Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> ভাবনা

গণভোট নিয়ে আপনি কী জানেন?

আবু-নওফেল-সাজিদ

আবু-নওফেল-সাজিদ

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯: ৪২
গণভোট নিয়ে আপনি কী জানেন?

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এই দিনেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে গণভোট। ভোটারদের হাতে থাকবে একটি আলাদা ব্যালট, যেখানে মাত্র চারটি পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে প্রশ্ন করা হবে–আপনি কি এই সনদ বাস্তবায়নে সমর্থন দেন? উত্তর হিসেবে থাকবে দুটি বিকল্প–‘হ্যাঁ’ এবং ‘না”?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য। তিনি বলেছেন, এই ভোট বৈষম্য আর নিপীড়নমুক্ত এক ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার চাবিকাঠি। কিন্তু এই ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের ভেতরে আসলে কী আছে? কেন এই গণভোট?

শুরুতেই বলি, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে আমাদের পরিচয় ‘বাঙালি’ হলেও নতুন প্রস্তাবে নাগরিক পরিচয় হবে ‘বাংলাদেশি’। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি অন্যান্য মাতৃভাষাকেও স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে সংবিধানের মূলনীতিতে। এখনকার ‘জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার’ বদলে নতুন মূলনীতি হবে—সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি। ‘গণতন্ত্র’ আগের মতোই থাকছে মূলনীতিতে। আর মৌলিক অধিকারে যুক্ত হবে ‘নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট’ এবং ‘ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার’ গ্যারান্টি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এক ব্যক্তি জীবনে ১০ বছরের বেশি বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

গণভোট কি? বাংলাদেশে কয়বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে?WhatsApp Image 2025-09-03 at 18.01.16 (1)

বর্তমানে রাষ্ট্রপতি অনেক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু নতুন সনদে মানবাধিকার ও আইন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগগুলো রাষ্ট্রপতি নিজের বিচারবুদ্ধিতে করতে পারবেন।

এখন প্রধানমন্ত্রীর একক স্বাক্ষরে জরুরি অবস্থা জারি করা যায়। কিন্তু নতুন নিয়মে মন্ত্রিসভার পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতার উপস্থিতিতেও অনুমোদন লাগবে।

আগে সরকার চাইলেই যে কাউকে ক্ষমা করতে পারত। কিন্তু এখন থেকে কেবল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সম্মতি থাকলেই রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে পারবেন।

আমাদের সংসদ এখন এক কক্ষ বিশিষ্ট। কিন্তু সনদে একে ‘দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০ জন সদস্য। সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি থেকে বাড়িয়ে ১০০টি করা হবে।

আরেকটি বড় বিষয় হলো–ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন বিরোধী দল থেকে। এ ছাড়া বাজেট ও আস্থাবিল ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে এমপিরা নিজ দলের বিরুদ্ধেও স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন।

বিচার বিভাগকেও করা হচ্ছে স্বাধীন। প্রধান বিচারপতি নিয়োগ হবেন সরাসরি আপিল বিভাগ থেকে। আর দুর্নীতি দমন ও নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রেও বিরোধী দলের মতামত বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের গণভোটের বৈধতার সংকটগণভোট-২

সরকার বলছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে পরবর্তী সংসদ এই ৮৪টি ধারা বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে। অন্যথায় অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিলগুলোই কার্যকর হবে। তবে বিএনপি ও জামায়াতসহ কিছু দলের বেশ কিছু পয়েন্টে দ্বিমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে।

এখন একটা আলোচনায় আসি। এই গণভোট ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় সবকিছু নিরঙ্কুশ নয়। এর কিছু বড় চ্যালেঞ্জ ও দুর্বলতার দিকও রয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক চলছে।

৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে অনেকগুলোতেই বিএনপি, জামায়াতসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি রয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা এবং নিয়োগ-সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে দলগুলো একমত হতে পারেনি। ফলে একটি বড় রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থন ছাড়া এই সংস্কার কতটুকু দীর্ঘস্থায়ী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ব্যালট পেপারে থাকবে মাত্র চারটি পয়েন্ট, কিন্তু সংস্কার প্রস্তাব ৮৪টি। সাধারণ ভোটারদের পক্ষে এত কম সময়ে ৮৪টি জটিল আইনি ও সাংবিধানিক পরিবর্তন বুঝে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলা কঠিন। বিস্তারিত না জেনে ভোট দেওয়াটা এক ধরনের ‘ব্ল্যাঙ্ক চেক’ দেওয়ার মতোও হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

যদি ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়, তবে পরবর্তী সংসদকে এই ৮৪টি ধারা ৯ মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু সংসদ যদি রাজনৈতিক কারণে তা না করে, তবে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে।

একপক্ষে আছে রাষ্ট্র সংস্কারের এক বিশাল সম্ভাবনা, আর অন্যপক্ষে রয়েছে রাজনৈতিক ঐকমত্যের অভাব ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ। ভোটার হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো–এই ৮৪টি প্রস্তাব ভালো করে জানা ও বোঝা। কারণ, আপনার একটি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বদলে দিতে পারে বাংলাদেশের আগামীর সংবিধান।

বিষয়: সংস্কারনির্বাচনজুলাই সনদগণভোটভোটরাজনীতিসংবিধান
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    মব দেশে বাড়ছে, বিদেশে কি রপ্তানিও হচ্ছে?

    আমাদের দেশে মব আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বরং দিনকে দিন কিছুটা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে উঠছে যেন। কখনও বাড়ে, কখনও একটু কমে- কিন্তু মব বিদায় হচ্ছে না কোনোভাবেই। উল্টো যেন মব রপ্তানির দেশে পরিণত হচ্ছে আমাদের এই বাংলাদেশ! ভাবে? চলুন, আলোচনার ভেতরে ঢোকা যাক। শুরুতেই বর্তমানে দেশের ভেতরে মব কি অবস্থায় আছ

  • সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    সাক্ষরতার সংখ্যায় অগ্রগতি, জীবনের পরীক্ষায় কত দূর?

    মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ঘোষণা করে। বিশ্বজুড়ে এর উদযাপন শুরু হয় ১৯৬৭ সালে; আর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে।

  • রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    রংপুরে ৪ খুন: ব্যর্থ আসলে কারা?

    ২৩ আগস্ট রাতে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবারের শেষ হয়ে যাওয়ার খবরটা প্রথম শুনে বুঝিনি যে এই ঘটনা সামনে অনেক চমক তৈরি করে রেখেছে। হত্যা রহস্য উন্মোচনের জন্য গোলকধাঁধা অপেক্ষা করছে–কে জানত? রাতে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই শুনি দুই আসামি ধরা পড়েছে, এমনকি হত্যার দায়ও স্বীকার করে নিয়েছেন

  • সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিরোধিতা কেন?

    গত রোববার জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বহুলালোচিত ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬’ নিয়ে পরে আলোচনা করার ইচ্ছা আছে। এখানে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল ২০২৬’ নিয়ে কথা বলব। এই আইনের উদ্দেশ্য–বাবা–মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়া