Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

হুতিদের ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে তুরস্ক?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ১৯
হুতিদের ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে তুরস্ক?
হুতিদের ঠেকাতে সৌদিকে সামরিক সহায়তা দেবে তুরস্ক? ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের হুতি বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তুরস্ক। এর ফলে সম্প্রতি সই হওয়া মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রথম বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে। এই চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই এই চুক্তি করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, সৌদি আরবের সামরিক সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত বিষয়ে সহায়তা চাইলে তুরস্ক তা দিতে কোনো সমস্যা দেখছে না।

তুরস্কের ইবনে হালদুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইসমাইল নুমান তেলচি আল জাজিরাকে বলেন, ফিদানের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তুরস্কের যেসব সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলো সৌদিকে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা, রাডার ও নজরদারি ব্যবস্থা এবং সমুদ্র নিরাপত্তা।

তবে নুমান তেলচি মনে করেন, কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংঘাতে তুরস্ক সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওযার সম্ভাবনা কম।

এ দিকে, এমন সময় তুরস্কের এই বক্তব্য এল, যখন হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও জাহাজ চলাচলের ওপর হামলা বাড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর যে আঞ্চলিক সংকট তৈরি হয়েছে, হুতিদের হামলায় তা আরও বেড়েছে।

এই উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে। হুতিরা লোহিত সাগরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে। হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় সৌদি আরবের তেল রপ্তানির বিকল্প পথ হিসেবে লোহিত সাগর ব্যবহার করা হচ্ছিল।

এখন প্রশ্ন হলো, তুরস্কের এই সহায়তার প্রস্তাব বাস্তবে কী অর্থ বহন করে? আর মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণে কি এর সদস্য দেশগুলো সরাসরি সামরিকভাবে এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে?

মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা mecca pact

কী বলেছে তুরস্ক?

স্থানীয় সময় শনিবার তুরস্কের গণমাধ্যমকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, হুতিদের হামলা চলতে থাকায় সৌদি আরবের সামরিক সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তারা রিয়াদকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

তুরস্কের টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুতর হামলা হচ্ছে। সৌদর কিছু সামরিক প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়ে। এসব সহায়তা দিতে তুরস্কের কোনো সমস্যা হবে না।

তবে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হতে পারে, ফিদান তা স্পষ্ট করেননি।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনী রয়েছে তুরস্কের। দেশটি হুতিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং এসব হামলা দ্রুত বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক অ্যালেক্স আফিরাজ শিয়ার্স আল জাজিরাকে বলেন, তুরস্ক সৌদিকে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক–দুই ধরনের সহায়তাই দিতে পারে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যও দিতে পারে।

এই বিশ্লেষকের মতে, সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। হুতিদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা চাপে পড়েছে।

আক্রমণের ক্ষেত্রে সৌদি আরব তুরস্কের পরীক্ষা করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অনুরোধ করতে পারে বলেও জানান শিয়ার্স। এর মাধ্যমে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থলে হামলার সুযোগ পাবে সৌদি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার পর সৌদির কাছে এমন সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে।

লন্ডনের কিংস কলেজের জ্যেষ্ঠ গবেষক নওয়াফ ওবেইদ বলেন, হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দিতে সৌদি আরব ও তার মিত্ররা একটি সমন্বিত সামরিক প্রতিক্রিয়া তৈরির চেষ্টা করছে। তার মতে, সৌদিকে যতটা একা মনে হচ্ছে, বাস্তবে ততটা একা নয়। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, “হুতিদের কর্মকাণ্ডের জবাব কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন দেশ একজোট হচ্ছে।”

ওবেইদ বলেন, ধাপে ধাপে হুতিদের জবাব দেওয়া হবে। স্থল, সমুদ্র ও আকাশ–তিন দিক থেকেই অভিযান চালানো হতে পারে। তিনি আরও বলেন, কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে সৌদি আরবে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানো এবং লোহিত সাগরে যুদ্ধবিমান মোতায়েন শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে তুরস্ককে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। মিশরও সীমিত পরিসরে এই অভিযানে অংশ নিতে পারে বলে জানান তিনি।

আল জাজিরা জানিয়েছে, ওবেইদের এসব দাবি তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি বলেন, সৌদি আরব এখন কিছুটা আটকে পড়েছে। তারা অনেক মিত্র দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এসব দেশ রসদ, গোয়েন্দা তথ্য ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। তবে পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশই সরাসরি সামরিক অভিযানে জড়াতে চাইছে বলে মনে হচ্ছে না।

মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা: সৌদি আরব কী খেলা খেলছে, হুতিরা কী বলছে?houthi mecca

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কি কার্যকর হয়েছে?

গত ৩১ আগস্ট সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোটের নাম দেয় মক্কা প্রতিরক্ষা জোট। ইস্তাম্বুলে বৈঠকের পর তিন দেশের কর্মকর্তারা রিয়াদে জোটের একটি অফিস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। শুরুতে এই সচিবালয়ে মহাসচিবের দায়িত্বে থাকবেন পাকিস্তানের একজন।

এই জোটের মূল নীতি হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ন্যাটোর যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেও একই ধরনের নীতি রয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিদান তখন বলেছিলেন, অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান এবং কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর এই জোট গড়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেছিলেন, চাইলে অন্য দেশও এই জোটে যোগ দিতে পারবে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আলফিরাজ শিয়ার্স বলেন, এখনই এই চুক্তি কার্যকর হয়েছে বলে মনে করা ঠিক হবে না। চুক্তিটি কার্যকর করার মতো প্রয়োজনীয় কাঠামো এখনো তৈরি হয়নি। এখনো কোনো কৌশলগত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি, কোন পরিস্থিতিতে চুক্তি কার্যকর হবে তা নির্ধারণ করা হয়নি এবং কীভাবে এটি কার্যকর করা হবে, সেই প্রক্রিয়াও ঠিক করা হয়নি। তাই এই পর্যায়ে এটি কার্যকর সামরিক জোটের চেয়ে রাজনৈতিক ঘোষণা হিসেবেই বেশি দেখা হচ্ছে।

পাকিস্তান কী বলেছে?

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখার মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বৃহস্পতিবার সৌদি সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে বলেন, পাকিস্তান কূটনৈতিক ও সরাসরি–দুইভাবেই সৌদি আরবের পাশে রয়েছে।

আহমেদ শরিফ বলেন, তিনি বিশেষভাবে ‘সরাসরি’ পাশে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করতে চান। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তান যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

তবে গত সপ্তাহে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সৌদি আরবে হুতিদের হামলার পর মক্কা চুক্তির আওতায় সামরিক জবাব দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

অবশ্য পাকিস্তান এই চুক্তির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতিও জানিয়েছে। পাকিস্তান বলেছে, ‘সময় এলে’ তারা ব্যবস্থা নেবে। তবে কোন পরিস্থিতিতে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা তারা স্পষ্ট করেনি।

চলতি মাসের শুরুতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছিলেন, সৌদি আরবের ওপর যেকোনো হামলা হলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কার্যকর হতে পারে। ৮ সেপ্টেম্বর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পাকিস্তান বাধ্য এবং প্রয়োজন হলে তারা সেই শর্ত মেনে চলবে।

মক্কা চুক্তি উন্মুক্ত করে দিল হুতিরাturkey pakistan pact

সৌদি-হুতি সংঘাতের সর্বশেষ পরিস্থিতি

ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সেনারা জানায়, শনিবার দক্ষিণ মারিবের আল-ফুলিয়াহান এলাকায় হুতিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা তারা ব্যর্থ করে দিয়েছে। এ সময় ১২ জন হুতি যোদ্ধা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোখা দখলের পর হুতিরা এখন তেলসমৃদ্ধ মারিব প্রদেশের দিকে এগোচ্ছে। এই এলাকা এখনো সৌদি-সমর্থিত সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

হুতিরা সামরিকভাবে অগ্রসর হওয়ার পর আজ সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ওয়াশিংটন সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। হুতিদের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আলোচনা করেছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানের এই সংঘাত ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর হুতি ও সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের বেশ কিছু এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশের এলাকাও রয়েছে।

এদিকে হুতিরা সৌদি আরবের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলাও বাড়িয়েছে। এসব হামলায় দেশটির বিভিন্ন শহর ও জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে।

বিষয়: সৌদি আরবসহায়তাচুক্তিহামলাহুতিসামরিক বাহিনী
সর্বশেষ
  • ১

    হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু; মৃত বেড়ে ১০৬৩

  • ২

    চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সংঘাতে কেন নমনীয় ট্রাম্প?

  • ৩

    বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

  • ৪

    পারমাণবিক সক্ষমতায় আরও এগিয়েছে উ.কোরিয়া

  • ৫

    ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন

সম্পর্কিত
  • চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সংঘাতে কেন নমনীয় ট্রাম্প?

    চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সংঘাতে কেন নমনীয় ট্রাম্প?

    হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের চায়না সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান জন মুলেনারের মতো রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা আগামী সপ্তাহের বৈঠকের আগে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।

  • ‎ফের বাড়ল তেলের দাম, চাপে সাধারণ মানুষ

    ‎ফের বাড়ল তেলের দাম, চাপে সাধারণ মানুষ

    দেশে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছিল ২০২২ সালের আগস্টে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ওই বছর ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। পরে সমালোচনার মুখে ৫ টাকা কমানো হয়। এরপর থেকে জ্বালানি তেলের দাম নানা কারণে ঊর্ধ্বমুখী।

  • মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা

    মক্কা চুক্তির প্রথম পরীক্ষা

    ইয়েমেন সংকট বর্তমানে দেশটির সীমানা ছাড়িয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। হুতিদের আগ্রাসনের জবাবে সৌদি আরব পাঁচ দিনে প্রায় তিন শ বিমান হামলা চালিয়েছে এবং নিজ ভৌগোলিক ভূখণ্ডে যেকোনো আঘাতের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

  • চিরনিদ্রায় অপ্রতিম: অনেক প্রশ্নের জবাব মেলেনি

    চিরনিদ্রায় অপ্রতিম: অনেক প্রশ্নের জবাব মেলেনি

    শুক্রবার রাতটি ছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও মোবাইল ফোন যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী ইয়েসটেকের স্বত্বাধিকারী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের দম্পতির জন্য আকুতির, উৎকণ্ঠার। শনিবার সকালের পর যতই বেলা বাড়ছিল, তা হয়ে উঠল ওদের জন্য বিবর্ণ। দুপুরের দিকে তা রূপ নিল আর্তন