চরচা প্রতিবেদক

দলীয় প্রার্থী দেওয়ার বিধি না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৎপর হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, চলতি বছরই তারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটের খাতা খুলবে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যরা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না?
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন শোনা যায় আচরণবিধিমালা সংশোধন করে স্থানীয় নির্বাচনেও দলটির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করা হচ্ছে।
তবে আইনি বাধা না থাকায় দলটির সদস্যরা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। এক প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, ‘‘নির্বাচন নির্দলীয় হবে। আইন অনুযায়ী যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ জুন ইসির চূড়ান্ত বিধিমালার খসড়ায়ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যদের নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো সংশোধন আনা হয়নি সে খসড়ায়।
গত বছরের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
যা আছে আইনে
স্থানীয় সরকার আইনে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা প্রায় একই রকম। নির্বাচনগুলো সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯, পৌরসভা আইন ২০০৯, ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এবং উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

প্রতিটি আইনেই ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা এক। আইন অনুযায়ী, বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে অথবা বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩ ও ৩৫৩-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ছাড়া আদালত-কর্তৃক ফেরারি আসামি ঘোষিত হলে থাকবে না নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ।
আর আন্তর্জাতিক বা জাতীয় অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্যতার বিষয়টিও স্পষ্ট করা আছে আইনে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর কেউ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে সাজাপ্রাপ্ত হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। একইভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতের রায় অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
থাকছে না অঙ্গীকারনামা
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর নেতা-কর্মীরা যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় নতুন বিধি যুক্তের প্রস্তাব করেছিল ইসি সচিবালয়। প্রস্তাবিত ওই বিধিতে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই–এই মর্মে ইসির তৈরি করা অঙ্গীকারনামায় সই দেওয়ার বিধান যুক্তের পরিকল্পনা ছিল। তবে এমন কোনো অঙ্গীকারনামা থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে ইসি।
সম্প্রতি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো অঙ্গীকারনামার বিধান নতুন করে যুক্ত হচ্ছে কি না–জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা কোনো অঙ্গীকারনামা থাকবে না। হলফনামায় ফরমের সঙ্গে একটা ঘোষণাপত্র থাকবে। প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলবেন–ঘোষণাপত্রে এমন একটি লাইন যুক্ত হবে।’’
এড়াতে চাইছে সরকার?
গত বছর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তটি ছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে। যদিও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী হবে, প্রশ্নটি উঠছে সবখানেই।
গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জানতে চান। সে সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

যদিও গত ৯ জুন নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার ভাষ্য, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করলে ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
জাহেদ উর রহমান বলেন, “কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তার প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তার যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।”

দলীয় প্রার্থী দেওয়ার বিধি না থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৎপর হতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। আর নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, চলতি বছরই তারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকারের ভোটের খাতা খুলবে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যরা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না?
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটির নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে। এরই মধ্যে গুঞ্জন শোনা যায় আচরণবিধিমালা সংশোধন করে স্থানীয় নির্বাচনেও দলটির নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করা হচ্ছে।
তবে আইনি বাধা না থাকায় দলটির সদস্যরা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ইসি কর্মকর্তারা। এক প্রশ্নের জবাবে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, ‘‘নির্বাচন নির্দলীয় হবে। আইন অনুযায়ী যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।’’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে গত ১০ জুন ইসির চূড়ান্ত বিধিমালার খসড়ায়ও প্রার্থী হওয়ার যোগ্য যেকোনো ব্যক্তিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্যদের নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো সংশোধন আনা হয়নি সে খসড়ায়।
গত বছরের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
যা আছে আইনে
স্থানীয় সরকার আইনে পাঁচ প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে অংশ নিতে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা প্রায় একই রকম। নির্বাচনগুলো সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯, পৌরসভা আইন ২০০৯, ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এবং উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮-এর বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

প্রতিটি আইনেই ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা এক। আইন অনুযায়ী, বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে অথবা বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩ ও ৩৫৩-এর অধীন দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এ ছাড়া আদালত-কর্তৃক ফেরারি আসামি ঘোষিত হলে থাকবে না নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ।
আর আন্তর্জাতিক বা জাতীয় অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযোগ্যতার বিষয়টিও স্পষ্ট করা আছে আইনে। সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চরচাকে বলেন, “কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর কেউ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে সাজাপ্রাপ্ত হলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। একইভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতের রায় অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
থাকছে না অঙ্গীকারনামা
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ দলগুলোর নেতা-কর্মীরা যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনী আচরণবিধিমালায় নতুন বিধি যুক্তের প্রস্তাব করেছিল ইসি সচিবালয়। প্রস্তাবিত ওই বিধিতে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই–এই মর্মে ইসির তৈরি করা অঙ্গীকারনামায় সই দেওয়ার বিধান যুক্তের পরিকল্পনা ছিল। তবে এমন কোনো অঙ্গীকারনামা থাকছে না বলে নিশ্চিত করেছে ইসি।
সম্প্রতি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে কোনো অঙ্গীকারনামার বিধান নতুন করে যুক্ত হচ্ছে কি না–জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা কোনো অঙ্গীকারনামা থাকবে না। হলফনামায় ফরমের সঙ্গে একটা ঘোষণাপত্র থাকবে। প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলবেন–ঘোষণাপত্রে এমন একটি লাইন যুক্ত হবে।’’
এড়াতে চাইছে সরকার?
গত বছর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তটি ছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা জানতে আরও অপেক্ষা করতে হবে। যদিও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কী হবে, প্রশ্নটি উঠছে সবখানেই।
গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রুমিন ফারহানা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান জানতে চান। সে সময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্নটি এড়িয়ে যান।

যদিও গত ৯ জুন নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার ভাষ্য, নির্বাচনসংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করলে ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এ বিষয়ে সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
জাহেদ উর রহমান বলেন, “কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের....কারণ, এটা নির্দলীয়। কেউ দলের কথা বলবেন না এবং তিনি যদি তার প্রচারে...এটা হতে পারে। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি এলেন, কিন্তু প্রচারে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেটা বলেন, সেটা সমস্যা হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তার যে ক্রাইটেরিয়া আছে নির্বাচনটি করার জন্য, সেটা যদি পূরণ করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন, নিশ্চয়ই পারেন।”