Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> বিশ্লেষণ

ইউক্রেনে রাজপথে কেন বিক্ষোভকারীরা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৯: ৫৫
ইউক্রেনে রাজপথে কেন বিক্ষোভকারীরা?

ইউক্রেনের বিতর্কিত মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে বরখাস্ত হওয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পুনর্বহালের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কিয়েভের বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ফেদোরভকে পুনরায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

গত সপ্তাহে এই বিক্ষোভ চরমে পৌঁছায়। তখন হাজারো ইউক্রেনীয় রাস্তায় নেমে ফেদোরভকে পুনর্বহাল এবং তৎকালীন সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে অপসারণের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীদের একাংশের অভিযোগ ছিল, সিরস্কি সেনাসদস্যদের জীবনের প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি এবং সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করেছেন।

জেলেনস্কি পরে সিরস্কির পরিবর্তে সম্মানিত সামরিক কমান্ডার মিখাইলো দ্রাপাতিকে সেনাপ্রধান নিয়োগ দিলেও গতকাল শুক্রবার শত শত মানুষ আবারও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেয়, “আমরা দাঁড়িয়েছিলাম, আমরা দাঁড়িয়ে আছি, এবং আমরা দাঁড়িয়েই থাকব।”

বিক্ষোভের অন্যতম আয়োজক ও সাবেক সেনাসদস্য দিমিত্রো কোজিয়াতিনস্কি রয়টার্সকে বলেন, “মানুষ যতদিন প্রয়োজন, ততদিন এই আন্দোলন চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।”

এর আগে জেলেনস্কি বলেছিলেন, সেনাপ্রধান সিরস্কির সঙ্গে অমীমাংসিত দ্বন্দ্বের কারণেই ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়েছে। তিনি ফেদোরভকে প্রতিরক্ষা উদ্ভাবনবিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর পদসহ কয়েকটি দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেন।

তবে ৩৫ বছর বয়সী ফেদোরভ প্রকাশ্যে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ফেদোরভ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি দমনে এবং সংস্কারে ভূমিকার জন্য প্রশংসিত। তার ভাষ্য, প্রস্তাবিত কোনো পদেই প্রয়োজনীয় সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার মতো কার্যকর ক্ষমতা নেই।

কোজিয়াতিনস্কি বলেন, “আমাদের শুধু প্রতীকী ফেদোরভ দরকার নয়। আমাদের দরকার তরুণ সংস্কারক ফেদোরভকে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট যে পদগুলোর প্রস্তাব দিয়েছেন, সেগুলোতে পর্যাপ্ত প্রভাব বা সংস্কার বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা নেই।”

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অপসারণকে কেন্দ্র করে ইউক্রেনে বিক্ষোভukraine

‘চুরি হয়েছে ফলাফল’

বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা কার্ডবোর্ডের প্ল্যাকার্ড এই আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এতে লেখা আছে, “ফেদোরভকে ফিরিয়ে আনুন”, “যারা আমার জন্য সেখানে লড়ছে, আমি তাদের জন্য এখানে”, “ফেদোরভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করুন”।

ইংরেজিতে লেখা একটি প্ল্যাকার্ডে ছিল: “Let the manager manage”।

প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কার, প্রতিরক্ষা খাতে দুর্নীতি দমন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ফেদোরভকে অনেকেই কৃতিত্ব দেন।

তার অপসারণ এমন সময়ে হয়েছে, যখন ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার অভ্যন্তরে সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে দেশটি এখনো রাশিয়ার প্রাণঘাতী বিমান হামলা ও সম্মুখসারির আক্রমণের মুখে রয়েছে।

বিক্ষোভকারী আন্না বলেন, “মানুষের আশা চুরি হয়নি, চুরি হয়েছে অর্জিত ফলাফল।”

সমালোচনার মুখে পড়লেও জেলেনস্কি এখনো ফেদোরভের স্থানে কাউকে সংসদের অনুমোদনের জন্য মনোনীত করেননি। মাত্র ছয় মাস দায়িত্ব পালন করার পর ফেদোরভকে অপসারণ করা হয়।

তবে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান ইয়েভহেনি খমারাকে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আন্না বলেন, “নতুন একটি দল গঠন, নতুন সংস্কার শুরু কিংবা নতুন মন্ত্রীর পুরোনো সমস্যাগুলো বুঝে উঠতে আমাদের হাতে অতিরিক্ত ছয় মাস সময় নেই।” তবে তিনি খমারাকে একজন দক্ষ কর্মকর্তা বলেও উল্লেখ করেন।

বিষয়: ইউরোপভলোদিমির জেলেনস্কিবিক্ষোভপ্রেসিডেন্টইউক্রেনবরখাস্তমন্ত্রীপ্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ইউক্রেন যুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ‘ভাবিনি জিপিএ–৫ পাব টার্গেট মেডিকেল’

  • ২

    বাংলাদেশে রয়্যাল এনফিল্ডের নতুন সংস্করণ উন্মোচন

  • ৩

    রবীন্দ্রনাথের রাশিয়া সফরের ৯৬তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন

  • ৪

    ‘সরকার আসার সাথে সাথে সব জায়গায় বাপের পরিচয়ে বসে গেছে’

  • ৫

    আসাদুজ্জামান নূরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোয় এনসিপির নিন্দা

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ