চরচা প্রতিবেদক

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ক্রিকেটার পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। এই ঘটনায় এরই মধ্যে পুলিশের এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।
নাঈম হাসানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনার সূত্রপাত। ডিপিএল খেলে নিজ শহর চট্টগ্রামের বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন নাঈম। নগরীর লালখান বাজার ফ্লাইওভারের সামনে তাকে বহন করা অটোরিকশাটি থামিয়ে দেওয়া হয়। ডিবি পরিচয়ে তিনজন ব্যক্তি তাকে তল্লাশি শুরুর পর একপর্যায়ে গায়েও হাত তোলেন।
কাঁদতে কাঁদতে নাঈম বলেন, “তারা কয়েকজন আমার অটোরিকশাকে আটকে ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নিল। আমি পুলিশকে আমার ব্যাগ চেক করতে বলি। এরপরই একজন আমার গলাচিপে ধরে বলল, ‘তুই গাড়িতে উঠ।’ এই বলে আমাকে গাড়িতে তুলল। আমি এরপর তাদের ধাক্কা দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে যাই। তখনই তারা আমার গলা টিপে ধরে আর হেনস্তা করে। সেখানে পুলিশ ছিল দুজন, আরেকজন সাদা পোশাক পরা। সে কোনো পরিচয় দেয়নি।’’
নাঈম বলেন, ‘‘কোনো কথা না শুনে শুধু আমাকে মারছিল পাইপ দিয়ে। পরে ১০০-২০০ মানুষ চলে আসে সেখানে, তারা আমার পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাকে মারছিল। তারা বলতেছিল, ‘তুই আসামি, কথা বলবি না।’ আমি তাদেরকে আমার আইডি কার্ডও দেখিয়েছি, ক্রিকেটার পরিচয় দিয়েছি, তাও আমাকে মারছিল।”
নাঈমের মতে, এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাঈম বলেন, “আজ পর্যন্ত পুলিশ-আর্মি আমাদেরকে তল্লাশির জন্য ডাকলে আমরা গাড়ি থেকে নামি, উনারা চেক করে এরপর ছেড়ে দেয়। কিন্তু তারা গায়ে হাত দেবে কেন? পুলিশের সঙ্গে থাকা সেই লোকটা আমাকে মারছে, পুলিশও লাঠি দিয়ে মারছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। আজকে আমার সঙ্গে হয়েছে। আমি ক্রিকেটার, সবাই চেনে তাই অনেক লোক এসেছে থানায়। কিন্তু একজন সাধারণ ব্যক্তির জন্য তো কেউ থানায় আসবে না।”
অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা
নাঈমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু মারধরই নয়, তাকে ওই তিন ব্যক্তি মিলে আরেকটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করে। সেখানে পুলিশের গাড়িও ছিল। তবে মারধরের একপর্যায়ে জোর করে নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় ওসির কক্ষেও আরেক দফা হেনস্তার অভিযোগ তোলেন নাঈম। তিনি দাবি করেন, “ওসিকে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বলছিলাম, ওসি বারবার আমাকে চোখ নিচু করে কথা বলতে বলেন। এই সময়ে একটি ফোন কল পেয়ে ওসি শান্ত হন।”
কঠিন এই সময়ে সবার আগে বিসিবির দ্বারস্থ হয়েছিলেন নাঈম। তিনি বলেন, “অটোরিকশা থেকে নামানোর পর আমার কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। থানায় আসার পর ফোনটি হাতে পেয়ে আমি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালকে ফোন করি। তিনি বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরুকে বিষয়টি জানান। এরপর তারা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি এরপরই ঠান্ডা হয়ে যায়।”
একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার তার পরিচয় দেওয়ার পরও কেন তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে, এর সদুত্তর এখনো দিতে পারেনি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা চরচাকে জানান, তাদের কাছে তথ্য ছিল অটোরিকশায় করে সোনার চোরাচালান আসবে। আর এর ভিত্তিতেই লালখানবাজার এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য।
তিন পুলিশকে প্রত্যাহার
খুলশি থানার ওসি আরিফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নাঈমকে হয়রানি করা খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও অভিযানে থাকা আরেক কনস্টেবলকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
যা বলছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ
আজ শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, খুলশী থানার লালখান বাজার এলাকায় ক্রিকেটার নাঈমের সঙ্গে খুলশী থানা পুলিশের টহল দলের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিআর) আমিনুর রশিদের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত খুলশী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম ভূইয়া ও তার সঙ্গে থাকা কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বিসিবির নিন্দা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিবৃতি দিয়ে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। নাঈমকে সব ধরনের সহযোগিতা করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সংস্থা।
দোষীদের শাস্তির দাবি কোয়াবের
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি ও ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন চরচাকে বলেছেন, “যে তথ্যের ভিত্তিতেই হোক না কেন, জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এই আচরণ মেনে নেওয়ার মতো নয়। আর নাঈম তো নিজের পরিচয়ও দিয়েছে। কোয়াবের পক্ষ থেকে আমরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।”

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ক্রিকেটার পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। এই ঘটনায় এরই মধ্যে পুলিশের এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান।
নাঈম হাসানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনার সূত্রপাত। ডিপিএল খেলে নিজ শহর চট্টগ্রামের বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন নাঈম। নগরীর লালখান বাজার ফ্লাইওভারের সামনে তাকে বহন করা অটোরিকশাটি থামিয়ে দেওয়া হয়। ডিবি পরিচয়ে তিনজন ব্যক্তি তাকে তল্লাশি শুরুর পর একপর্যায়ে গায়েও হাত তোলেন।
কাঁদতে কাঁদতে নাঈম বলেন, “তারা কয়েকজন আমার অটোরিকশাকে আটকে ড্রাইভারের থেকে কাগজপত্র নিল। আমি পুলিশকে আমার ব্যাগ চেক করতে বলি। এরপরই একজন আমার গলাচিপে ধরে বলল, ‘তুই গাড়িতে উঠ।’ এই বলে আমাকে গাড়িতে তুলল। আমি এরপর তাদের ধাক্কা দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে যাই। তখনই তারা আমার গলা টিপে ধরে আর হেনস্তা করে। সেখানে পুলিশ ছিল দুজন, আরেকজন সাদা পোশাক পরা। সে কোনো পরিচয় দেয়নি।’’
নাঈম বলেন, ‘‘কোনো কথা না শুনে শুধু আমাকে মারছিল পাইপ দিয়ে। পরে ১০০-২০০ মানুষ চলে আসে সেখানে, তারা আমার পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাকে মারছিল। তারা বলতেছিল, ‘তুই আসামি, কথা বলবি না।’ আমি তাদেরকে আমার আইডি কার্ডও দেখিয়েছি, ক্রিকেটার পরিচয় দিয়েছি, তাও আমাকে মারছিল।”
নাঈমের মতে, এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাঈম বলেন, “আজ পর্যন্ত পুলিশ-আর্মি আমাদেরকে তল্লাশির জন্য ডাকলে আমরা গাড়ি থেকে নামি, উনারা চেক করে এরপর ছেড়ে দেয়। কিন্তু তারা গায়ে হাত দেবে কেন? পুলিশের সঙ্গে থাকা সেই লোকটা আমাকে মারছে, পুলিশও লাঠি দিয়ে মারছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। আজকে আমার সঙ্গে হয়েছে। আমি ক্রিকেটার, সবাই চেনে তাই অনেক লোক এসেছে থানায়। কিন্তু একজন সাধারণ ব্যক্তির জন্য তো কেউ থানায় আসবে না।”
অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা
নাঈমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু মারধরই নয়, তাকে ওই তিন ব্যক্তি মিলে আরেকটি অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করে। সেখানে পুলিশের গাড়িও ছিল। তবে মারধরের একপর্যায়ে জোর করে নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানায় ওসির কক্ষেও আরেক দফা হেনস্তার অভিযোগ তোলেন নাঈম। তিনি দাবি করেন, “ওসিকে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বলছিলাম, ওসি বারবার আমাকে চোখ নিচু করে কথা বলতে বলেন। এই সময়ে একটি ফোন কল পেয়ে ওসি শান্ত হন।”
কঠিন এই সময়ে সবার আগে বিসিবির দ্বারস্থ হয়েছিলেন নাঈম। তিনি বলেন, “অটোরিকশা থেকে নামানোর পর আমার কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। থানায় আসার পর ফোনটি হাতে পেয়ে আমি বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালকে ফোন করি। তিনি বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরুকে বিষয়টি জানান। এরপর তারা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি এরপরই ঠান্ডা হয়ে যায়।”
একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার তার পরিচয় দেওয়ার পরও কেন তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে, এর সদুত্তর এখনো দিতে পারেনি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা চরচাকে জানান, তাদের কাছে তথ্য ছিল অটোরিকশায় করে সোনার চোরাচালান আসবে। আর এর ভিত্তিতেই লালখানবাজার এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য।
তিন পুলিশকে প্রত্যাহার
খুলশি থানার ওসি আরিফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নাঈমকে হয়রানি করা খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও অভিযানে থাকা আরেক কনস্টেবলকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
যা বলছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ
আজ শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, খুলশী থানার লালখান বাজার এলাকায় ক্রিকেটার নাঈমের সঙ্গে খুলশী থানা পুলিশের টহল দলের সঙ্গে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিআর) আমিনুর রশিদের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত খুলশী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. শফিকুল ইসলাম ভূইয়া ও তার সঙ্গে থাকা কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বিসিবির নিন্দা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিবৃতি দিয়ে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। নাঈমকে সব ধরনের সহযোগিতা করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সংস্থা।
দোষীদের শাস্তির দাবি কোয়াবের
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি ও ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন চরচাকে বলেছেন, “যে তথ্যের ভিত্তিতেই হোক না কেন, জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এই আচরণ মেনে নেওয়ার মতো নয়। আর নাঈম তো নিজের পরিচয়ও দিয়েছে। কোয়াবের পক্ষ থেকে আমরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।”

নাঈম হাসানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনার সূত্রপাত। ডিপিএল খেলে নিজ শহর চট্টগ্রামের বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন নাঈম। নগরীর লালখান বাজার ফ্লাইওভারের সামনে তাকে বহন করা অটোরিকশাটি থামিয়ে দেওয়া হয়। ডিবি পরিচয়ে তিনজন ব্যক্তি তাকে তল্লাশি শুরুর