স্পেন ১ : ০ আর্জেন্টিনা
চরচা ডেস্ক

আর্জেন্টিনা যেটা খেলেছে, সেটাকে ফুটবল বলা যায় কি না, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। ম্যাচে ৯০ মিনিট সময়ের পর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখায় যখন দশ জনের দল হয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা, ম্যাচে তাদের শটের চেয়ে লাল কার্ডের সংখ্যা বেশি! গোলে শট নয়, যেকোনো দিকে মেরে বসলেও যেটাকে শট হিসেবে গোনায় ধরা হয়, সেটার সংখ্যাও তখনো শূন্য আর্জেন্টিনার! বলাবাহুল্য, বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর্জেন্টিনাই প্রথম দল যারা ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একটা শটও নিতে পারল না!
এতটুকু পড়ার পর স্পেন সমর্থকগোষ্ঠী অবশ্য উল্টো দাবি তুলতে পারেন - আর্জেন্টিনা পারেনি, নাকি স্পেন তাদের কিছুই করতে দেয়নি? স্পেন একে তো বল পা থেকে ছাড়েনি সহজে, তাদের পাসিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি আর্জেন্টিনা। যদিও-বা বল গিয়ে থাকে আর্জেন্টিনার পায়ে, তারা দু-তিনটি পাস দিতে পারার আগেই আবার বল কেড়ে নিয়েছে স্পেন!
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবারের বিশ্বকাপে যাওয়া আর্জেন্টিনার কাছ থেকে ট্রফিটা ছিনিয়ে নেওয়ার আগে মেসির দলকে নখদন্তহীন বানিয়ে দিয়েছে ইয়ামালের স্পেন। আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে ফুটবল না খেলে যেভাবে দৌড়ে গেছে, তাতে ফুটবল দল নয়, আর্জেন্টিনাকে জগিং ক্লাব মনে করাটা খুব একটা দোষের হবে না।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে স্পেন যে গোল পায়নি, সে কৃতিত্ব একমাত্র আর্জেন্টিনা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। তবে ১০৬ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। বদলি নামা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা, বিশ্বকাপে প্রতিটি ধাপে গোল খেয়ে ফিরে আসা আর্জেন্টিনা আজ ফাইনালে ফেরানের গোলের পর আর ফেরার রাস্তা খুঁজে পায়নি।
১-০ গোলে জিতে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ঘরে নিয়ে গেল স্পেন। তাদের জার্সিতে বসল দ্বিতীয় তারা।
আরও বেশি গোল যে খায়নি আর্জেন্টিনা, তার একমাত্র কৃতিত্ব গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। অপ্টার রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর কোনো ফাইনালে দশটির বেশি সেইভ করা একমাত্র গোলকিপার এমিলিয়ানো। ম্যাচটা যে অতিরিক্ত সময়ে গেছে, তার একমাত্র কারণ ইয়ামাল-অলমোদের বেশ কয়েকটি শটে এমিলিয়ানোর সেইভ।
তবে আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে ১০২ মিনিটেই যে গোল খায়নি, সে 'কৃতিত্ব' রেফারির। ওতামেন্দির প্রতিক্রিয়া দেখেই বাঁশি বাজিয়ে দিয়েছেন কি না রেফারি, সে সংশয় থাকছেই। তবে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও বক্সে ওতামেন্দির ওপর মেরিনোর পায়ের স্পর্শে যে ফাউল ধরেছেন রেফারি, সেটাকে ফাউল ধরলে ফুটবলের 'কন্টাক্ট স্পোর্ট' হিসেবে দাবিই আর খাটে না!
রেফারি গোল বাতিল করে দেওয়ায়, এবং মেরিনোর পা ওতামেন্দির পায়ে লাগাতেই কি না, ভিএআর আর সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা হেরেই যাওয়ায় বিতর্কটা আপাতত আর বড় হলো না। আর্জেন্টিনা জিতে গেলে, স্পেন না জিতলে আজ সেটাই অবশ্য হজম করা কঠিন হতো।

আর্জেন্টিনা যেটা খেলেছে, সেটাকে ফুটবল বলা যায় কি না, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। ম্যাচে ৯০ মিনিট সময়ের পর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মিডফিল্ডার এনসো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখায় যখন দশ জনের দল হয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা, ম্যাচে তাদের শটের চেয়ে লাল কার্ডের সংখ্যা বেশি! গোলে শট নয়, যেকোনো দিকে মেরে বসলেও যেটাকে শট হিসেবে গোনায় ধরা হয়, সেটার সংখ্যাও তখনো শূন্য আর্জেন্টিনার! বলাবাহুল্য, বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর্জেন্টিনাই প্রথম দল যারা ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একটা শটও নিতে পারল না!
এতটুকু পড়ার পর স্পেন সমর্থকগোষ্ঠী অবশ্য উল্টো দাবি তুলতে পারেন - আর্জেন্টিনা পারেনি, নাকি স্পেন তাদের কিছুই করতে দেয়নি? স্পেন একে তো বল পা থেকে ছাড়েনি সহজে, তাদের পাসিংয়ের সামনে পাত্তাই পায়নি আর্জেন্টিনা। যদিও-বা বল গিয়ে থাকে আর্জেন্টিনার পায়ে, তারা দু-তিনটি পাস দিতে পারার আগেই আবার বল কেড়ে নিয়েছে স্পেন!
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হয়ে এবারের বিশ্বকাপে যাওয়া আর্জেন্টিনার কাছ থেকে ট্রফিটা ছিনিয়ে নেওয়ার আগে মেসির দলকে নখদন্তহীন বানিয়ে দিয়েছে ইয়ামালের স্পেন। আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে ফুটবল না খেলে যেভাবে দৌড়ে গেছে, তাতে ফুটবল দল নয়, আর্জেন্টিনাকে জগিং ক্লাব মনে করাটা খুব একটা দোষের হবে না।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে স্পেন যে গোল পায়নি, সে কৃতিত্ব একমাত্র আর্জেন্টিনা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। তবে ১০৬ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। বদলি নামা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা, বিশ্বকাপে প্রতিটি ধাপে গোল খেয়ে ফিরে আসা আর্জেন্টিনা আজ ফাইনালে ফেরানের গোলের পর আর ফেরার রাস্তা খুঁজে পায়নি।
১-০ গোলে জিতে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ ঘরে নিয়ে গেল স্পেন। তাদের জার্সিতে বসল দ্বিতীয় তারা।
আরও বেশি গোল যে খায়নি আর্জেন্টিনা, তার একমাত্র কৃতিত্ব গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসের। অপ্টার রেকর্ড অনুযায়ী, ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর কোনো ফাইনালে দশটির বেশি সেইভ করা একমাত্র গোলকিপার এমিলিয়ানো। ম্যাচটা যে অতিরিক্ত সময়ে গেছে, তার একমাত্র কারণ ইয়ামাল-অলমোদের বেশ কয়েকটি শটে এমিলিয়ানোর সেইভ।
তবে আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে ১০২ মিনিটেই যে গোল খায়নি, সে 'কৃতিত্ব' রেফারির। ওতামেন্দির প্রতিক্রিয়া দেখেই বাঁশি বাজিয়ে দিয়েছেন কি না রেফারি, সে সংশয় থাকছেই। তবে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও বক্সে ওতামেন্দির ওপর মেরিনোর পায়ের স্পর্শে যে ফাউল ধরেছেন রেফারি, সেটাকে ফাউল ধরলে ফুটবলের 'কন্টাক্ট স্পোর্ট' হিসেবে দাবিই আর খাটে না!
রেফারি গোল বাতিল করে দেওয়ায়, এবং মেরিনোর পা ওতামেন্দির পায়ে লাগাতেই কি না, ভিএআর আর সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা হেরেই যাওয়ায় বিতর্কটা আপাতত আর বড় হলো না। আর্জেন্টিনা জিতে গেলে, স্পেন না জিতলে আজ সেটাই অবশ্য হজম করা কঠিন হতো।