চরচা ডেস্ক

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি সুরক্ষিত এলাকায় চীনা মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে এক চীনা নাগরিক ও ছয় আফগানি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় এক শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার কাবুলের শাহর-এ-নও বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ওই রেস্তোরাঁটিতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিস্ফোরণ মূলত একটি হামলার ফলে ঘটেছে।
পুলিশ মুখপাত্র খালিদ জাদরান জানান, এলাকাটিতে বিভিন্ন অফিস, শপিং কমপ্লেক্স এবং দূতাবাস রয়েছে এবং এটি শহরের অন্যতম নিরাপদ এলাকা হিসেবে বিবেচিত।
জাদরান আরও জানান, বিস্ফোরণটি রেস্তোরাঁর কিচেনের কাছে ঘটেছে। এতে আইয়ুব নামে এক চীনা নাগরিক এবং ছয়জন আফগান নিহত হন। পরবর্তীতে আইএসআইএল (আইএসের আফগান শাখা) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এটি ছিল একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা। আইএসআইএল-এর আমাক নিউজ এজেন্সি বলেছে, উইঘুরদের ওপর চীনা সরকারের ক্রমবর্ধমান অপরাধের প্রতিবাদে তারা চীনা নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলিমের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আসছে। তবে এই নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছে বেইজিং এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে।
ইতালির এনজিও ইমারজেন্সি জানিয়েছে, কাবুলে তাদের পরিচালিত একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে বিস্ফোরণস্থল থেকে ২০ জনকে আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে সাতজন পৌঁছানোর আগেই মারা যান। সংস্থাটি বলেছে, হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে কাবুলসহ পুরো আফগানিস্তানে বিস্ফোরণের ঘটনা কমেছে। তবে আইএসআইএল-এর সহযোগী সংগঠনগুলো এখনও দেশটিতে সক্রিয় রয়েছে এবং মাঝেমধ্যেই এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি সুরক্ষিত এলাকায় চীনা মালিকানাধীন একটি রেস্তোরাঁয় বিস্ফোরণে এক চীনা নাগরিক ও ছয় আফগানি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় এক শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার কাবুলের শাহর-এ-নও বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ওই রেস্তোরাঁটিতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিস্ফোরণ মূলত একটি হামলার ফলে ঘটেছে।
পুলিশ মুখপাত্র খালিদ জাদরান জানান, এলাকাটিতে বিভিন্ন অফিস, শপিং কমপ্লেক্স এবং দূতাবাস রয়েছে এবং এটি শহরের অন্যতম নিরাপদ এলাকা হিসেবে বিবেচিত।
জাদরান আরও জানান, বিস্ফোরণটি রেস্তোরাঁর কিচেনের কাছে ঘটেছে। এতে আইয়ুব নামে এক চীনা নাগরিক এবং ছয়জন আফগান নিহত হন। পরবর্তীতে আইএসআইএল (আইএসের আফগান শাখা) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এটি ছিল একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা। আইএসআইএল-এর আমাক নিউজ এজেন্সি বলেছে, উইঘুরদের ওপর চীনা সরকারের ক্রমবর্ধমান অপরাধের প্রতিবাদে তারা চীনা নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলিমের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আসছে। তবে এই নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছে বেইজিং এবং পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানোর অভিযোগ এনেছে।
ইতালির এনজিও ইমারজেন্সি জানিয়েছে, কাবুলে তাদের পরিচালিত একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে বিস্ফোরণস্থল থেকে ২০ জনকে আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে সাতজন পৌঁছানোর আগেই মারা যান। সংস্থাটি বলেছে, হতাহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে কাবুলসহ পুরো আফগানিস্তানে বিস্ফোরণের ঘটনা কমেছে। তবে আইএসআইএল-এর সহযোগী সংগঠনগুলো এখনও দেশটিতে সক্রিয় রয়েছে এবং মাঝেমধ্যেই এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে।