক্লিনটন বরাবরই এসব অস্বীকার করেছেন। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে সরাসরি যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এই ফাইলে, যার ফলে তাকে রাজকীয় মর্যাদা হারাতে হয়। এপস্টেইনের সঙ্গে বিল গেটসের একাধিক বৈঠকের কথা সামনে এসেছে, যা নিয়ে বিল গেটস পরে অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন। অবাক করার মতো হলেও, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের নামও নথিতে পাওয়া গেছে একটি ডিনার পার্টিতে উপস্থিত থাকার সূত্রে।

এই ফাইলে ট্রাম্পের নামও রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছেন!

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রকাশিত ফাইলগুলোতে ডেমোক্রেটিক পার্টির সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বেশ কিছু ছবি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি ছবিতে ক্লিনটনকে একটি ‘হট টাব’ বা সুইমিং পুলে দেখা যাচ্ছে, যেখানে তার পাশে থাকা অন্য একজনের মুখ অস্পষ্ট করে রাখা হয়েছে। এই ছবিগুলো জনসমক্ষে আসা বিচার বিভাগের ‘তদন্ত চলাকালীন তথ্য গোপন রাখার’ দীর্ঘদিনের নীতির পরিপন্থী হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রকাশিত নথিতে পপ সম্রাট মাইকেল জ্যাকসনসহ আরও বেশ কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছবি ও উল্লেখ পাওয়া গেছে।

জেফ্রি এপস্টেইন। ছবি: রয়টার্স
জেফ্রি এপস্টেইন। ছবি: রয়টার্স

ফাইলে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির মা মীরা নায়ারের নাম পাওয়া গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, মীরা নায়ার ২০০৯ সালে তার নির্মিত চলচ্চিত্র অ্যামেলিয়ার প্রচার চালানোর সময় দণ্ডিত যৌন পাচারকারী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের বাড়িতে আয়োজিত একটি পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কিত ফাইল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এপস্টেইন ফাইলসে প্রকাশিত এক ইমেইলের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদি আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার অংশ হিসেবে ইসরায়েল ভ্রমণের আগে এপস্টেইনের পরামর্শ নিয়েছেন।

এপস্টেইনের ইমেইল বার্তায় দাবি করা হয়েছে, “মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুশি করতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলে গিয়ে নেচেছেন এবং গান গেয়েছেন। কয়েক সপ্তাহ আগেই তাদের দেখা হয়েছিল। এতে কাজ হয়েছে।”

রহস্য বাড়ছেই

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে-এপস্টেইন কি সত্যিই আত্মহত্যা করেছিলেন? জেলের সিসিটিভি ক্যামেরা কেন সেই রাতে কাজ করছিল না? কেনই বা তার মৃত্যুর পর মূল প্রমাণগুলো ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো?

এপস্টেইনের ফাইলগুলো প্রকাশের পর এখন অনেকেই ভয় পাচ্ছেন। কারণ এই তথ্যের সূত্র ধরে হয়তো ভবিষ্যতে বড় কোনো আইনি লড়াই শুরু হতে পারে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এপস্টেইন ফাইল কেবল একটি তালিকা নয়, এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের এক চরম উদাহরণ। আর তাতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যক্তিরা বিব্রত হচ্ছেন। বেরিয়ে আসছে কুরুচিপূর্ণ চিত্র। আর সেসব চিত্র মুছে দিতেই একে ঘিরে রহস্যের কোনো সমাধান করা হচ্ছে না।

বিষয়: আমেরিকানরেন্দ্র মোদিডোনাল্ড ট্রাম্পপ্রেসিডেন্টজেফরে এপস্টেইনযুক্তরাষ্ট্ররাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের দুই হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার

  • ২

    ফোন ধরেনি, তাই চাইনিজ রেস্টুরেন্টে হামলা

  • ৩

    মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ড এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

  • ৪

    ‘বাংলাদেশে সবাই সংখ্যা শুনতে পছন্দ করে’

  • ৫

    খুলনায় থামছেই না খুনখারাবি, ‘অসহায় পুলিশ’

সম্পর্কিত
  • ভোটে হেরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো, ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন মোড়?

    ভোটে হেরে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে বলসোনারো, ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কে নতুন মোড়?

    এই ঘটনা কেবল একজন পরাজিত রাজনীতিকের দেশত্যাগের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ব্রাজিলের বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে লুলা সরকারের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন।

  • নারীকে কি ‘বস্তু’ হিসেবে দেখেন? আপনার দরকার ইলেকট্রিক শক!

    নারীকে কি ‘বস্তু’ হিসেবে দেখেন? আপনার দরকার ইলেকট্রিক শক!

    নারীদের যৌনবস্তু হিসেবে দেখা বা সেক্সুয়ালি অবজেক্টিফাই করার কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন উদাহরণ প্রায়ই চোখে পড়ে। কখনো নারীকে খাবারের সঙ্গে, কখনো আবার বিভিন্ন পণ্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়। অর্থাৎ, একজন মানুষ হিসেবে তার পরিচয় ও ব্যক্তিত্বকে উপেক্ষা করে আলোচনা হয় কেবল নারীর শারীরিক অবয়ব

  • সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল, কী করবেন নেতানিয়াহু?

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোনো দল, কী করবেন নেতানিয়াহু?

    ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত ১৭ বছরের মধ্যে ১৫ বছরেরও বেশি সময় তিনি দেশটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। সব মিলিয়ে তার প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ ১৯ বছর।

  • তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘নতুন’ প্রস্তাবে নতুন কী আছে?

    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ‘নতুন’ প্রস্তাবে নতুন কী আছে?

    নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব সামনে এসেছে। শীর্ষ আইন বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে সংসদের উচ্চকক্ষকে যুক্ত করার একটি নতুন ধারণা দিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির আলোচনায়।