
এবার বিপিএল হবে তো?
তার মানে হলো, তামিম নামকাওয়াস্তে বিপিএল না করতে চাইলেও সব পক্ষই বিপিএলে এক বছরের বিরতি চান না। সেই চাওয়া এতটাই জোরদার যে, আরেকটি বিতর্কিত বিপিএলেও আপত্তি নেই তাদের।

গত বছরের আগস্টে মার্কিন অনলাইন পাবলিশিং প্ল্যাটফর্ম ‘মিডিয়াম’-এ ভারতের চাকরি বাজারের অবস্থা নিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম–‘ভারতের চাকরির বাজারে ডিগ্রি আপনাকে বাঁচাতে পারবে না–নির্মম সত্য’।
লেখক আনশ কৌশল। তিনি কোনো গবেষক বা শিক্ষাবিদ নন। অর্থনীতিবিদও নন।
কৌশল একজন কোডার ও ভিডিও এডিটর। বলা চলে ভারতের যুব সমাজের একজন প্রতিনিধি। তিনি তার লেখায় ভারতের চাকরির বাজারের ভয়ানক এক চিত্র তুলে ধরেন। উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে সেখানে লাখ লাখ গ্র্যাজুয়েট বেকার বসে আছে।
আনশ মিডিয়ামে লিখেছেন, “২০২৫ সালে এসে দেশের ৫৬ শতাংশেরই বেশি নবীন স্নাতক শিক্ষার্থীর হাতে কোনো চাকরির অফার নেই। অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি, ভারতীয় বাবা-মায়ের পছন্দের সাবজেক্টগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ।৮৩ শতাংশ প্রকৌশল এবং ৫০ শতাংশ এমবিএ উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী এখনো কোনো চাকরি পাননি।”
ওই লেখা প্রকাশের ১০ মাস পরের ভারতের দিকে তাকানো যাক। ততদিনে সেখানে উচ্চশিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের নিয়ে গঠিত হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি।
ফ্রানৎস কাফকার ‘দ্য মেটামরফোসিস’ গ্রন্থে একজন সাধারণ মানুষকে এক বিশালাকার পতঙ্গে রূপান্তরের কথা বলা হয়েছিল–আধুনিক জীবনের বিচ্ছিন্নতাবোধ, অসহায়ত্ব এবং অমানবিক চাপগুলোকে উন্মোচন করার উদ্দেশ্যে।
এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর, ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) একইভাবে একটি অস্বস্তিকর প্রতীক গ্রহণ করেছে।
তবে কোনো কাল্পনিক গল্প রচনার জন্য নয়, বরং এমন এক প্রজন্মের পুঞ্জীভূত হতাশা প্রকাশের জন্য, যারা বছরের পর বছর অর্জিত শিক্ষা, ব্যয়বহুল কোচিং আর নিরন্তর প্রতিযোগিতা শেষ পর্যন্ত কখনো একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানে পরিণত হবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক নিবন্ধে একটি গবেষণা তুলে ধরা হয়েছে। ব্যাঙ্গালোরের আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটির সেই গবেষণায় দেখা যায়, ২০০৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতি বছর কর্মক্ষম জনসংখ্যার তালিকায় প্রায় ৫০ লাখ স্নাতক যুক্ত হয়েছেন।
অথচ এই একই সময়ে কর্মসংস্থান বেড়েছে মাত্র প্রায় ২৮ লাখ। একটি মাত্র পরিসংখ্যানই ভারতের শিক্ষিত তরুণ সমাজের সেই পুঞ্জীভূত হতাশাকে পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তোলে।
রাজপথে এত মানুষের ঢল নামার কারণ কিন্তু সরাসরি এই পরিসংখ্যান ছিল না। তবে এর আসল প্রেক্ষাপটটি বুঝতে সাহায্য করে।

স্নাতকদের একটি সরকারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা–কেন এত ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল, তা বুঝতে সাহায্য করে এই পরিসংখ্যান।
আন্দোলনকারী তরুণরা দেশের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছিল। সপ্তাহজুড়ে টালবাহানার পর গত ২৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি মেনে নিতে বাধ্য হন এবং শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করেন।
ভারতের লাখ লাখ তরুণ বছরের পর বছর অত্যন্ত পরিশ্রম করে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়, যেখানে সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়ার খুব একটা লক্ষণ নেই।
ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে মেডিকেল কলেজের মাত্র ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ আসনের বিপরীতে ২২ লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসেছিল।
অন্যদিকে, নিম্ন পদের সরকারি চাকরির আরেকটি পরীক্ষায় প্রায় ১৫ হাজার পদের জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮ লাখ।
গুরুত্বপূর্ণ এসব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এখন ক্রমেই বিপুলসংখ্যক তরুণের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করছে। ডেটা বিশ্লেষক সুজয় নাদকার্নির হিসাব অনুযায়ী, ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, যা ২ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
পরীক্ষা ব্যবস্থার দুর্নীতির লাগাম টানতে সরকার এবারও ‘নতুন কিছু’ (যেটি আদৌ নতুন কিছু নয়) পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে।
তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেয়েও যা নীতিপ্রণেতাদের বেশি চিন্তায় ফেলা উচিত, তা হলো দিন দিন এসব পরীক্ষায় প্রতিযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়া এবং এই প্রবণতা স্থায়ী রূপ পাওয়ার গুরুত্ব। তরুণ ভারতীয়রা কেবল এই ভঙ্গুর ব্যবস্থার ভেতরেই সফল হওয়ার জন্য জেদ ধরে বসে রয়েছে, কারণ এর বিকল্প পথ মানে সাধারণ বাজারে কাজ খুঁজে নেওয়া আরও বেশি কঠিন।
যে শিক্ষিত তরুণরা নিজেদের বেকার হিসেবে উল্লেখ করছেন, তাদের মধ্যে ৭ শতাংশেরও কম স্নাতক এক বছরের মধ্যে স্থায়ী কোনো বেতনভুক্ত চাকরি পান।
এই পুরো পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সমাজে শিকড় গেড়ে থাকা একটি বিশ্বাসকেই হুমকির মুখে ফেলছে। পড়াশোনা করো, সাফল্য আসবেই।
এবং সেই সাফল্যটা হতে হবে পরিবার ও সমাজ অনুমোদিত। ভঙ্গুর ব্যবস্থার মধ্যে একটা চাকরির জন্য ভারতীয় স্নাতকদের রক্ত-ঘাম এক করে ফেলার কারণটা আমরা ভালো করেই জানি।
মিডিয়ামের নিবন্ধে কৌশল লিখেছিলেন, অসংখ্য শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব আগ্রহ বা যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, বরং অভিভাবক বা সমাজের চাপে পড়ে পড়ার বিষয় এবং চাকরি নির্বাচন করে।
এর চূড়ান্ত পরিণতি উচ্চশিক্ষিত হয়েও কাঙ্ক্ষিত সরকারি বা বেসরকারির চাকরির পরীক্ষায় না টিকে বেকার বসে থাকা।
শিক্ষাকেন্দ্রিক এই উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করেই ১৮ থেকে ২৩ বছর বয়সীদের মধ্যে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির হার প্রায় ৩০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা খাতের অভাবনীয় প্রসারের ফলে বিগত ৩০ বছরের ব্যবধানে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬ হাজার থেকে বেড়ে প্রায় ৭০ হাজারে গিয়ে পৌঁছেছে।
তবুও অর্থনীতিবিদদের প্রধান দুশ্চিন্তা হলো–ভারতীয় স্নাতকদের প্রায় ৪৫ শতাংশের ডিগ্রিই কলা কিংবা বাণিজ্য শাখার, প্রযুক্তি বা চিকিৎসার মতো কারিগরি ক্ষেত্রের নয়। ২০২৪ সালে একটি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিবেদনে অনুমান করা হয়, ভারতের স্নাতকদের মধ্যে মাত্র ৫৫ শতাংশ কর্মসংস্থানের উপযুক্ত।
দক্ষতা অর্জনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটগুলো ভোকেশনাল বা কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তবে আজিম প্রেমজি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দেখেছেন, ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে অবস্থিত, এই ইনস্টিটিউটগুলোর অবস্থান তার সাথে মোটেও সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আর যোগ্য কর্মীর প্রাপ্যতার চেয়েও বড় সংকট হলো কর্মসংস্থানের ঘোর অভাব।
২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতে ৮ কোটি ৩০ লাখ নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হলেও তার প্রায় অর্ধেকই ছিল কৃষি খাতে।
স্নাতক ডিগ্রি থাকুক আর না থাকুক–ভারতের কারখানা ও অফিসগুলো পর্যাপ্ত শ্রমশক্তি গ্রহণ করতে পারছে না।
এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বহু স্নাতক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু গুণগত কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না।
মানে উচ্চশিক্ষায় বছরের পর বছর ব্যয় করার পর তারা যেমন কাজের প্রত্যাশা করেছিলেন, এগুলো তেমন কাজ নয়। ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অরুণ কুমারের মতে, এই সমস্যার আসল মূল লুকিয়ে রয়েছে ভারতের সংগঠিত ও অসংগঠিত খাতের মধ্যকার তীব্র বৈষম্যের মধ্যে।
সংগঠিত খাত হলো সরকারি, করপোরেট, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি। এই খাতে কর্মচারীদের চাকরির নিরাপত্তা, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, নির্ধারিত বেতন এবং সামাজিক সুরক্ষার নিশ্চয়তা থাকে।
অসংগঠিত খাত হলো দিনমজুর, রাজমিস্ত্রি, কুরিয়ার সার্ভিস, ফুড ডেলিভারি, চা বা মুদির দোকানের কাজ। এই কাজে না আছে নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, না আছে নির্ধারিত বেতন বা সামাজিক সুরক্ষা।
অরুণ কুমার এক সাক্ষাৎকারে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, “যখন বেকারত্ব বাড়ে, তখন অনিবার্যভাবেই তা সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কারণ, বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর তুলনায় পদের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। ভারতে এই সংকটটি আরও প্রকট। কারণ, এ দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৯৪ শতাংশই অসংগঠিত খাতে নিয়োজিত, আর মাত্র ৬ শতাংশের মতো কাজের সুযোগ রয়েছে সংগঠিত খাতে। এই দুই খাতের বেতন এবং চাকরির নিরাপত্তার মধ্যে ফারাক আকাশপাতাল।
একজন কুরিয়ার ডেলিভারি ম্যান মাসে হয়তো ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার রুপি আয় করেন, অথচ একই ধরনের কাজে একজন সরকারি ডাকপিয়ন মাসে প্রায় ৭০ হাজার রুপি পর্যন্ত পেতে পারেন। স্বভাবতই, সংগঠিত খাতের নিশ্চিত সুরক্ষা কেউ হারাতে চায় না এবং প্রত্যেকেই সেখানে একটি জায়গা করে নিতে চায়। এই চরম প্রতিযোগিতাই এক বিশাল মানসিক ও সামাজিক চাপের সৃষ্টি করছে।”

এমনকি যারা কর্মসংস্থানে রয়েছেন, তাদের কাজের গুণমান নিয়েও বড় ধরনের দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে। ভারতের পর্যায়ক্রমিক শ্রমশক্তি জরিপের একটি বিশ্লেষণ ঘেটে দেখা যায়, প্রতি ১০০ জন স্নাতকের মধ্যে মাত্র ২৬ জনের নিয়মিত বেতনভুক্ত চাকরি রয়েছে।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, মাত্র ৪ জন এমন স্থায়ী চাকরি করছেন, যেখানে লিখিত চুক্তিপত্র, বেতনসহ ছুটি এবং সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা প্রদান করা হয়। বাকি স্নাতকরা আত্মকর্মসংস্থান, পারিশ্রমিকহীন পারিবারিক কাজ, দিনমজুরি এবং ক্ষুদ্র পারিবারিক উদ্যোগে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছেন। বছরের পর বছর উচ্চশিক্ষা গ্রহণ সত্ত্বেও তাদের অনেকেরই আয়ের কোনো নিশ্চয়তা নেই এবং কাজের সুরক্ষাও পুরোপুরি অনুপস্থিত।
ভারত এখন ‘বেকারত্বের প্যারাডক্সে’ আটকে গেছে। বর্তমান বিশ্বের দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোর মধ্যে দেশটি অন্যতম। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, জ্বালানি তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের মন্দা সত্ত্বেও দেশটি জিডিপিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে এবং নিজেকে বিশ্বমানের উৎপাদন ও বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
তবে লাখ লাখ তরুণ ভারতীয়দের কাছে এই আশার আলো অত্যন্ত ধূসর। বর্তমানে ভারতের অর্থনীতির মূল বৈপরীত্যই হলো–জিডিপির এই দ্রুত বৃদ্ধি ভালো মানের কর্মসংস্থান তৈরিতে ব্যর্থ হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা এই অবস্থাকে ব্যাখ্যা করে থাকেন ‘জবলেস গ্রোথ’ হিসেবে।
মানে যেখানে অর্থনীতি তরতর করে এগিয়ে যায়, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য সুরক্ষিত ও উৎপাদনশীল কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয় না।
এ ধরনের সমস্যার মুখে কেবল ভারত একা নয়। সমগ্র দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়েই যুব বেকারত্ব আশঙ্কাজনকভাবে চড়া।চীনও স্নাতকদের এই উদ্বৃত্ত সংকট নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। তবে ভারতের তরুণ জনগোষ্ঠীর (১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী) আকার বিশ্বের সর্ববৃহৎ। প্রায় ৩৭ কোটি এবং এটি অন্তত ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাড়তে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিশাল শ্রমশক্তিকে কর্মসংস্থানে অন্তর্ভুক্ত করা যেমন এক বিরাট অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ঠিক তেমনি চলতি বছরের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে দেখিয়ে দিয়েছে–এটি একটি ‘প্রকাণ্ড’ রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও বটে।

তার মানে হলো, তামিম নামকাওয়াস্তে বিপিএল না করতে চাইলেও সব পক্ষই বিপিএলে এক বছরের বিরতি চান না। সেই চাওয়া এতটাই জোরদার যে, আরেকটি বিতর্কিত বিপিএলেও আপত্তি নেই তাদের।

তুরস্কে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী বিরোধী নেতা ওজগুর ওজেল। গত ২৪ জুলাই ঘোষিত দলের নাম রাখা হয়েছে নিউ পার্টি (ওয়াইপি)। ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ইচ্ছা যেন বাস্তবে রূপ নিল।

আবদেররহিম ফকির আসলে কে ছিলেন এবং কী কারণে তিনি এত মানসিক চাপে ছিলেন। সমাজবিজ্ঞানী ও শরণার্থী সংস্থাগুলোর মতে, এই প্রবণতা ইউরোপের অভিবাসন বিতর্ককে এমন এক সরলীকৃত চিত্রে পরিণত করছে, যা বাস্তবসম্মত ও মানবিক সমাধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে।

মরক্কোর রাজধানী রাবাতের বিপরীতে বু রেগরেগ নদীর ওপারে সালেতে ফিফার আফ্রিকা কার্যালয়ে বুধবারের বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য হবে—আগামী সাত মাস, অর্থাৎ নির্বাচন পর্যন্ত ইনফান্তিনোর অবস্থান নিশ্চিত করা।