
বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধটা হয়েছে বেশ ম্যাড়মেড়ে। দুই দলের মধ্যে স্পেন বল দখলে রেখে খেলার চেষ্টা করেছে, আর্জেন্টিনা কী করতে চেষ্টা করেছে সেটাও মেসি-স্কালোনিরাই ভালো বলতে পারবেন।

‘লা ফিনালিসিমা’য় গত মার্চে দুই দলের দেখা হওয়ার কথা ছিল কাতারে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে ম্যাচটাই শেষ পর্যন্ত হলোই না! সেই স্পেন আর আর্জেন্টিনাই আজ মুখোমুখি বিশ্বকাপ ফাইনালে। তবে দুই দল ছাপিয়েও এই ম্যাচের বড় বিজ্ঞাপন দুটি নাম - লিওনেল মেসি আর লামিন ইয়ামাল।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি ঘিরে ফুটবল বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসছে। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দৃঢ় বিশ্বাস, যেকোনো স্নায়ুচাপ সামলে ট্রফি নিজেদের করে নেবে। অন্যদিকে, স্পেনের তরুণ ও গতিময় ফুটবলের ভক্তরা ক্ষুরধার মিডফিল্ড এবং টিকিটাকা কৌশলের পক্ষে বাজি ধরছেন।

আর্জেন্টিনা ম্যাচটা হেরে যাওয়ার মিনিট পাঁচেকের দূরত্বে ছিল। সেখান থেকেই এনসো ফের্নান্দেস আর লওতারো মার্তিনেসের দুই গোলে আবারও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেসিরা উঠে গেলেন ফাইনালে।

আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ডের ম্যাচ মানে সেখানে বাড়তি মসলা থাকবে, এতটুকু অনুমিতই ছিল। তাই বলে প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দল মিলিয়ে গোলপোস্টের দিকে একটা মাত্র শটের বিপরীতে ১৯টা ফাউল হবে, এতটা বোধ হয় ডিয়েগো ম্যারাডোনারও অনুমানে আসত না!

ছিয়াশির কোয়ার্টার ফাইনালের কথা বারবার এসেছে। আসারই কথা। আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে, সেটাও আবার নকআউট পর্বে, আর সেখানে ডিয়েগো ম্যারাডোনার নন্দিত-নিন্দিত দুই কাণ্ডের স্মৃতিমাখা ম্যাচের কথা আসবে না!

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা খুব করেই চাইবে তাদের গাঢ় নীল রঙের অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলতে। কারণ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে এই গাঢ় নীল রঙের অ্যাওয়ে জার্সি খুবই পয়া। ওই জার্সিতেই যে মিশে আছে গৌরবের গল্প।

ইংল্যান্ড আর আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হওয়া নিশ্চিত হতেই বারবার ফিরে ফিরে আসছে ছিয়াশি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল। তবে ম্যারডোনার হ্যান্ড অব গড আর গোল অব দ্য সেঞ্চুরির স্মৃতিধন্য সেই ম্যাচেরও ২০ বছর আগ থেকেই শুরু হয়েছে ফুটবল মাঠে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক লড়াই।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের ব্রিল এমবোলো কেন লালকার্ড দেখলেন? ঘটনাটা কী!

ফ্রান্স আর স্পেন আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। আজ রাতে নরওয়েকে হারিয়ে ইংল্যান্ডও সেমিফাইনালে উঠে যেতেই অদ্ভুত এক রেকর্ডের হাতছানি ছিল বিশ্বকাপের সামনে। অবশ্য রেকর্ডটাকে অদ্ভুত না বলে বলা যায়, রেকর্ডটা যে এতদিন হয়নি, এটাই অদ্ভুত।

মেসির কর্নারে ম্যাকঅ্যালিস্টারের হেডে এগিয়ে যাওয়া আর্জেন্টিনার, এনডয়ের গোলে সমতা সুইজারল্যান্ডের। ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে সুইসদের দাপটের অবসান। তবু আর্জেন্টিনা গোল পাচ্ছিল না। টাইব্রেকারই মনে হচ্ছিল ভবিতব্য। এমন সময়ে আলভারেসের চোখধাঁধানো গোল।


মেসির কর্নারে ম্যাকঅ্যালিস্টারের হেডে বিরতিতে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ডই আক্রমণ করেছে, আর্জেন্টিনা মূলত পাল্টা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে।

আর্জেন্টিনা দলের ডাগআউটে কোচ লিওনেল স্কালোনির আশপাশের মানুষগুলোকে লক্ষ্য করেছেন কখনো? তাদের চেনেন? আজ আর্জেন্টিনা দলের সাফল্যের পেছনে এদের তৈরি রণকৌশলের আছে বড় ভূমিকা। অথচ, পর্দার আড়ালে থেকে নীরবেই কাজ করে যান তারা।