চরচা ডেস্ক

ইউক্রেনের বিতর্কিত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পুনর্বহালের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কিয়েভের বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ফেদোরভকে পুনরায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে এই বিক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। তখন হাজারো ইউক্রেনীয় রাস্তায় নেমে ফেদোরভকে পুনর্বহাল এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে অপসারণের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীদের একাংশের অভিযোগ ছিল, সিরস্কি সেনাসদস্যদের জীবনের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করেছেন।
জেলেনস্কি পরে সিরস্কির পরিবর্তে সম্মানিত সামরিক কমান্ডার মিখাইলো দ্রাপাতিকে সেনাপ্রধান নিয়োগ দিলেও গতকাল শুক্রবার শত শত মানুষ আবারও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেয়, “আমরা দাঁড়িয়েছিলাম, আমরা দাঁড়িয়ে আছি, এবং আমরা দাঁড়িয়েই থাকব।”
বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজক ও সাবেক সেনাসদস্য দিমিত্রো কোজিয়াতিনস্কি রয়টার্সকে বলেন, “মানুষ যতদিন প্রয়োজন, ততদিন এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।”
এর আগে জেলেনস্কি বলেছিলেন, সেনাপ্রধান সিরস্কির সঙ্গে অমীমাংসিত দ্বন্দ্বের কারণেই ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়েছে। তিনি ফেদোরভকে প্রতিরক্ষা উদ্ভাবনবিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর পদসহ কয়েকটি দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেন।
তবে ৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ প্রকাশ্যে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ফেদোরভ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি দমনে এবং সংস্কারে ভূমিকার জন্য প্রশংসিত। তার ভাষ্য, প্রস্তাবিত কোনো পদেই প্রয়োজনীয় সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার মতো কার্যকর ক্ষমতা নেই।
কোজিয়াতিনস্কি বলেন, “আমাদের শুধু প্রতীকী ফেদোরভ দরকার নয়। আমাদের দরকার তরুণ সংস্কারক ফেদোরভকে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট যে পদগুলোর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেগুলোতে পর্যাপ্ত প্রভাব বা সংস্কার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা নেই।”
‘চুরি হয়েছে ফলাফল’
বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা কার্ডবোর্ডের প্ল্যাকার্ড এই আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এতে লেখা আছে, “ফেদোরভকে ফিরিয়ে আনুন”, “যারা আমার জন্য সেখানে লড়ছে, আমি তাদের জন্য এখানে”, “ফেদোরভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করুন”।
ইংরেজিতে লেখা একটি প্ল্যাকার্ডে ছিল: “Let the manager manage”।
প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কার, প্রতিরক্ষা খাতে দুর্নীতি দমন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ফেদোরভকে অনেকেই কৃতিত্ব দেন।
তার অপসারণ এমন সময়ে হয়েছে, যখন ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দেশটি এখনো রাশিয়ার প্রাণঘাতী বিমান হামলা ও সম্মুখসারির আক্রমণের মুখে রয়েছে।
বিক্ষোভকারী আন্না বলেন, “মানুষের আশা চুরি হয়নি, চুরি হয়েছে অর্জিত ফলাফল।”
সমালোচনার মুখে পড়লেও জেলেনস্কি এখনো ফেদোরভের স্থানে কাউকে সংসদের অনুমোদনের জন্য মনোনীত করেননি। মাত্র ছয় মাস দায়িত্ব পালন করার পর ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়।
তবে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান ইয়েভহেনি খমারাকে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আন্না বলেন, “নতুন একটি দল গঠন, নতুন সংস্কার শুরু কিংবা নতুন মন্ত্রীর পুরোনো সমস্যাগুলো বুঝে উঠতে আমাদের হাতে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় নেই।” তবে তিনি খমারাকে একজন দক্ষ কর্মকর্তা বলেও উল্লেখ করেন।

ইউক্রেনের বিতর্কিত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পুনর্বহালের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কিয়েভের বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ফেদোরভকে পুনরায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে এই বিক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। তখন হাজারো ইউক্রেনীয় রাস্তায় নেমে ফেদোরভকে পুনর্বহাল এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে অপসারণের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীদের একাংশের অভিযোগ ছিল, সিরস্কি সেনাসদস্যদের জীবনের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করেছেন।
জেলেনস্কি পরে সিরস্কির পরিবর্তে সম্মানিত সামরিক কমান্ডার মিখাইলো দ্রাপাতিকে সেনাপ্রধান নিয়োগ দিলেও গতকাল শুক্রবার শত শত মানুষ আবারও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেয়, “আমরা দাঁড়িয়েছিলাম, আমরা দাঁড়িয়ে আছি, এবং আমরা দাঁড়িয়েই থাকব।”
বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজক ও সাবেক সেনাসদস্য দিমিত্রো কোজিয়াতিনস্কি রয়টার্সকে বলেন, “মানুষ যতদিন প্রয়োজন, ততদিন এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।”
এর আগে জেলেনস্কি বলেছিলেন, সেনাপ্রধান সিরস্কির সঙ্গে অমীমাংসিত দ্বন্দ্বের কারণেই ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়েছে। তিনি ফেদোরভকে প্রতিরক্ষা উদ্ভাবনবিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর পদসহ কয়েকটি দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেন।
তবে ৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ প্রকাশ্যে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ফেদোরভ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি দমনে এবং সংস্কারে ভূমিকার জন্য প্রশংসিত। তার ভাষ্য, প্রস্তাবিত কোনো পদেই প্রয়োজনীয় সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার মতো কার্যকর ক্ষমতা নেই।
কোজিয়াতিনস্কি বলেন, “আমাদের শুধু প্রতীকী ফেদোরভ দরকার নয়। আমাদের দরকার তরুণ সংস্কারক ফেদোরভকে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট যে পদগুলোর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেগুলোতে পর্যাপ্ত প্রভাব বা সংস্কার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা নেই।”
‘চুরি হয়েছে ফলাফল’
বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা কার্ডবোর্ডের প্ল্যাকার্ড এই আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এতে লেখা আছে, “ফেদোরভকে ফিরিয়ে আনুন”, “যারা আমার জন্য সেখানে লড়ছে, আমি তাদের জন্য এখানে”, “ফেদোরভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করুন”।
ইংরেজিতে লেখা একটি প্ল্যাকার্ডে ছিল: “Let the manager manage”।
প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কার, প্রতিরক্ষা খাতে দুর্নীতি দমন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ফেদোরভকে অনেকেই কৃতিত্ব দেন।
তার অপসারণ এমন সময়ে হয়েছে, যখন ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দেশটি এখনো রাশিয়ার প্রাণঘাতী বিমান হামলা ও সম্মুখসারির আক্রমণের মুখে রয়েছে।
বিক্ষোভকারী আন্না বলেন, “মানুষের আশা চুরি হয়নি, চুরি হয়েছে অর্জিত ফলাফল।”
সমালোচনার মুখে পড়লেও জেলেনস্কি এখনো ফেদোরভের স্থানে কাউকে সংসদের অনুমোদনের জন্য মনোনীত করেননি। মাত্র ছয় মাস দায়িত্ব পালন করার পর ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়।
তবে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান ইয়েভহেনি খমারাকে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আন্না বলেন, “নতুন একটি দল গঠন, নতুন সংস্কার শুরু কিংবা নতুন মন্ত্রীর পুরোনো সমস্যাগুলো বুঝে উঠতে আমাদের হাতে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় নেই।” তবে তিনি খমারাকে একজন দক্ষ কর্মকর্তা বলেও উল্লেখ করেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। নেট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুই মাস পর এবং নবগঠিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মাধ্যমে দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই পদত

গত ২০ জুলাই নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলে ঘটে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি নির্যাতন এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবকে চিহ্নিত করা গেছে। নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট ও তলস্তয় মার্গ ক্রসিং থেকে শুরু করে কনট প্লেস পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় তরুণ ভারতীয়রা শিক্ষা ব্যবস্থার সর্বগ্রাসী দুর্নীতি ও অবক্ষয়ে

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকেই সবার দৃষ্টি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেদিকে। সরকার গঠনের পর থেকেই এ পদে বিএনপির জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় থাকলেও গত দুই দিনে সম্ভাব্যদের তালিকায় নতুন আরও কয়েকটি নাম যুক্ত হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রগুলোর ভাষ্য, সম্ভাব্যদের তালিকা এখন অনেকটাই সংক