
বিরূপ মন্তব্যের জন্য ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিসিবি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নাজমুলের কাছে চাওয়া হয়েছে মন্তব্যের ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক পরিচালকের মন্তব্য ক্ষুব্ধ করে তুলেছে ক্রিকেটারদের। এম নাজমুল ইসলাম নামের সেই পরিচালকের পদত্যাগও দাবি করেছেন ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। নাজমুল পদত্যাগ না করলে বিপিএলসহ সব ধরনের ক্রিকেট বর্জনের হুমকি দিয়েছে তারা।

আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে ভারতে না যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের ‘অনড়’ অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি।

বাংলাদেশ আইসিসিকে আবারও জানিয়ে দিয়েছে ভারতে না যাওয়ার কথা। আইসিসির অনুরোধ সত্ত্বেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনড়। ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচগুলো কলকাতা ও মুম্বাই থেকে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করার অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

আইসিসির অনুরোধ রাখতে পারছে না বিসিবি। বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আইসিসির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ভারতে না যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের অনড় অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কাল বাফুফে ভবনে আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দলের একটি চিঠির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাওয়ার কোনো পরিবেশ নেই বাংলাদেশের জন্য। তিনি নির্দিষ্ট করেই বলেছেন, আইসিসির নিরাপত্তা বিশ্লেষক দল মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলেছ

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই বললেন এই কথা। আইসিসির নিরাপত্তা দলের পাঠানো চিঠিতে হতবাক বাংলাদেশ। তার সাফ কথা, ভারতে খেলার পরিবেশ নেই, এটা আর কীভাবে প্রমাণ করতে হবে? বাফুফে ভবন পরিদর্শনে গিয়ে প্রধানত তাকে ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে হলো।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আইসিসি নাকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু স্থানান্তরের অনুরোধ অগ্রাহ্যই করতে যাচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বিসিবি।

বিশ্বকাপে নিজেদের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই আবেদন নাকি অগ্রাহ্যই হতে চলেছে।

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতার পুত্র হিসেবেই ক্রিকেট প্রশাসনে এসেছেন জয় শাহ। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব হিসেবে কাজ করে তিনি আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। মোস্তাফিজ-ইস্যুতে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যেতে অনড় বাংলাদেশ। এটি এখন বাংলাদেশের জাতীয় মর্যাদার বিষয়। জয় শাহ এখন কী সিদ্ধান্ত নেবেন?

মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। কলকাতা ও মুম্বাই থেকে চারটি ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে আইসিসির কাছে আবেদন জানিয়েছে বিসিবি। আইসিসি কি শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের কথা শুনবে? যদি না শোনে, তবে বাংলাদেশ কি বিশ্বকাপ বয়কট করতে যাচ্ছে?

আইপিএল থেকে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পর ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে অনড় বিসিবি। এমনকি সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে আসছে আইপিএলের টেলিভিশন সম্প্রচার বন্ধেরও নির্দেশ জারি করেছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে আইসিসির অবস্থান নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বোর্ড তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে।

আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কিছু জানায়নি। তবে ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটি থেকে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বিসিবির যে আবেদন, সেটিতে না করে দিয়েছে আইসিসি।

আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কিছু জানায়নি। তবে ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে ভারতের মাটি থেকে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বিসিবির যে আবেদন, সেটিতে না করে দিয়েছে আইসিসি।

সবচেয়ে বড় কথা, মোস্তাফিজকে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটিতে ‘অপরিপক্কতা’র ছাপ সুস্পষ্ট। ব্যাপারটি অনেকটাই পাড়ার ক্রিকেটে কোনো ঝগড়ার জের ধরে কাউকে খেলায় না নেওয়া মতো।

সবচেয়ে বড় কথা, মোস্তাফিজকে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটিতে ‘অপরিপক্কতা’র ছাপ সুস্পষ্ট। ব্যাপারটি অনেকটাই পাড়ার ক্রিকেটে কোনো ঝগড়ার জের ধরে কাউকে খেলায় না নেওয়া মতো।

দুই দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার পক্ষে মত দিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, “তো আমরা যেটা আশা করি যে দুই পক্ষ-প্রধানত ওখান থেকে যেখান থেকে এটা শুরু হয়েছে সেখানে শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং আমরা খেলা চালিয়ে যেতে পারব। আমাদের অর্থনৈতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারব।”

দুই দেশের সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার পক্ষে মত দিয়ে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, “তো আমরা যেটা আশা করি যে দুই পক্ষ-প্রধানত ওখান থেকে যেখান থেকে এটা শুরু হয়েছে সেখানে শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং আমরা খেলা চালিয়ে যেতে পারব। আমাদের অর্থনৈতিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারব।”