
দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!
তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

বিশ্বখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসবের ইতিহাসে খুব বেশি ভারতীয় সিনেমা তাদের প্রতিযোগতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি। প্রথম কানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পাম দ’র পুরস্কার পায় ১৯৪৬ সালে মুক্তি পাওয়া চেতন আনন্দ পরিচালিত সিনেমা ‘নিচা নগর’। পাম দ’র হলো কানের সর্বোচ্চ পুরস্কার। এই পুরস্কার আজ পর্যন্ত আর কোনো ভারতীয় নির্মাতা পাননি। কান উৎসবে অন্যান্য পুরস্কার পেয়েছেন সত্যজিৎ রায়, বিমল রায়, মৃণাল সেন, মিরা নাইর, মুরালি নাইরসহ আরো কয়েকজন। মৃণাল সেনের ‘খারিজ’ সিনেমা ১৯৮৩ সালের পেয়েছিল জুরি পুরস্কার।
মৃণাল সেনের ‘খারিজ’ মুক্তি পায় ১৯৮২ সালে। এটিকে বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনবদ্য সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সিনেমায় দেখা যায়, একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ‘পালান’ নামের গৃহকর্মী ছেলেটির রহস্যজনক মৃত্যু হয়। একটি বদ্ধ রান্নাঘরে ছেলেটির কীভাবে মৃত্যু হলো, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা-কল্পনা। মৃত্যুরহস্য সমাধানের আগেই বেরিয়ে আসতে থাকে সমাজের বীভৎস রূপ, প্রান্তিক মানুষের প্রতি আমাদের চরম উন্নাসিকতা এবং ক্ষমতার অট্টহাসি।
আসলে এই সিনেমা কোনো রহস্যের সমাধান খোঁজ করে না। বরং দর্শকদের নিজেদের বিবেকের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। চলচ্চিত্রের প্রধান প্রশ্নটি হলো—এই মৃত্যুর জন্য দায়ী কে? পরিচালক মৃণাল সেন তার সিনেমার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধীর সন্ধান করেননি। তিনি আসলে দেখিয়েছেন, অবহেলা, শ্রেণিবৈষম্য, সামাজিক উদাসীনতা, আত্মপ্রবঞ্চনা ও দায়মুক্তির জালে বন্দী হয়েই ‘পালান’ নামের কিশোরটি নিহত হয়েছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে পুলিশের তদন্ত শেষ হয়ে যায়, পালানের এই অস্বাভাবিক মৃত্যুটি একটি দুর্ঘটনায় রূপ নেয়, কাউকে কোনো দায় নিতে হয় না, মিটে যায় সব আইনি জটিলতা। যদিও সেই নৈতিক প্রশ্নের কোনো নিষ্পত্তি হয় না, ‘আমরা সবাই কি দায়ী নই?’ ‘ভদ্র সমাজে’র কোলাহলে নীরবে তছনছ হয়ে যায় প্রান্তিক মানুষের জীবন। তবে এই নীরবতার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে মানুষের সবচেয়ে বড় নৈতিক ব্যর্থতা।
‘খারিজ’-এর নির্মাণশৈলী অনন্য। সিনেমাটির শক্তি তার গল্প, চিত্রনাট্য ও চিত্রধারণে। এই সিনেমা কোনো আনন্দ দেয় না, খুব যে বেদনা দেয়, তাও নয়। এই সিনেমা দেয় ভরপুর অস্বস্তি। এই সিনেমা বারবার আমাদের দায়বদ্ধতা, ভদ্রতা, মানবিকতা, মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। দর্শক তখন পালাতে চায়, ভাবে, ‘এই সিনেমা দেখতে না বসলেই ভালো হতো’। তারপরও সিনেমাটি শেষতক দেখতে হয়, শেষে কী আছে তা দেখার আগ্রহও শেষপর্যন্ত দেখতে কম উদ্বুদ্ধ করে না। সব মিলিয়ে সিনেমাটি এক গভীর মানসিক আবহ তৈরি করে। ‘খারিজ’ দর্শককে আবেগে না ভাসিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়, মৃণাল সেন বরাবরই তাই করে থাকেন।
সিনেমাটি তৈরি করা হয়েছে প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রমাপদ চৌধুরীর ‘খারিজ’ উপন্যাস অবলম্বনে। চিত্রনাট্য পরিচালক নিজেই করেছেন। অভিনয় করেছেন, মমতা শংকর, অঞ্জন দত্ত, শ্রীলা মজুমদার প্রমুখ। মজার ব্যাপার হলো–সিনেমাতে এই তিনজনের চরিত্রের নামও একই। কান-এ জুরি পুরস্কার ছাড়াও ১৯৮৩ সালে এটি পায় তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং স্পেনে ভায়াদোলিদ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের গোল্ডেন স্পাইক পুরস্কার।
সাজেক ভ্যালিতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
রিয়াদ বিমানবন্দরে শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি
ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!
তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র
সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।

সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত
দু বছর পর যখন এ বেতন স্কেল পুরো কার্যকর হবে তখন মুদ্রাস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটা দেখার বিষয়। এর মাঝে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাড়ানো ছাড়া হয়তো উপায়ও ছিল না। তবে এর ফলে বাড়বে সকল ধরনের পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়সহ ভোগ্যপণ্যের দাম।

১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪
২০২৪-এর পর থেকে এই অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটা আমরা বেশি শুনছি। এটা ভালো লক্ষণ। কিন্তু যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল এবং শিডিউলড কাস্টের ব্যাপারে, নিম্নবর্গের ব্যাপারে অন্তর্ভুক্তিমূলকের দশা কিন্তু খুবই খারাপ।