
ফ্রান্স আর স্পেন আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। আজ রাতে নরওয়েকে হারিয়ে ইংল্যান্ডও সেমিফাইনালে উঠে যেতেই অদ্ভুত এক রেকর্ডের হাতছানি ছিল বিশ্বকাপের সামনে। অবশ্য রেকর্ডটাকে অদ্ভুত না বলে বলা যায়, রেকর্ডটা যে এতদিন হয়নি, এটাই অদ্ভুত।

ফ্রান্স তো রীতিমতো অজেয়! এবারের বিশ্বকাপে আসলে ফ্রান্সকে হারাবে কে? যদিও ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নদের মূল পরীক্ষা এখনো বাকি, এমবাপ্পে, দেম্বেলেদের ফ্রান্সের ব্যাপারে ‘অজেয়’ শব্দটা ব্যবহার করা কিছুটা আগ বাড়িয়ে বলার মতোই, তবুও এখনো পর্যন্ত যে ফ্রান্সকে আমরা দেখছি, সেই ফ্রান্স প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়েই এ পর্

মেসির আর্জেন্টিনা নাকি এমবাপ্পের ফ্রান্স? ইয়ামালের স্পেন নাকি কেইনের ইংল্যান্ড? নাকি চমক দেখাবে হালান্ডের নরওয়ে কিংবা মরক্কো, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের কেউ? বিশ্বকাপে আর দল বাকি ৮টি, শিরোপার হিসাবের পথে ম্যাচ বাকি ৭টি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিতবে কে?

জার্মানি আর নেদারল্যান্ডস বাদ পড়েছে। মেসির আর্জেন্টিনা, নেইমার আর ভিনিসিয়ুসের ব্রাজিল, এমবাপ্পের ফ্রান্স, রোনালদোর পর্তুগাল, ইয়ামালের স্পেন, কেইনের ইংল্যান্ড টিকে আছে। কেউ দাপট দেখিয়ে, কেউ কোনোরকমে শেষ ষোলোতে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত এই দলগুলোর কেউই জিতবে বিশ্বকাপ?

এবারের বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের ‘সেকেন্ড গেম সিনড্রোম’ থেকেই গেল। ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ের উচ্ছ্বাস অনেকটাই স্তিমিত।

হ্যারি কেইন ইংল্যান্ডের মূল ভরসা। কোচ টমাস টুখেলের বিশ্বকাপ দলে মার্কাস রাশফোর্ড, জুড বেলিংহাম, ডেকলান রাইসরা আছেন। কিন্তু আগের ইংল্যান্ডের সঙ্গে এবারের ইংল্যান্ডের বড় পার্থক্য–টুখেল নিশ্চিত করেছেন, তারকা মানেই দলে জায়গা নয়।

এই গুণ, ওর ওই গুণ মিলিয়ে একজন খেলোয়াড় বানানো। কার হেডিং ভালো, কার সৃষ্টিশীলতা, বাঁ পায়ের জন্য কাকে বেছে নিচ্ছেন, ডান পায়ের জন্য কে, দৌড়ের গতি, শক্তি, স্ট্যামিনা...ক্রাইটেরিয়ার শেষ নেই। প্রতিটি ক্রাইটেরিয়াতে সেরা খেলোয়াড়ের গুণ মিলিয়ে নিলেই ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে আলটিমেট প্লেয়ার!