চরচা ডেস্ক

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপটা শুরু করেছিল দাপটের সঙ্গেই। ক্রোয়েশিয়াকে ৪–২ গোলে হারানোর পর মনে হচ্ছিল ‘কামিং হোম’ খুব দুরাশার কিছু নয়। কিন্তু হ্যারি কেইনদের পুরোনো রোগ ফেরত এসেছে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষেই—‘সেকেন্ড গেম সিনড্রোম।’
মুশকিল হচ্ছে রোগটা ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ২০১৮ বিশ্বকাপে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ১–০ গোলে হেরে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে শুরু। এরপর আর কখনোই কোনো বড় টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জেতেনি ইংল্যান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের ‘সেকেন্ড গেম সিনড্রোম’ থেকেই গেল। ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ের উচ্ছ্বাস অনেকটাই স্তিমিত।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হারের পর ২০২০ সালে ইউরোয় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আমেরিকার বিপক্ষে ড্র করেছিল তারা। ২০২৪ সালে ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচেও দেখা গিয়েছিল একই ছবি। তখন ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন গ্যারেথ সাউথগেট। কিন্তু টমাস তুখেল দায়িত্ব নেওয়ার পরেও পাল্টাল না ছবিটা।
লো-ব্লক ডিফেন্সে ভরসা করে ঘানা গোটা ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ভুগিয়েছে। ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে, ইংল্যান্ড ১৯টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র তিনটি ছিল লক্ষ্যে। ৭৮ শতাংশ বল পজেশন ছিল ইংল্যান্ডের কাছে। তবুও তারকাখচিত অ্যাটাক নিয়ে গোল আসেনি।
পুরো ম্যাচ জুড়ে ঘানার রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু দুই উইংয়ে জ্বলে উঠতে পারেননি অ্যান্থনি গর্ডন ও ননি মাদুয়েকে। ফলে আক্রমণে একা হয়ে পড়েন হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলে কোনও শট রাখতে পারেনি, চলতি বিশ্বকাপে যা প্রথম। হাইড্রেশন ব্রেকে টমাস তুখেল কৌশল কিছুটা পাল্টালেও কার্যকর লাগেনি সেটাও।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপটা শুরু করেছিল দাপটের সঙ্গেই। ক্রোয়েশিয়াকে ৪–২ গোলে হারানোর পর মনে হচ্ছিল ‘কামিং হোম’ খুব দুরাশার কিছু নয়। কিন্তু হ্যারি কেইনদের পুরোনো রোগ ফেরত এসেছে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষেই—‘সেকেন্ড গেম সিনড্রোম।’
মুশকিল হচ্ছে রোগটা ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ২০১৮ বিশ্বকাপে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ১–০ গোলে হেরে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে শুরু। এরপর আর কখনোই কোনো বড় টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জেতেনি ইংল্যান্ড। এবারের বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের ‘সেকেন্ড গেম সিনড্রোম’ থেকেই গেল। ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ের উচ্ছ্বাস অনেকটাই স্তিমিত।
২০১৮ সালে বিশ্বকাপে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে হারের পর ২০২০ সালে ইউরোয় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আমেরিকার বিপক্ষে ড্র করেছিল তারা। ২০২৪ সালে ইউরোর দ্বিতীয় ম্যাচেও দেখা গিয়েছিল একই ছবি। তখন ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন গ্যারেথ সাউথগেট। কিন্তু টমাস তুখেল দায়িত্ব নেওয়ার পরেও পাল্টাল না ছবিটা।
লো-ব্লক ডিফেন্সে ভরসা করে ঘানা গোটা ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ভুগিয়েছে। ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে, ইংল্যান্ড ১৯টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে মাত্র তিনটি ছিল লক্ষ্যে। ৭৮ শতাংশ বল পজেশন ছিল ইংল্যান্ডের কাছে। তবুও তারকাখচিত অ্যাটাক নিয়ে গোল আসেনি।
পুরো ম্যাচ জুড়ে ঘানার রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু দুই উইংয়ে জ্বলে উঠতে পারেননি অ্যান্থনি গর্ডন ও ননি মাদুয়েকে। ফলে আক্রমণে একা হয়ে পড়েন হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলে কোনও শট রাখতে পারেনি, চলতি বিশ্বকাপে যা প্রথম। হাইড্রেশন ব্রেকে টমাস তুখেল কৌশল কিছুটা পাল্টালেও কার্যকর লাগেনি সেটাও।