ads

প্রথমার্ধ শেষের প্রতিবেদন

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মারামারির ফাঁকে ফুটবলটা খেলতে ভুলে গেছে

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মারামারির ফাঁকে ফুটবলটা খেলতে ভুলে গেছে
দুই দলের ফাউল আর ঝগড়াঝাটি দেখেই কেটেছে প্রথমার্ধ। ছবি: রয়টার্স

যদি খেলা দেখে থাকেন, এবং খেলার ছিরি দেখে ভুলে গিয়ে থাকেন, তাহলে মনে করিয়ে দেওয়া যাক, এটা একটা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল।

এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে ৪৫ মিনিট খেলা হয়েছে, যোগ করা তিন মিনিট মিলিয়ে ৪৮ মিনিট। দুই দল মিলিয়ে এ সময়ে গোলমুখে শট দেখা গেছে ১টি, সব মিলিয়ে শটই ৪টি। ফাউল ১৯টি - আর্জেন্টিনার ১২, ইংল্যান্ডের ৭। মারামারি আর ধাক্কাধাক্কি? পরিসংখ্যানে এর হিসাব থাকে না, তবে সংখ্যাটা দুই দলের সম্মিলিত শটের চেয়ে বেশি তো বটেই, দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে।

Advertisement

আর্জেন্টিনা আর ইংল্যান্ডের ম্যাচ মানে সেখানে বাড়তি মসলা থাকবে, এতটুকু অনুমিতই ছিল। তাই বলে প্রথম ৪৫ মিনিটে দুই দল মিলিয়ে গোলপোস্টের দিকে একটা মাত্র শটের বিপরীতে ১৯টা ফাউল হবে, এতটা বোধ হয় ডিয়েগো ম্যারাডোনারও অনুমানে আসত না!

এতকিছুর পর ম্যাচের স্কোরলাইন সম্ভবত আর আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না। দুই দল মারামারি আর ধাক্কাধাক্কির মধ্যে ফুটবলটা খেলার আর সময় করে উঠতে পারেনি সেভাবে। মানে, বিতং করে বলার মতো মুহূর্ত তেমন নেই। দুই গোলকিপারকেই তেমন পরীক্ষা দিতে হয়নি। গোল আর হবে কোত্থেকে! বিরতিতে গোলশূন্য সমতা নিয়ে ড্রেসিংরুমে গেছে দুই দল।

শুরু থেকেই আর্জেন্টিনার ধাক্কাধাক্কি দেখে মনে হয়েছে, তারা ইংল্যান্ডকে লাতিন স্ট্রিট ফুটবলে নামিয়ে আনতে চাইছে। ইংল্যান্ডকে দেখে হয়তো তাদের মনে হয়েছে, এই ইংল্যান্ডকে খেপিয়ে দিতে পারলে আর্জেন্টিনারই লাভ!
আর্জেন্টিনার ফাউল আর ধাক্কাধাক্কির জবাবে ইংল্যান্ডও পিছিয়ে থাকল না। ব্যস, আর যায় কোথায়! ফুটবল লাটে উঠল! পুরো ৪৫ মিনিটের বিচারে মাঝে-মধ্যে কয়েক সেকেন্ডের টানা পাসিং, আঙুলে গোনার মতো কয়েকটা আক্রমণকেই যদি আপনি ফুটবল বলতে চান, তাহলে আলাদা কথা।

সম্পর্কিত