‘সিনিয়র সিটিজেন’ বা প্রবীণ নাগরিক বলতে সাধারণত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের বোঝায়, যারা প্রায়শই অবসর গ্রহণের বয়সে পৌঁছেছেন। তবে অধিকাংশ সংজ্ঞায় প্রবীণ হিসেবে গণ্য করার শুরুর বয়স ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে ধরা হয়; তবে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ছাড় বা সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি ৫৫ বছর বয়স থেকেই শুরু হতে পারে।
অবসরের সাথে সম্পর্ক: এই পরিভাষায় প্রবীণ নাগরিক প্রায়শই এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি তার মূল কর্মজীবন শেষ করেছেন এবং সরকারি বা বেসরকারি পেনশন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।
সামাজিক সম্মান: ‘বৃদ্ধ বা বয়স্ক’-এর মতো শব্দের পরিবর্তে একটি মার্জিত ও সম্মানজনক বিকল্প হিসেবে এই প্রবীণ নাগরিক পরিভাষাটি জনপ্রিয় হয়েছে।
সমাজে প্রবীণ নাগরিকদের গুরুত্ব বহুবিধ -
• অভিজ্ঞতা: তারা তরুণ প্রজন্মের সাথে জীবনের মূল্যবান শিক্ষা, ইতিহাস ও প্রজ্ঞা ভাগ করে নেন।
• পারিবারিক সহায়তা: অনেক প্রবীণ নাতি-নাতনিদের দেখাশোনায় সহায়তা করেন অথবা পরিবারের মধ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখেন।
• সম্প্রদায়ের ভূমিকা: প্রবীণ নাগরিকেরা বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সিনিয়র সিটিজেন সপ্তাহ। সারা বিশ্ব ব্যাপী এটা পালিত হয় প্রবীণ নাগরিকদের সন্মান জানিয়ে। সেই উপলক্ষে প্রবীণ নাগরিকদের সবাইকে জানাই ‘সিনিয়র সিটিজেন’ সপ্তাহের শুভেচ্ছা!
প্রবীণদের ও আছে অধিকার সুখী জীবন কাটাবার। একদিন যারা পৃথিবী গড়েছে, আজ আমরা স্বপ্ন গড়বো—সযত্নে আগলে রাখবো সেই মহাকারিগর প্রবীণদের ।
আসুন আমরা মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিত করি, প্রবীণদের অধিকার রক্ষা করি -
সম্মানিত প্রবীণদের উদ্দেশ্যে বলছি , সথা সম্ভব আপনার শারীরিক মানসিক সামাজিক ও আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।
লেখক: প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ।