Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> বিশ্লেষণ

বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ০৫
বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?
বাংলাদেশের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প এখন গভীর সংকটে। ছবি: ইউএনবি

একসময় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি খাত হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের হিমায়িত চিংড়ি শিল্প এখন গভীর সংকটে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খাতকে গতিশীল করতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ঘোষণা করেছে। তবে চিংড়ি রপ্তানিকারক ও প্রক্রিয়াকারকরা আশঙ্কা করছেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, উচ্চ সুদের হার এবং কঠোর শর্তের কারণে এই উদ্যোগও আগের মতোই ব্যর্থ হতে পারে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দশক আগে যে হিমায়িত চিংড়ি রপ্তানি বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, এখন তা বছরে ৩০ কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) অধীনে নিবন্ধিত কারখানার অর্ধেকেরও বেশি ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ সংকট ও কাঁচামালের অভাবই এর প্রধান কারণ।

গ্যাস সংকটে কি থমকে যাচ্ছে অর্থনীতি? fazlee rabbi

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি ৪০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। পরের বছর তা ২৫ কোটি ডলারের নিচে নেমে যায়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সামান্য বেড়ে প্রায় ৩০ কোটি ডলারে পৌঁছালেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আবার কমে মাত্র সাড়ে ২৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে তিন বছর মেয়াদি এক বিশেষ তহবিল ঘোষণা করে। নতুন হিমায়িত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালু করা এবং সংকটে থাকা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণের জন্য এই ঋণ দেওয়া হবে।

তবে বিএফএফইএ সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ‘‘অতীতে এ ধরনের তহবিল খুব কমই প্রকৃত ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছেছে। তফসিলি ব্যাংক থেকে এসব তহবিলের ঋণ পাওয়া বেশ কঠিন। অনেক সময় অপ্রকৃত ব্যক্তিরা নানাভাবে ৭ শতাংশ সুদের সুবিধা নিয়ে নেন, আর প্রকৃত চিংড়ি রপ্তানিকারকদের ১৪-১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হয়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর না করে এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীদের এই সুবিধার আওতায় না আনলে এ ধরনের তহবিল কোনো কাজে আসবে না।”

রপ্তানিকারকরা ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চলা ২৪ কোটি ডলারের বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্টের উদাহরণ টানছেন। বিশ্বব্যাংক প্রকল্পটিকে সন্তোষজনক বলে মূল্যায়ন করলেও উপকূলীয় চিংড়ি চাষিরা বলছেন, অর্থের সঠিক ব্যবহার হয়নি। শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “এই প্রকল্পে কয়েকটি ভবন আর কয়েকটি চিংড়ি ব্লক তৈরি হয়েছে। এর বেশি কিছু হয়নি। ভবন আর ব্লক দিয়ে উৎপাদন বাড়ে না।”

নতুন তহবিল নিয়েও অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। সার্কুলার অনুযায়ী নতুন কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত সাত বছর মেয়াদি ঋণ পাওয়া যাবে। অথচ কাঁচামালের অভাবে বিদ্যমান কারখানাগুলোই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে হেক্টরপ্রতি চিংড়ি উৎপাদন মাত্র ৪০০ কেজি, যেখানে ভারত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে তা ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার কেজি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন কারখানায় ঋণ দেওয়ার আগে বন্ধ হওয়ার পথে থাকা কারখানাগুলোকে বাঁচানোর দিকে নজর দেওয়া উচিত।

বিনা সুদে কৃষিঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা নেই: অর্থমন্ত্রীamir khosru

বিএফএফইএ সিনিয়র সহসভাপতি তারেকুল ইসলাম জহির সতর্ক করে বলেন, “নতুন কারখানা স্থাপনের নামে ৩০ কোটি টাকা ঋণ দিলে অনেকেই টাকা আত্মসাৎ করতে পারে। এখানে চালু কারখানাগুলো যাতে চালু থাকে এবং বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো যাতে আবার চালু হয়, সেদিকেই মনোযোগ দেওয়া উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ এখনও ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ করে। ভ্যানামেই চিংড়ি রপ্তানি করতে না পারায় লাভজনকতা কমছে। ইউরোপীয় ক্রেতারা ভারত ও ভিয়েতনাম থেকে ভ্যানামেই কিনে একই দামে আমাদের ঐতিহ্যবাহী চিংড়ি কিনতে চায়। কেজিপ্রতি ৫ ডলারে চিংড়ি বিক্রি করে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে লাভ করা সম্ভব নয়।”

নতুন তহবিলের একটি শর্ত হলো—ঋণগ্রহীতাদের দুই বছরের মধ্যে মোট বিদ্যুতের অন্তত ১৫ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে আর কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তহবিল পাওয়া যাবে না। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অতিরিক্ত ৫ কোটি টাকা ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও শহরভিত্তিক অনেক কারখানা মালিক বলছেন, তাদের কাছে সৌর প্যানেল বসানোর জায়গা নেই।

চিংড়ি ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুধু তহবিল ঘোষণা করলেই হবে না। টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে প্রকৃত উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে বাধ্য করতে হবে এবং পুরো চিংড়ি খাত পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে। না হলে এই তহবিলও আগের মতোই ব্যর্থ হবে এবং হিমায়িত মাছ শিল্প আরও গভীর সংকটে ডুবে যাবে।

বিষয়: চিংড়িরপ্তানিডলার
সর্বশেষ
  • ১

    র‍্যাব থেকে এসআরবি: নতুন খোলসে একই জবাবদিহিহীনতার আশঙ্কা টিআইবির

  • ২

    ‎জরুরি কেনাকাটা ও বিল পরিশোধে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ দেবে ব্যাংক

  • ৩

    বিশেষ তহবিলে কি বাড়বে চিংড়ি রপ্তানি?

  • ৪

    বিদেশ ভ্রমণে খরচের সীমা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • ৫

    বিপুল মার্কিন বন্ড বিক্রির সিদ্ধান্ত নরওয়ের, দুশ্চিন্তায় ওয়াশিংটন

সম্পর্কিত
  • ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    ইউরোপের দেশগুলো কেন আমেরিকা থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে?

    নেদারল্যান্ডস এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় থাকা তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ থেকে কয়েক শ কোটি ডলার মূল্যের স্বর্ণ সরিয়ে নিয়েছে। নেদারল্যান্ডসের এই পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ডাচরা এমন সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছে? সামনের দিনগুলোতে কি কোনো বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা আসবে?

  • নারীর উপার্জন কি পরিবারে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    নারীর উপার্জন কি পরিবারে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে?

    এক দশক আগেও সৌদি আরবে নারীদের কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজ ছাড়া অন্য কোনো চাকরি করার অনুমতি ছিল না। এরপর সৌদি আরবের ডি ফ্যাক্টো শাসক, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বেশিরভাগ বিধিনিষেধের অবসান ঘটান, তিনি সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতিও দেন।

  • নীতিমালা করে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হবে?

    নীতিমালা করে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হবে?

    রাজধানীর সড়কে এখন অন্যতম ‘সংকট’ ব্যাটারিচালিতঅটোরিকশা। রিকশাচালক, পথচারী ও গাড়ির চালকদের বচসা থেকে হাতাহাতি নিত্য চিত্র। এ চিত্র ঢাকার বাইরেও দেখা যায় প্রতিনিয়ত। আর দুর্ঘটনা তো লেগেই আছে। অটোরিকশা চালু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সরকার বিভিন্ন সময়ে এর নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা, লাইসেন্সের আওতায় আনতে

  • সরকার বলছে সারের মজুত আছে, আর কৃষক পাচ্ছে না, সংকট কোথায়

    সরকার বলছে সারের মজুত আছে, আর কৃষক পাচ্ছে না, সংকট কোথায়

    আমন ধান রোপণ প্রায় শেষ, কিন্তু রাজবাড়ীর কৃষকের স্বস্তি নেই। রোপণের সময় টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের জন্য গুনতে হয়েছে অতিরিক্ত দাম। দুশ্চিন্তা ছিল প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্যতা নিয়ে। রোপণের পর সেই দুশ্চিন্তা দখল করেছে ইউরিয়া সারের সরবরাহ ঘিরে। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য