চরচা ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে ইরান বলেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না।”
আজ রোববার এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
ট্রাম্প সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কয়েক দিনের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের সময় কোনো হামলা চালানো হয়নি। চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করা সম্ভব ছিল, কিন্তু তা করলে আলোচনার জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকত না।
এছাড়া খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
এর জবাবে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনারা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন। কিন্তু আসলে একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙেছেন, যার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব আপনি বুঝবেন না। কারণ, আপনাদের সভ্যতা, ইতিহাস কিংবা সম্মান–কোনোটিই নেই।”
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের জবাবে ইরান বলেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে হত্যা করা যায় না।”
আজ রোববার এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
ট্রাম্প সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কয়েক দিনের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের সময় কোনো হামলা চালানো হয়নি। চাইলে সেখানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করা সম্ভব ছিল, কিন্তু তা করলে আলোচনার জন্য আর কেউ অবশিষ্ট থাকত না।
এছাড়া খামেনির মৃত্যুতে মানুষের শোক প্রকাশ নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার ধারণা ছিল, ইরানের মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করত।
এর জবাবে আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভানে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছে, “মানুষকে হত্যা করা যায়, কিন্তু আদর্শকে নয়। আপনারা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করেছেন। কিন্তু আসলে একটি সুগন্ধির বোতল ভেঙেছেন, যার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব আপনি বুঝবেন না। কারণ, আপনাদের সভ্যতা, ইতিহাস কিংবা সম্মান–কোনোটিই নেই।”
গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানজুড়ে চালানো ইসরায়েলি ও মার্কিন যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই শীর্ষ নেতা।
আলি খামেনির মৃত্যুর মাধ্যমে ইরানের ইতিহাসে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এক অধ্যায়ের অবসান ঘটে। ১৯৮৯ সালে দেশটির প্রথম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর তিনি দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রধান অভিভাবক ও নীতি-নির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।