চরচা প্রতিবেদক

মুখোমুখি প্রথম বলেই প্রায় বাউন্ডারির দেখা পেয়ে যাচ্ছিলেন। সেটা না হলেও ইনিংসের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। অন্যপ্রান্তে ব্যাটসম্যানরা যখন রানের জন্য লড়ছিলেন, তখন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার চার-ছক্কার মারে চাপের মুখে উপহার দিলেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। দেখে কে বলবে, চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি! ছয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ৭০ বলে ৭ চার ৩ ছক্কায় ৮৬ রান করে!
মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মোসাদ্দেক ও নাজমুল হোসেনের ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান করেছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মিরাজ বলেছিলেন, মোসাদ্দেক খেলবেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে। ব্যাট হাতে ফর্মেও ছিলেন মোসাদ্দেক। ডিপিএলে প্রায় ১২৫ স্ট্রাইক রেটে ৩০০-র বেশি রান করে জায়গা করে নিয়েছেন দলে। ঘরোয়া ক্রিকেটের সেই ফর্ম টেনে আনলেন আন্তর্জাতিক মঞ্চেও।
মোসাদ্দেকের ইনিংসটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে উল্টো দিকে তাওহীদ হৃদয়ের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে। পাঁচ নম্বরে নেমে গোটা ইনিংসেই রানের জন্য সংগ্রাম করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ফলে জুটিতে চাপ বেড়ে যায়, আর সেই চাপ সামাল দেওয়ার দায়িত্বটা প্রায় একাই কাঁধে তুলে নেন মোসাদ্দেক।
ইনিংসের শুরুতে অবশ্য জীবন পেয়েছেন মোসাদ্দেক! কনোলি সহজ ক্যাচটা না ছাড়লে ২২ রানেই আউট হয়ে যেতেন! তবে নতুন জীবন দারুণভাবেই কাজে লাগিয়েছেন মোসাদ্দেক। ৪৯ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে ফিফটি। দলীয় ২১৯ রানে মিরাজের বিদায়ের পর ৪৪তম ওভারে স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার ওপর ছোট্ট এক ঝড়ও তুললেন! ওভারের প্রথম বলে রিভার্স সুইপে চার মারার পরের বলে লং-অফ দিয়ে হাঁকান ছক্কা। পরের বলেই আসে আরেকটি বাউন্ডারি।
মোসাদ্দেকের পাশাপাশি শেষ দিকে তাসকিন আহমেদের ১৬ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে ২৮০ পেরোয় বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশের আক্ষেপ অবশ্যই ৩০০ রান না করতে পারা। ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো উইকেটে শক্ত অবস্থানে থেকেও বারবার পথ হারিয়েছে তারা। সেটা অবশ্য নতুন কিছুও নয়। অচেনা কিংবা অখ্যাত বোলারদের বিপক্ষে প্রায়ই খেই হারায় বাংলাদেশের ব্যাটিং। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুর্দান্ত শুরুর পর ম্যাট রেনশর সাধারণ মানের স্পিনেই বিপাকে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
সাইফ হাসান (৫) আরও একবার বাজে শটে আউট হয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন। তবে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন পাল্টা আক্রমণে চমকে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। ওভারপ্রতি ৬ রানের বেশি তুলে তাদের জুটি শক্ত ভিত গড়ে দেয় দলের ইনিংসে। ১২২ স্ট্রাইক রেটে ৫৪ রান করা তানজিদের ব্যাটে বড় ইনিংসের আভাস ছিল। কিন্তু ন্যাথান এলিসের শিকার হওয়ার পর নাজমুলের রানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
সেই চাপ কাটাতে গিয়ে রেনশকে ইনসাইড-আউট করে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন নাজমুল। তবে সেটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। ৬৭ রানে থামে তার ইনিংস। এর আগে রেনশর বলেই বিদায় নেন লিটন দাস। একবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলেও পরে রিটার্ন ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মাত্র ৭ রানে। এরপর পঞ্চম উইকেটে তাওহীদকে (৩১) নিয়ে ৭৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মোসাদ্দেক।

মুখোমুখি প্রথম বলেই প্রায় বাউন্ডারির দেখা পেয়ে যাচ্ছিলেন। সেটা না হলেও ইনিংসের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। অন্যপ্রান্তে ব্যাটসম্যানরা যখন রানের জন্য লড়ছিলেন, তখন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার চার-ছক্কার মারে চাপের মুখে উপহার দিলেন ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। দেখে কে বলবে, চার বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি! ছয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ৭০ বলে ৭ চার ৩ ছক্কায় ৮৬ রান করে!
মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মোসাদ্দেক ও নাজমুল হোসেনের ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৪ রান করেছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক মিরাজ বলেছিলেন, মোসাদ্দেক খেলবেন ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে। ব্যাট হাতে ফর্মেও ছিলেন মোসাদ্দেক। ডিপিএলে প্রায় ১২৫ স্ট্রাইক রেটে ৩০০-র বেশি রান করে জায়গা করে নিয়েছেন দলে। ঘরোয়া ক্রিকেটের সেই ফর্ম টেনে আনলেন আন্তর্জাতিক মঞ্চেও।
মোসাদ্দেকের ইনিংসটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে উল্টো দিকে তাওহীদ হৃদয়ের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে। পাঁচ নম্বরে নেমে গোটা ইনিংসেই রানের জন্য সংগ্রাম করেছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ফলে জুটিতে চাপ বেড়ে যায়, আর সেই চাপ সামাল দেওয়ার দায়িত্বটা প্রায় একাই কাঁধে তুলে নেন মোসাদ্দেক।
ইনিংসের শুরুতে অবশ্য জীবন পেয়েছেন মোসাদ্দেক! কনোলি সহজ ক্যাচটা না ছাড়লে ২২ রানেই আউট হয়ে যেতেন! তবে নতুন জীবন দারুণভাবেই কাজে লাগিয়েছেন মোসাদ্দেক। ৪৯ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে ফিফটি। দলীয় ২১৯ রানে মিরাজের বিদায়ের পর ৪৪তম ওভারে স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার ওপর ছোট্ট এক ঝড়ও তুললেন! ওভারের প্রথম বলে রিভার্স সুইপে চার মারার পরের বলে লং-অফ দিয়ে হাঁকান ছক্কা। পরের বলেই আসে আরেকটি বাউন্ডারি।
মোসাদ্দেকের পাশাপাশি শেষ দিকে তাসকিন আহমেদের ১৬ বলে ২০ রানের ক্যামিওতে ২৮০ পেরোয় বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশের আক্ষেপ অবশ্যই ৩০০ রান না করতে পারা। ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো উইকেটে শক্ত অবস্থানে থেকেও বারবার পথ হারিয়েছে তারা। সেটা অবশ্য নতুন কিছুও নয়। অচেনা কিংবা অখ্যাত বোলারদের বিপক্ষে প্রায়ই খেই হারায় বাংলাদেশের ব্যাটিং। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুর্দান্ত শুরুর পর ম্যাট রেনশর সাধারণ মানের স্পিনেই বিপাকে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।
সাইফ হাসান (৫) আরও একবার বাজে শটে আউট হয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন। তবে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন পাল্টা আক্রমণে চমকে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। ওভারপ্রতি ৬ রানের বেশি তুলে তাদের জুটি শক্ত ভিত গড়ে দেয় দলের ইনিংসে। ১২২ স্ট্রাইক রেটে ৫৪ রান করা তানজিদের ব্যাটে বড় ইনিংসের আভাস ছিল। কিন্তু ন্যাথান এলিসের শিকার হওয়ার পর নাজমুলের রানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
সেই চাপ কাটাতে গিয়ে রেনশকে ইনসাইড-আউট করে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন নাজমুল। তবে সেটিই কাল হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। ৬৭ রানে থামে তার ইনিংস। এর আগে রেনশর বলেই বিদায় নেন লিটন দাস। একবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলেও পরে রিটার্ন ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মাত্র ৭ রানে। এরপর পঞ্চম উইকেটে তাওহীদকে (৩১) নিয়ে ৭৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন মোসাদ্দেক।