চরচা ডেস্ক

সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রুর নাম উঠে এসেছে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত এপস্টাইন ফাইলে। একজন নারী অভিযোগ করেছেন, জেফ্রি এপস্টাইন তাকে যুক্তরাজ্যে পাঠিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর-এর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর জন্য। বিবিসিকে এ কথা জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালে তৎকালীন রাজপুত্রের বাসভবন রয়্যাল লজে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় সেই নারীর বয়স ছিল বিশের কোঠায়। জানা গেছে, তিনি ব্রিটিশ নন।
মার্কিন আইন সংস্থা এডওয়ার্ডস হেন্ডারসনের আইনজীবী ব্র্যাড এডওয়ার্ডস বলেন, অ্যান্ড্রুর সঙ্গে রাত কাটানোর পর ওই নারীকে বাকিংহাম প্যালেস ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
এই অভিযোগের বিষয়ে বিবিসির পক্ষ থেকে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাকিংহাম প্যালেস সাধারণত সফরকারী অতিথিদের নাম নথিবদ্ধ করে রাখে, তবে সংশ্লিষ্ট নারীর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।
অ্যান্ড্রুর বাসভবনে রাত কাটানোর বিষয়ে এই নারীর অভিযোগই কোনো ‘এপস্টাইন সারভাইভারের’ (নির্যাতন থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তি) পক্ষ থেকে রাজকীয় বাসভবনে ‘যৌন কেলেঙ্কারির’ প্রথম অভিযোগ।
অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ আগেও উঠেছিল। ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামক এক নারী অভিযোগ করেছিলেন, ২০০১ সালে যখন তার বয়স ১৭ বছর ছিল, তখন সাবেক এই রাজপুত্রের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তাকে লন্ডনে আনা হয়েছিল।
জুফ্রে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে তাকে আরও দুইবার অ্যান্ড্রুর সাথে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল—একবার নিউইয়র্কে এবং একবার এপস্টাইনের ব্যক্তিগত ক্যারিবীয় দ্বীপে।
২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌন কাজে বাধ্য করার অপরাধে এপস্টাইন দোষী সাব্যস্ত হন।
ফ্লোরিডার সেই আইনজীবী বিবিসিকে জানিয়েছেন, তার মক্কেল এবং সাবেক এই রাজপুত্রের মধ্যে সেই ঘটনার আগে যোগাযোগ হয়েছিল, যেখানে ওই নারী তার সাথে রাত কাটিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন।
এডওয়ার্ডস জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক এই রাজপুত্রের আইনি পরামর্শদাতাদের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তার ভাষ্যমতে, অ্যান্ড্রু আপাতদৃষ্টিতে তার আইনজীবীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
গত অক্টোবরে বাকিংহাম প্যালেস থেকে অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, যে কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের প্রতি রাজপরিবারের গভীর সহানুভূতি ছিল এবং থাকবে।
আইনজীবী জানিয়েছেন, তিনি এখন ওই নারীর পক্ষ থেকে সাবেক রাজপুত্রের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করার কথা বিবেচনা করছেন।
ভার্জিনিয়া জুফ্রে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করেছিলেন, যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুমানিক ১২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে নিষ্পত্তি হয়। গত বছর তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে অ্যান্ড্রু সব সময়ই জুফ্রের দাবি অস্বীকার করে এসেছেন।

সাবেক ব্রিটিশ রাজপুত্র অ্যান্ড্রুর নাম উঠে এসেছে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত এপস্টাইন ফাইলে। একজন নারী অভিযোগ করেছেন, জেফ্রি এপস্টাইন তাকে যুক্তরাজ্যে পাঠিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর-এর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর জন্য। বিবিসিকে এ কথা জানিয়েছেন তার আইনজীবী।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ সালে তৎকালীন রাজপুত্রের বাসভবন রয়্যাল লজে ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় সেই নারীর বয়স ছিল বিশের কোঠায়। জানা গেছে, তিনি ব্রিটিশ নন।
মার্কিন আইন সংস্থা এডওয়ার্ডস হেন্ডারসনের আইনজীবী ব্র্যাড এডওয়ার্ডস বলেন, অ্যান্ড্রুর সঙ্গে রাত কাটানোর পর ওই নারীকে বাকিংহাম প্যালেস ঘুরিয়ে দেখানো হয়।
এই অভিযোগের বিষয়ে বিবিসির পক্ষ থেকে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাকিংহাম প্যালেস সাধারণত সফরকারী অতিথিদের নাম নথিবদ্ধ করে রাখে, তবে সংশ্লিষ্ট নারীর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।
অ্যান্ড্রুর বাসভবনে রাত কাটানোর বিষয়ে এই নারীর অভিযোগই কোনো ‘এপস্টাইন সারভাইভারের’ (নির্যাতন থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তি) পক্ষ থেকে রাজকীয় বাসভবনে ‘যৌন কেলেঙ্কারির’ প্রথম অভিযোগ।
অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ আগেও উঠেছিল। ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামক এক নারী অভিযোগ করেছিলেন, ২০০১ সালে যখন তার বয়স ১৭ বছর ছিল, তখন সাবেক এই রাজপুত্রের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তাকে লন্ডনে আনা হয়েছিল।
জুফ্রে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে তাকে আরও দুইবার অ্যান্ড্রুর সাথে যৌনকর্মে বাধ্য করা হয়েছিল—একবার নিউইয়র্কে এবং একবার এপস্টাইনের ব্যক্তিগত ক্যারিবীয় দ্বীপে।
২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে যৌন কাজে বাধ্য করার অপরাধে এপস্টাইন দোষী সাব্যস্ত হন।
ফ্লোরিডার সেই আইনজীবী বিবিসিকে জানিয়েছেন, তার মক্কেল এবং সাবেক এই রাজপুত্রের মধ্যে সেই ঘটনার আগে যোগাযোগ হয়েছিল, যেখানে ওই নারী তার সাথে রাত কাটিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন।
এডওয়ার্ডস জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক এই রাজপুত্রের আইনি পরামর্শদাতাদের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু তার ভাষ্যমতে, অ্যান্ড্রু আপাতদৃষ্টিতে তার আইনজীবীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
গত অক্টোবরে বাকিংহাম প্যালেস থেকে অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, যে কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের প্রতি রাজপরিবারের গভীর সহানুভূতি ছিল এবং থাকবে।
আইনজীবী জানিয়েছেন, তিনি এখন ওই নারীর পক্ষ থেকে সাবেক রাজপুত্রের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করার কথা বিবেচনা করছেন।
ভার্জিনিয়া জুফ্রে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা করেছিলেন, যা ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুমানিক ১২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে নিষ্পত্তি হয়। গত বছর তিনি আত্মহত্যা করেন। তবে অ্যান্ড্রু সব সময়ই জুফ্রের দাবি অস্বীকার করে এসেছেন।