Advertisement Banner

এশিয়ার দেশগুলোকে ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জাপানের

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
এশিয়ার দেশগুলোকে ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জাপানের
এশিয়ার দেশগুলোকে ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এশীয় প্রতিবেশীদের ১০ বিলিয়ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জ্বালানি নিরাপত্তা ও অপরিশোধিত তেল আমদানিতে সহায়তার জন্য এই উদ্যোগ নিচ্ছে দেশটি। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

গতকাল বুধবার এশিয়ার অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠক শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এ সহায়তার কথা ঘোষণা দেন।

জাপান পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল, যার মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম অন্যতম। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি এই গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘জাপান সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে এশিয়ার প্রতিটি দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং আমরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।’

জাপানের এই বিশেষ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, এশিয়ার দেশগুলোকে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সংগ্রহে সহায়তা করা। সেই সঙ্গে সাপ্লাই চেইন স্থিতিশীল রাখা এবং তেলের মজুত বাড়াতেও কাজ করবে এই তহবিল।

হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে এশিয়া বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে। কারণ, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করা তেল ও গ্যাসের প্রায় ৯০ শতাংশই এশিয়ার দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ১০ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর প্রায় এক বছরের অপরিশোধিত তেল আমদানির খরচের সমান।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ অন্যান্য দেশের নেতারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। এই প্রকল্পের অর্থায়ন আসবে বিভিন্ন উৎস থেকে। এর মধ্যে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) ও নিপ্পন এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন্স্যুরেন্সের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অন্যতম।

তাকাইচি অবশ্য আশ্বস্ত করে বলেছেন, এই উদ্যোগের ফলে জাপানের অভ্যন্তরীণ তেল সরবরাহে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

সম্পর্কিত