চরচা ডেস্ক

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পৌরসভার বাঁশেরতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শামীম মিয়ার মেয়ে ছাদিয়া আক্তার (৭), একই এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী (২৮) এবং মাইক্রোবাসের চালক লিমন (৩৮)।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে কুড়িগ্রাম থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাইক্রোবাসের যাত্রীরা ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলমান।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পৌরসভার বাঁশেরতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন— ভুরুঙ্গামারী উপজেলার শামীম মিয়ার মেয়ে ছাদিয়া আক্তার (৭), একই এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে নুরনবী (২৮) এবং মাইক্রোবাসের চালক লিমন (৩৮)।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে কুড়িগ্রাম থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের মধ্যে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাইক্রোবাসের যাত্রীরা ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত চলমান।