
প্রায় দুই শতাব্দী ধরে যে প্রাসাদটি ছিল ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি, সেই বাকিংহাম প্যালেস কি এবার তার চিরচেনা ঐতিহ্য হারাতে চলেছে? দীর্ঘ ১০ বছরের সংস্কারকাজ শেষ হলেও, রাজা চার্লস তৃতীয় আর এই প্রাসাদকে তার প্রধান বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করবেন না!

সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার একটি গ্রিন পেপার প্রকাশ করেছে, যেখানে ২০৩৪ থেকে ২০৪৪ সালের মধ্যে টেরিস্ট্রিয়াল টিভি সম্পূর্ণ বন্ধ করার একটি সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। লং-ওয়েভ বন্ধের পর ডিজিটাল এই রূপান্তর এখন কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র।

টানা ব্যবসায়িক মন্দার মুখে অবশেষে নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পিৎজা চেইন ‘পিৎজা হাট’ বিক্রি করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মূল প্রতিষ্ঠান ইয়াম! ব্র্যান্ডস। মোট ২৭০ কোটি মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) এই আইকনিক ব্র্যান্ডটি হাতবদল হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য

পাকিস্তানে হঠাৎ করে নাম পরিবর্তনের হিড়িক কেন? লাহোরের বুক থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে ‘ইসলামী নাম’। এর বদলে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে পুরনো হিন্দু, শিখ, জৈন এবং ব্রিটিশ আমলের নাম। কিন্তু হঠাৎ কেন এই ঐতিহাসিক ‘ইউ-টার্ন’? এর পেছনে কি শুধুই ইতিহাস রক্ষা, নাকি লুকিয়ে আছে অন্য কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ?

আগামী সোমবার স্যার কিয়ার স্টারমার একটি বক্তৃতা দিবেন। যার মাধ্যমে তার প্রধানমন্ত্রিত্ব আবার গুছিয়ে নেবার চেষ্টা করবেন। যেখানে স্টারমার তার লক্ষ্য তুলে ধরবেন। এছাড়া বুধবার পার্লামেন্টের রাষ্ট্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকার তাদের আগামী বছরের আইন প্রণয়নের পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরবে।

ব্রিটেনের প্রধান হিসেবে রাজাকে দেখতে নারাজ অনেকে। তারা চান নির্বাচিত প্রতিনিধি। ৯ মে (২০২৬) বাকিংহাম প্যালেসের সামনে ব্রিটিশরাজ অবসানের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে প্রায় দেড় শ লোক।

কার্ল মার্কস কেবল অর্থনৈতিক তাত্ত্বিক ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের সবচেয়ে সোচ্চার কণ্ঠস্বর।

ব্রিটিশ অটোমোটিভ কোম্পানি এমজি বাংলাদেশের বাজারে এনেছে দুই সিটের ইলেক্ট্রিক স্পোর্টস কার ‘এমজি সাইবারস্টার’।

স্টারমার জানান, লন্ডন একটি সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে আমেরিকাকে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ইরানের সেইসব ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং মজুদাগারগুলো ধ্বংস করা, যা যুক্তরাজ্য ও তার মিত্রদের ওপর হামলার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ওই অঞ্চলে ব্রিটিশ কর্মী ও সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সাইপ্রাস সরকার ইতোমধ্যেই ব্রিটিশ সরকারের সাথে কথা বলেছে এবং এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি শিগগিরই আসবে।

বিএনপি কি অন্যায়ভাবে প্রশাসনের শীর্ষ পদে রদবদল করছে? গত অন্তর্বর্তী সরকারইবা কী করেছে? এসব নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান

১৯৩১ সালে এলাহাবাদের আলফ্রেড পার্কে ব্রিটিশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন চন্দ্রশেখর আজাদ। দীর্ঘদিন ধরে তার মৃত্যুকে আত্মাহুতি হিসেবে দেখা হলেও সাম্প্রতিক সিআইডি নথি নতুন সন্দেহ উসকে দিয়েছে। এই নথিতে আঙুল উঠেছে তার সাবেক সহযোগী ও পরবর্তীকালের প্রখ্যাত সাহিত্যিক যশপাল সিং-এর দিকে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর সম্পর্কে বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন।”

মার্কিন লেখক আর্সালা কে. লে গুইনের সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস ‘দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস’-এ ‘উইন্টার’ নামক এক কাল্পনিক গ্রহের কথা বলা হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা মূলত উভলিঙ্গ। তারা মাসে মাত্র কয়েকদিনের জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে নারী অথবা পুরুষ যেকোনো একটি লিঙ্গের বৈশিষ্ট্য পায়। লে গুইন লিখেছেন, মানব সভ্যতার

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশে একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় হামলাকারীসহ ১০ জন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

গণঅভ্যুত্থানের পর নারীদের কোণঠাসা করার বাস্তবতায় কল্পনা দত্ত হয়ে ওঠেন প্রাসঙ্গিক প্রতীক। ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামে এই অগ্নিকন্যা প্রমাণ করেছিলেন, নারীর সাহস প্রশ্নাতীত। আজকের বৈষম্যের ভিড়ে তার জীবন নতুন করে ভাবতে শেখায় ইতিহাস।

গত অক্টোবরে বাকিংহাম প্যালেস থেকে অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, যে কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীদের প্রতি রাজপরিবারের গভীর সহানুভূতি ছিল এবং থাকবে।

চীনের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘পপ মার্ট’ তাদের বিখ্যাত লাবুবু পুতুল নিয়ে এবার লন্ডনে গেড়ে বসছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের চীন সফরের ফলে দেশটিতে কয়েক বিলিয়ন পাউন্ডের বিনিয়োগ আসছে, যার মধ্যে পপ মার্টের এই বিস্তার অন্যতম।

'স্কাউটিং ফর বয়েজের সাফল্যের পর ব্যাডেন-পাওয়েল একটি কেন্দ্রীয় অফিস স্থাপন করেন এবং স্কাউটদের জন্য নির্দিষ্ট ইউনিফর্মের নকশা তৈরি করেন। ১৯০৮ সালের শেষ দিকে স্কাউট সদস্য সংখ্যা ৬০ হাজারে পৌঁছায় এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতেও এর শাখা ছড়িয়ে পড়ে।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করেছে লন্ডন। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া পার্বত্য তিন জেলায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।