
বহিরাগতদের নিয়ে র্যালি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

দুই বছর আগে জুলাইয়ের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও রাজপথে একই মিছিলে দেখা গিয়েছিল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীদের। এখন তারাই সংঘাতে জড়িয়েছে। কেন?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেছেন, ‘‘আপনার পতনের জন্য এই যুবদল ছাত্রদলই কিন্তু যথেষ্ট হবে। তাদের লাগাম ধরেন, যদি এখনো লাগাম ধরতে না পারেন, তাহলে সময়ের অপেক্ষা করেন।“ আজ মঙ্গলবার রাতে ছাত্রশিবিরের পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রদল, শিবির ও ছাত্র শক্তি। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের আগমন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান ঘিরে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

রাজধানীর পৃথক চারটি স্থানে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ছাত্রদলের এক নেতাসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজে সংঘর্ষের পর রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পর ঢাকা কলেজে ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা কলেজের গ্যালারি নম্বর ২ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে সায়েন্সল্যাবসহ আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিতদের ছবিসংবলিত একটি ব্যানার নিয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটেছে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

হবিগঞ্জের ঘটনাকে ছাত্রশিবিরের সদ্যসাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ‘গুড প্ল্যান’ বলে অভিহিত করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের সাম্প্রতিক এ আলোচিত ঘটনাকে এনসিপির আলোচনায় আসার পরিকল্পনা হিসেবে তিনি দেখেছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও দুই দলের আলাদা প্রার্থীর কথা শোনা যাচ্ছে।

উপ-রেজিস্ট্রারের দাড়ি ধরে টানাটানি, ৬ ডিনকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানো, বেলচা হাতে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ঢোকার চেষ্টা, পাঠকক্ষে ঢুকে শিক্ষার্থীকে মারধর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনবরত হুমকি-ধমকি—এসবই করছেন এক ছাত্রনেতা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জেরবার, কিন্তু রহস্যজনকভাবে নিশ্চুপ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে দফায় দফায় মারধরের ঘটনায় রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ ৯ জন রাকসু প্রতিনিধি ও শিবির নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে ঘিরে গত কয়েক মাসে একাধিক বিতর্কিত ঘটনা সামনে এসেছে। আম্মারকে নিয়ে যত বিতর্ক, আম্মার কী বলেছেন, আম্মারকে নিয়ে রাকসুর সাবেকরা কী বলছেন?

জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন সূত্র কয়েক মাস ধরে বলে আসছিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রাজধানীর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংককে জামায়াত-শিবিরমুক্ত করতে চায় বিএনপি সরকার। আওয়ামী লীগ আমলের মতো বিএনপিও একই পথে হাঁটছে বলে অনেকে মনে করছেন। এদিকে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমার হার বেড়েছে। চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জিসান প্রধান ওই নারীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। এক পর্যায়ে ওই নারী গর্ভবতী হলে তাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, গর্ভপাত না করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।

সেখানে যিনি বিরোধী দলের নেতা হন তার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। প্রতিটি সরকারি মন্ত্রীর বিপরীতে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকেন। যুক্তরাজ্যে ছায়া মন্ত্রিসভা রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি স্বীকৃত অংশ। অনেক সময় ছায়ামন্ত্রীরাই পরবর্তী নির্বাচনে জিতে প্রকৃত মন্ত্রী হয়ে যান।

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, আসিফকে আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি বলছেন–জামায়াত ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীরা চাকরি হারাবে, সব দখল করবে শিবির। চরচার সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, আসিফকে আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি বলছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীরা চাকরি হারাবে, সব দখল করবে শিবির। চরচার সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, আসিফকে আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি বলছেন–জামায়াত ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীরা চাকরি হারাবে, সব দখল করবে শিবির। চরচার সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান

বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, আসিফকে আসন দিতে জামায়াত আমিরকে ফোন দিয়েছিলেন ড. ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি বলছেন–জামায়াত ক্ষমতায় এলে সরকারি কর্মীরা চাকরি হারাবে, সব দখল করবে শিবির। চরচার সঙ্গে এসব নিয়ে কথা বলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান