Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বিসিবিতে ফোন তল্লাশি, সতর্কতা নাকি আতঙ্ক?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ১৪
বিসিবিতে ফোন তল্লাশি, সতর্কতা নাকি আতঙ্ক?
বিসিবিতে চলছে ফোন তল্লাশি। ছবি : এআই প্রযুক্তি

তিন বছরের মধ্যে মোট চারটি বোর্ডের অধীনে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অসংখ্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর। কিন্তু অতীতে যা হয়নি কখনোই, সাম্প্রতিক সময়ে সেটারই সাক্ষী হতে হচ্ছে তাদের। বিনা নোটিশে বিসিবির পক্ষ থেকে কর্মীদের ফোন তল্লাশি করা হচ্ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে জব্দও করা হচ্ছে। কেন নিজেদেরই কর্মীদের বিরুদ্ধে হঠাৎ বিসিবির এই চিরুনি অভিযান, তা নিয়ে সর্বমহলেই জেগেছে প্রশ্ন। একই সময়ে পুরো বোর্ডে ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্ আতঙ্ক।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এখানে বড় প্রশ্ন হলো, বিসিবি কেন হঠাৎ এমন একটা কাজ করতে গেল? আইন অনুযায়ী এমন কিছু করার অধিকার কি তাদের আছে? একটি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের নিয়ম-কানুন মেনে কর্মীদের ফোন তল্লাশি করতেই পারে। এক্ষেত্রে বিসিবির নীতিমালা কি বলছে?

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে চরচা জেনেছে, বিসিবির নীতিমালায় এভাবে কর্মীদের ফোন তল্লাশি বা জব্দ করার আইন নেই। হয়ত এই কারণেই ফোন জব্দ করে চার-পাঁচদিন রেখে দেওয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়েও শঙ্কা বোধ করছেন অনেকেই।

এত বছরে যা করা হয়নি, তেমন একটা বিতর্কিত পদক্ষেপ কেন এখন এসে নিল বিসিবি? নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মচারী চরচাকে বলেছেন সম্ভাব্য কারণ, “আমরাও তো কিছু খোঁজ-খবর রাখি। এই ফোন তল্লাশির কারণ একটাই, বিসিবির বড় স্যারদের অনেকেই মনে করেন, এই বোর্ডের অনেকেই আগের বোর্ডের পরিচালকদের তথ্য পাচার করে দিচ্ছেন। কারা করছেন, সেটা তারাও জানেন না। শুধুমাত্র শোনা কথায় কান দিয়ে তারা নিজেদের কর্মীদের যে হয়রানি করছে, এটার ফলাফল ভালো না-ও হতে পারে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ছবি : বিসিবি
ছবি : বিসিবি

বিসিবি নিজেদের কর্মীদের কাছে কিংবা সংবাদমাধ্যমে এখনো এই ফোন তল্লাশি বা জব্দের সুস্পষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেনি। ফলে একদিকে বাতাসে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ছে, অন্যদিকে ক্রমশ নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন ভুক্তভোগীরা। কেন এভাবে ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, এটার কারণ জানতে চান সবাই।

এই ফোন জব্দের তালিকায় আছেন বিসিবির টেন্ডার বিভাগের কাজের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তার ফোনে কিছু ছবি থাকায় তাকে সন্দেহের মধ্যে ফেলেছে বিসিবি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সম্প্রতি হয়ে যাওয়া একটি টেন্ডারের কিছু ছবি তুলে রেখেছিলেন কাজের সুবিধার জন্য। আর সেটাই কাল হয়েছে তার জন্য।

কেন ফোনে ছবি রেখেছিলেন, সেই প্রশ্নে চরচাকে তিনি বলেন, “এই যুগে এসে কেউই কিন্তু কাগজপত্র নিয়ে ঘুরে না। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনও আমরা ছবি তুলে দেখাই। কয়েকটি ছবি আমি তুলে রেখেছিলাম অনুমতি নিয়েই। তবুও আমাকে জেরা করা হয়েছে, ফোনও নিয়ে গেছে। আমি জানি না ভুলটা কোথায় হয়েছে।”

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য চরচা যোগাযোগ করেছিল বিসিবির নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদের সঙ্গে। তবে কয়েক দফার চেষ্টাতেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে এই ফোন তল্লাশির একটা ব্যাখ্যা অবশ্য দিয়েছেন কাজী শামীম, যা পুরো প্রক্রিয়াকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি দাবি করেছেন, এটা তাদের রুটিন কার্যক্রমের অংশ এবং এখানে আগে থেকে ঘোষণা দেওয়ার কিছু নেই। সঙ্গে এ-ও বলেছেন, সরকারি সব জায়গায় এই চর্চা রয়েছে।

তবে বিসিবির ইতিহাসেই যেহেতু এমন কিছু অতীতে হয়নি, তাই এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘নিয়মিত কার্যক্রম’ বললে সেটার গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই কমে যেতে পারে।

২০১০ সাল থেকে বিসিবিতে কর্মরত একজন কর্মী তামিমের বোর্ডের এমন আচরণে বিস্মিত, “আমাদের বিভাগেও কয়েকজনের ফোন নিয়ে গেছে। এতগুলো বোর্ডে কাজ করলাম, ৫ আগস্টের পর দেশে এতকিছু হয়ে গেল, তখনও কিন্তু এমন কিছু দেখেন নাই আপনারা। আমাদের নাগরিক অধিকার বলেও তো একটা কথা আছে?”

বিসিবি নিজেই যেহেতু ধোঁয়াশা তৈরি করে রেখেছে, তাই ফোন তল্লাশির মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে আপাতত উপসংহারে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

বিষয়: বিসিবিবাংলাদেশ ক্রিকেটবাংলাদেশের খেলাক্রিকেট
সর্বশেষ
  • ১

    ইউক্রেন ছাড়লেন ট্রাম্পের দূত, যুদ্ধ বন্ধের খবর নেই

  • ২

    ১১ দলের লংমার্চ: কী ভাবনা সরকারের

  • ৩

    সুব্রত বাইনের সহযোগী দীপু ও সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ আদালতের

  • ৪

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

  • ৫

    বিসিবিতে ফোন তল্লাশি, সতর্কতা নাকি আতঙ্ক?

সম্পর্কিত
  • ১১ দলের লংমার্চ: কী ভাবনা সরকারের

    ১১ দলের লংমার্চ: কী ভাবনা সরকারের

    বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চকে তাৎক্ষণিক সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে দেখছে না বিএনপি সরকার। তবে কর্মসূচিটিকে গুরুত্বহীনও মনে করছে না তারা। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের বক্তব্যে বরং লংমার্চকে রাজনৈতিক চাপ তৈরির একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার প্রবণতা স্পষ্ট। ল

  • ‘নিরাপদ’ সবজিতেও কি ন্যায্য দাম মিলছে?

    ‘নিরাপদ’ সবজিতেও কি ন্যায্য দাম মিলছে?

    নীল রঙের নেটের বেড়া দিয়ে ঘেরা মাঠ, যাতে অবাঞ্ছিত পোকামাকড় ঢুকতে না পারে। ভেতরে বাঁশের কাঠামোয় লতানো সবুজ লতা, আর সেখান থেকে ঝুলছে তাজা করলার থোকা।

  • বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

    বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

    একসময় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাত হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প এখন গভীর সংকটে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খাতকে গতিশীল করতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। তবে চিংড়ি রপ্তানিকারক ও প্রক্রিয়াকারকরা আশঙ্কা করছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, উচ্চ সুদের হার এবং কঠোর শর্তের কারণে এই উদ্য

  • ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    নেদারল্যান্ডস এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় থাকা তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ থেকে কয়েক শ কোটি ডলার মূল্যের স্বর্ণ সরিয়ে নিয়েছে। নেদারল্যান্ডসের এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ডাচরা এমন সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে? সামনের দিনগুলোতে কি কোনো বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা আসবে?