Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৭ আগস্ট, ২০২৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

স্বত্ব © চরচা

Advertisement
Advertisement
> জীবনচরচা

মূত্রনালীতে পাথর কেন হয়?

প্রস্রাবে পাথর তৈরির উপাদান (স্ফটিক) বেশি পরিমাণে জমে গেলে এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কম থাকলে পাথর তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানি পান করলে এসব উপাদান পাতলা হয়ে যায় এবং পাথর গঠনের ঝুঁকি কমে।

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ৫৫
মূত্রনালীতে পাথর কেন হয়?

মূত্রনালীর পাথর বা ইউরেটেরাল স্টোন একটি জটিল স্বাস্থ্যসমস্যা, যা বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০ জনে প্রায় ১ জনকে প্রভাবিত করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে এ ধরনের পাথরের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আমেরিকার ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের ওয়েবসাইটের এক প্রতিবেদনে এই সমস্যার কারণ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মূত্রনালীর পাথর হলো কিডনিতে তৈরি হওয়া পাথর, যা কিডনি থেকে মূত্রথলিতে যাওয়ার নালীর (ইউরেটার) কোনো এক স্থানে আটকে যায়। ইউরেটার হলো পেশিবহুল নালী, যা কিডনিকে মূত্রথলির সঙ্গে সংযুক্ত করে। মানুষের উচ্চতার ওপর নির্ভর করে ইউরেটারের দৈর্ঘ্য সাধারণত ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি হয় এবং প্রতিটি কিডনির জন্য একটি করে ইউরেটার থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূত্রনালীর পাথর বা ক্যালকুলাস হলো অস্বাভাবিক আকারের কঠিন বস্তু, যা প্রস্রাবে থাকা স্ফটিক, খনিজ ও লবণ জমে তৈরি হয়। কিছু পাথর প্রসাবের সময় বাধা সৃষ্টিসহ তীব্র ব্যথার কারণ হতে পারে। এই পাথর কিডনির কেন্দ্রে অবস্থিত রেনাল পেলভিসের কাছে দেখা যেতে পারে, যেখানে প্রস্রাব জমা হয়। আবার ইউরেটারের মাঝামাঝি অংশ বা মূত্রথলির সংযোগস্থলেও পাথর অবস্থান করতে পারে।

ভরা পেটে তরমুজ খেলে কী হয়?Watermelon (1)

ইউরেটেরাল পাথরের আকার বিভিন্ন হতে পারে। খুব ছোট পাথর (যা খালি চোখে দেখা যায় না) সাধারণত প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে যায় এবং কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। তবে পাথর যত বড় হয়, স্বাভাবিকভাবে বের হওয়ার সম্ভাবনা তত কমে এবং উপসর্গ দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

মূত্রনালীতে পাথর হলে ব্যথা নিচের পেটের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রতীকী ছবি ফ্রিপিক
মূত্রনালীতে পাথর হলে ব্যথা নিচের পেটের দিকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রতীকী ছবি ফ্রিপিক

যেসব উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে–

  • পিঠের নিচের দিকে ও পাঁজরের নিচে তীব্র ব্যথা
  • ব্যথা নিচের পেটের দিকে ছড়িয়ে পড়া
  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া
  • বমি বমি ভাব ও বমি
  • রক্তমিশ্রিত বা অস্বাভাবিক রঙের প্রস্রাব (বাদামি, গোলাপি বা লাল)
  • ঘোলাটে প্রস্রাব
  • ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ
  • অল্প পরিমাণ প্রস্রাব হওয়া

পাথরের সঙ্গে যদি মূত্রনালীর সংক্রমণ থাকে, তবে জ্বর, কাঁপুনি বা অসুস্থ বোধও হতে পারে।

এই সমস্যা কেন হয়

প্রস্রাবে পাথর তৈরির উপাদান (স্ফটিক) বেশি পরিমাণে জমে গেলে এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কম থাকলে পাথর তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানি পান করলে এসব উপাদান পাতলা হয়ে যায় এবং পাথর গঠনের ঝুঁকি কমে।

এই গরমে দইবড়া কেন খাবেনdoibada

মূত্রনালীর পাথরে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে। যেমন–

  • পুরুষদের ক্ষেত্রে (তবে নারী ও শিশুরাও আক্রান্ত হতে পারে)
  • বয়স ৪০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হলে
  • আগে কিডনিতে পাথর হওয়ার রেকর্ড থাকলে
  • পরিবারে কারো এই সমস্যা থাকলে
  • পর্যাপ্ত প্রস্রাব না হলে (যা পানি পান, ঘাম ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে)
  • টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকলে
  • বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ৩০-এর বেশি হলে
  • দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়াজনিত রোগ যেমন ক্রোনস ডিজিজ বা আলসারেটিভ কোলাইটিস থাকলে
  • পলিসিস্টিক কিডনি রোগ থাকলে
মূত্রনালীর পাথরে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন। প্রতীকী ছবি: ফ্রিপিক
মূত্রনালীর পাথরে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন। প্রতীকী ছবি: ফ্রিপিক

ঝুঁকি কমানোর উপায়

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আনলে এ ধরনের পাথরের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

নিচে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের ডাক্তারদের কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো–

  • বেশি করে তরল পান করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার পানি বা তরল গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পানি সবচেয়ে ভালো, তবে লেবুর শরবত বা কমলার রসও উপকারী।
  • প্রাণিজ প্রোটিন (মাংস, ডিম, মাছ) কম খেতে হবে, কারণ এগুলো শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়। এর বিকল্প হিসেবে ডাল, শিম, মটরশুঁটি খাওয়া যেতে পারে।
  • লবণ (সোডিয়াম) গ্রহণ সীমিত করুন। প্রতিদিন এক হাজার ৫০০ মিলিগ্রামের কম লবণ গ্রহণ পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। খাবারে লবণের পরিবর্তে ভেষজ, মসলা, লেবুর রস বা ফ্লেভারযুক্ত ভিনেগার ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • অক্সালেটযুক্ত খাবার কম খেতে হবে। পালং শাক, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম ও আলুতে অক্সালেট বেশি থাকে। ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ও পানীয় অক্সালেটের স্ফটিক হওয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে।

বিষয়:

ডাক্তারের পরামর্শরোগজীবনধারাজীবনস্বাস্থ্যডাক্তার
১

সংসদে উত্তাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘কিছুটা চিন্তিত’ স্পিকার

২

কবি নজরুলের কি সিফিলিস রোগ ছিল?

৩

হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা?

৪

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে সালাহউদ্দিন

৫

স্ত্রীসহ নভোথিয়েটারের সাবেক মহাপরিচালকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সম্পর্কিত

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

কেন প্রচলিত ‘ক্যারিয়ার পরামর্শ’ জেন জির ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে

সম্ভবত এটাই আগামী দিনের কর্মজগতের নতুন বাস্তবতা, যেখানে সাফল্যের মাপকাঠি কেবল পদোন্নতি বা চাকরির দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা নয়; বরং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

ওয়েট লিফটিং কেন নারীদের জন্য সেরা ব্যায়াম

অনেকেই মনে করেন ওজন তুললে নারীরা পুরুষদের মতো পেশীবহুল ও চওড়া হয়ে যাবেন। তবে বিজ্ঞানী জে. ই. আর্প ও তার সহযোগীদের গবেষণা বলছে, পেশীর বৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোনের ওপর।

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকালের নাশতায় ফল খেলে কী হয়

সকাল ৭-১১টা পর্যন্ত আমাদের শরীরে বিপাকীয় কার্যক্রম বেশি সক্রিয় থাকে। এ সময়ে হালকা খাবার খেলে বিপাকের হার বেড়ে যায়। অনেক পুষ্টিবিদরা সকালে খালি পেটে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন কারণ সারারাত দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে এনার্জির দরকার হয়।

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

দুধ নাকি দইঃ কার পুষ্টি বেশি

যারা দুগ্ধজাত খাবার পছন্দ করেন, তাদের কাছে দুধ আর দইয়ের মধ্যে একটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন হতে পারে। এক সময় বলা হতো দুধ একটি ‘আদর্শ’ খাবার। তবে এখন পুষ্টিবিদদের কাছে দুধ ও দই— দুটিই ‘সুপারফুড’। এর অবশ্য যথাযথ কারণও আছে। উভয়েরই রয়েছে নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। দুধ দুধে আছে প্রচুর পরিমাণ