দীর্ঘদিন পর ক্ষমতায় ফিরে সরকার গঠনের সময় বিএনপি আকারে ছোট, দক্ষ ও গতিশীল প্রশাসনের কথা বলেছিল। কিন্তু সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভা আরও বড় হয়েছে। শুধু মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারাও। কোথাও একজন মন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক প্রতিমন্ত্রী, কোথাও আবার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি রয়েছেন উপদেষ্টা। এর বাইরে আছেন বিশেষ সহকারী ও সহকারী পদমর্যাদার আরও কয়েকজন।
ফলে সরকারের সামনে এখন শুধু মন্ত্রিসভার আকারের প্রশ্ন নয়, দায়িত্ব বণ্টন ও সমন্বয়ের একটি জটিল সমীকরণও তৈরি হয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তি দায়িত্ব পালন করলে সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত কর্তৃত্ব কার হাতে থাকবে, মন্ত্রী ও উপদেষ্টার মধ্যে মতপার্থক্য হলে তা কীভাবে মিটবে, আর একজন মন্ত্রীর হাতে একাধিক বড় মন্ত্রণালয় থাকলে সেসব মন্ত্রণালয়ের কাজ কতটা কার্যকরভাবে তদারক করা সম্ভব- এসব প্রশ্নই সামনে আসছে।
রাজনীতি ও জনপ্রশাসন বিশ্লেষকেরা বলছেন, মন্ত্রিসভার আকার বড় হওয়া কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা তৈরি হতে পারে তখনই, যখন দায়িত্বের সীমানা স্পষ্ট থাকে না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নির্ধারিত হয় না এবং একই বিষয়ে একাধিক রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ সক্রিয় থাকেন।
একই মন্ত্রণালয়ে একাধিক কর্তৃত্ব
গত ২২ আগস্ট মন্ত্রিসভার রদবদল এবং নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার পর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়িয়েছে ৫১ জনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রী ২৬ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন।
এর বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রয়েছেন ১০ জন। তাদের কেউ নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে, কেউ একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিশেষ খাতের সঙ্গে যুক্ত। আবার প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী রয়েছেন অন্তত সাতজন।
এই কাঠামোর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে একই মন্ত্রণালয়ে একাধিক রাজনৈতিক দায়িত্বশীল ব্যক্তির থাকাকে ঘিরে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে রয়েছেন একজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পাশাপাশি আছেন দুজন প্রতিমন্ত্রী। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়েও মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন একজন উপদেষ্টা।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের কেউ কেউ আবার একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান কৃষি এবং রুহুল কবির রিজভী শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অর্থ ও পরিকল্পনা এবং ইসমাইল জবিউল্লাহ জনপ্রশাসনের দায়িত্বে রয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় থাকা উপদেষ্টা মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। এ ছাড়া উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।
প্রশ্ন উঠছে, মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বে একাধিক ব্যক্তি থাকলেও তাদের কাজের সুনির্দিষ্ট বিভাজন কী? মন্ত্রী নীতিনির্ধারণ করবেন, প্রতিমন্ত্রী বাস্তবায়ন তদারক করবেন, নাকি দুজনই একই ধরনের সিদ্ধান্তে যুক্ত থাকবেন? উপদেষ্টা পরামর্শ দেবেন, নাকি সরাসরি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণেও ভূমিকা রাখবেন?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর স্পষ্ট না হলে দায়িত্ব ভাগাভাগি কাজের গতি বাড়ানোর বদলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্তর বাড়াতে পারে।
বড় মন্ত্রণালয় একজনের হাতে, ছোট মন্ত্রণালয়ে একাধিক নেতৃত্ব
মন্ত্রিসভার কাঠামোতে আরেকটি বৈপরীত্যও চোখে পড়ে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন একজন করে মন্ত্রী। সেখানে কোনো প্রতিমন্ত্রী বা উপদেষ্টা নেই।
অন্যদিকে সড়ক পরিবহন, নৌপরিবহন ও রেলপথের মতো গুরুত্বপূর্ণ তিনটি খাতের দায়িত্বে রয়েছেন একজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী। এসব মন্ত্রণালয়ে আবার কোনো উপদেষ্টা রাখা হয়নি।
অর্থাৎ, কোথাও দায়িত্বের পরিধি অনেক বড় হলেও রাজনৈতিক নেতৃত্ব একজনের হাতে কেন্দ্রীভূত। আবার কোথাও দায়িত্ব ভাগ হয়েছে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে। এই বণ্টনের পেছনে কাজের প্রয়োজন, রাজনৈতিক ভারসাম্য, নাকি সাংগঠনিক ও জোটগত বিবেচনা–তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, মন্ত্রণালয়ের আকার, কাজের ব্যাপ্তি ও সংকটের ধরন অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন হওয়া স্বাভাবিক। তবে একই কাঠামো সব মন্ত্রণালয়ে প্রয়োগ করা হলে বা রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়িত্ব ভাগ হলে প্রশাসনিক সমন্বয় জটিল হতে পারে।
সাবেক আমলা ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া চরচাকে বলেন, “একটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী থাকার পর আবার উপদেষ্টা বা বিশেষ সহকারী কতখানি প্রয়োজন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।”
এই বিশেষজ্ঞ বলেন, “রাজনৈতিক কারণে অনেক সময় অনেককে দায়িত্ব দিতে হয়। তবে একজন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি দায়িত্বে থাকলে সমন্বয়ের সংকট কম হয় এবং সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া সম্ভব হয়।”
তার মতে, বড় মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রীর পাশাপাশি একজন প্রতিমন্ত্রী থাকলে কাজের গতি বাড়তে পারে। কিন্তু ছোট মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা–এভাবে একাধিক রাজনৈতিক স্তর তৈরি হলে তা উল্টো জটিলতা বাড়াতে পারে।
সমস্যা হলে দায় নেবে কে?
মন্ত্রিসভার এই কাঠামোয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো–জবাবদিহি। কোনো মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে সংসদে বা জনসমক্ষে তার দায় নেবেন কে? মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, নাকি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা?
সংসদীয় ব্যবস্থায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব মূলত মন্ত্রীর ওপরই থাকে। তাকেই সংসদে জবাবদিহি করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে কোনো উপদেষ্টা যদি নীতিনির্ধারণ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, তখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষ করে একই বিষয়ে মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বক্তব্য ভিন্ন হলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা কার নির্দেশ অনুসরণ করবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সচিবালয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একাধিক রাজনৈতিক কেন্দ্র থাকলে কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হতে পারে। আবার কোনো সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হলে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হতে পারে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই কাঠামোকে ‘জিগস পাজল’ বা জটিল সমন্বয়জনিত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। চরচাকে তিনি বলেন, “একই মন্ত্রণালয়ে যখন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা থাকেন, তখন সমন্বয়হীনতা তৈরি হওয়ার কিংবা জটিলতা আরও বাড়ার ঝুঁকি থাকে।”
তার মতে, “সরকারের কাঠামোকে যদি একটি চিত্র হিসেবে ভাবা হয়, তাহলে এটি একটি জিগস পাজলের মতো। এই কাঠামো ব্যবস্থাপনা করা সরকারের জন্য নানামুখী চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।”
সংকটে থাকা মন্ত্রণালয়ে কি পরিবর্তন জরুরি?
বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এসব খাতে সরকারের কাজের গতি, সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা এবং সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এই সময়ে মন্ত্রিসভায় রদবদল হলেও যেসব মন্ত্রণালয়ের কাজ নিয়ে জনপরিসরে বেশি প্রশ্ন উঠেছিল, সেগুলোর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। বরং কিছু মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে, যেগুলো নিয়ে তুলনামূলকভাবে কম সমালোচনা ছিল।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ কি মূলত প্রশাসনিক প্রয়োজনেই হয়েছে, নাকি এর পেছনে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, দলীয় ভারসাম্য ও জোট ব্যবস্থাপনার বিষয়ও রয়েছে?
তবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান মনে করেন, বর্তমান মন্ত্রিসভার আকারকে খুব বড় বলা যায় না। তার মতে, দীর্ঘদিন পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। আগের মন্ত্রিসভায় যারা ছিলেন, তাদের অনেকেই অভিজ্ঞ ছিলেন। এখন নতুন দায়িত্বে আসা অনেকের কাজ ভাগাভাগি করে করার প্রয়োজন রয়েছে।
চরচাকে তিনি বলেন, “কাজ ভাগাভাগি করে করার জন্য মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো হলে সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখার কারণ নেই। বরং সঠিকভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা গেলে এতে কাজের গতি বাড়তে পারে।”
যা বলছে সরকার
মন্ত্রিসভার আকার ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও সরকার বিষয়টিকে সমন্বয়-সংকট হিসেবে দেখছে না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী চরচাকে বলেন, প্রশাসনের কাজের গতিশীলতা বাড়াতেই মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানো হয়েছে। চরচাকে তিনি বলেন, “মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টারা দায়িত্বে থাকতেই পারেন। এটি অসাংবিধানিক নয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আগে থেকেই যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় যুক্ত করা হয়েছে। সরকারের কাজকে আরও সচল ও গতিশীল করার প্রয়োজনেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
সরকার তরফের এই ব্যাখ্যার বিপরীতে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য হলো, একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তির একটি বিষয়ে দায়িত্বে থাকা সাংবিধানিকভাবে সম্ভব হলেও সেটি কার্যকর করতে হলে দায়িত্বের সীমানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
সামনে যে তিন চ্যালেঞ্জ
মন্ত্রিসভার বর্তমান কাঠামো কার্যকর করতে সরকারকে অন্তত তিনটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
প্রথমত, দায়িত্বের স্পষ্ট বিভাজন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টার কাজের সীমা নির্ধারিত না হলে একই বিষয়ে একাধিক নির্দেশ আসতে পারে।
দ্বিতীয়ত, সিদ্ধান্ত গ্রহণের একক কর্তৃত্ব। মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব কার–এটি স্পষ্ট না হলে প্রশাসনে ধীরগতি ও দ্বিধা তৈরি হতে পারে।
তৃতীয়ত, জবাবদিহির কাঠামো। কোনো সিদ্ধান্তের সাফল্য বা ব্যর্থতার দায় কে নেবেন, তা নির্ধারিত না থাকলে রাজনৈতিক দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার বড় হওয়া সাফল্য বা ব্যর্থতার মাপকাঠি নয়। বড় মন্ত্রিসভা কাজের গতি বাড়াতেও পারে, আবার দায়িত্বের স্তর বাড়িয়ে জটিলতাও তৈরি করতে পারে। নির্ভর করবে দায়িত্ব বণ্টন কতটা যুক্তিসংগত, সিদ্ধান্ত গ্রহণ কতটা সমন্বিত এবং জবাবদিহি কতটা স্পষ্ট- তার ওপর।
বিএনপি সরকারের জন্য এখন বড় প্রশ্ন শুধু কতজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপদেষ্টা আছেন, তা নয়। বরং প্রশ্ন হলো, এতজন দায়িত্বশীল রাজনীতিককে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নানা স্তরে রেখে সরকার কতটা কার্যকরভাবে একটি অভিন্ন সিদ্ধান্ত কাঠামোর মধ্যে কাজ করাতে পারে।