চরচা প্রতিবেদক

কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষক ও ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নের পৃথক দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে চরএকরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যখন নিয়মিত ক্লাস চলছিল, ঠিক তখনই বিকট শব্দে বজ্রপাত আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ভবন কেঁপে ওঠে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম ও সাত শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছে সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এই স্কুলের ফাতেমা বেগম দোলা নামে এক আহত শিক্ষার্থী জানান, “হঠাৎ করে প্রচণ্ড শব্দে মনে হয় বিদ্যালয়ের ওপরেই বজ্রপাত হয়েছে। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাথা ঘুরে যায়, এরপর আর কিছু মনে নেই।”
এদিকে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বজ্রপাতের বিকট শব্দে আরও আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদেরও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, “বজ্রপাতের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়ে যায়। আতঙ্ক থেকেই অনেকেই জ্ঞান হারায়। দ্রুত তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, দাদপুর বিদ্যালয় থেকে আটজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে কারো শারীরিক অবস্থা গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর তারা এখন অনেকটাই সুস্থ।
আব্দুল কাদের আরও বলেন, “মূলত বজ্রপাতের সরাসরি আঘাতের চেয়ে এর বিকট শব্দ ও ভয় থেকেই শিক্ষার্থীরা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।”

কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষক ও ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে চরএকরিয়া ও আলীমাবাদ ইউনিয়নের পৃথক দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে চরএকরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যখন নিয়মিত ক্লাস চলছিল, ঠিক তখনই বিকট শব্দে বজ্রপাত আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ভবন কেঁপে ওঠে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম ও সাত শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছে সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এই স্কুলের ফাতেমা বেগম দোলা নামে এক আহত শিক্ষার্থী জানান, “হঠাৎ করে প্রচণ্ড শব্দে মনে হয় বিদ্যালয়ের ওপরেই বজ্রপাত হয়েছে। আমরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাথা ঘুরে যায়, এরপর আর কিছু মনে নেই।”
এদিকে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বজ্রপাতের বিকট শব্দে আরও আট শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদেরও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, “বজ্রপাতের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে শিক্ষার্থীরা ভয় পেয়ে যায়। আতঙ্ক থেকেই অনেকেই জ্ঞান হারায়। দ্রুত তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের জানান, দাদপুর বিদ্যালয় থেকে আটজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে কারো শারীরিক অবস্থা গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর তারা এখন অনেকটাই সুস্থ।
আব্দুল কাদের আরও বলেন, “মূলত বজ্রপাতের সরাসরি আঘাতের চেয়ে এর বিকট শব্দ ও ভয় থেকেই শিক্ষার্থীরা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।”

পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। পদোন্নতির দাবিতে শুরু হওয়া কর্মবিরতি, শাটডাউন এবং সর্বশেষ অসহযোগ কর্মসূচির কারণে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অসহায় হয়ে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।