
যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আবার রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি। আসলে সেখানে কী হচ্ছে তার বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

অনেককে ইরানের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা গেছে। আবার কিছু মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বানসংবলিত প্ল্যাকার্ডও বহন করছিলেন।

ইরাক থেকে ইরানে ফিরিয়ে আনা হলো নিহত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ। ৯ জুলাই মাঝআকাশে ধারণ করা এই বিশেষ ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, খামেনির কফিন বহনকারী বিমানটিকে মাঝআকাশে নিরাপত্তা দিয়ে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইরানি বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান।
যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আবার রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি। আসলে সেখানে কী হচ্ছে তার বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করার প্রস্তুতি চলছে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহর ঘুরে লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে কয়েকদিনব্যাপী জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বৃহস্পতিবার এই দাফন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আবার রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি। আসলে সেখানে কী হচ্ছে তার বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

তেহরান যুদ্ধ থেকে অর্জিত সুবিধাকে স্থায়ী কৌশলগত প্রভাবে পরিণত করতে চায় এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিজের প্রভাবশালী অবস্থানকে স্বীকৃতি আদায় করতে চাইছে।

কর্মসূচি অনুযায়ী, ইরানের সবচেয়ে পবিত্র তীর্থভূমি মাশহাদ শহরে আগামী বৃহস্পতিবার খামেনির মরদেহ সমাহিত করার কথা রয়েছে। তবে তার আগে শেষ শ্রদ্ধার জন্য তার মরদেহ ইরান ও ইরাকের শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় শহরগুলোতে নেওয়া হচ্ছে। এখন খামেনির মৃতদেহ আছে পবিত্র শহর কোমে।

যে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে ডোনাল্ড ট্রাম্প মনে করেছিলেন, ইরান জয় করে ফেলেছেন, সেই নেতার রাজসিক বিদায়কে তিনি কোনোভাবে মেনে নিতে পারেননি। তিনি ভেবেছিলেন, ইরানের মানুষ তাকে ঘৃণা করে। আজ খামেনির শেষকৃত্যে লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়ে জানিয়ে দিল, কাকে তারা ঘৃণা করে। কাকে ভালোবাসে। অস্ত্র ও শক্তি দিয়ে

যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আবার রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকি। আসলে সেখানে কী হচ্ছে তার বিস্তারিত শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের বিশ্লেষণে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির বিদায়ী জানাজায় ট্রাম্পের ওপর চরম প্রতিশোধের বজ্রশপথ নেওয়া হয়েছে। কারবালার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের চেতনাকে শক্তিতে রূপান্তর করে তেহরানের মোসাল্লা প্রাঙ্গণে লাখো জনতা ‘ডেথ টু আমেরিকা’ স্লোগানে ফেটে পড়ে।

শিয়া মতাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে পরিচিত ইরাকের নাজাফ এবং ঐতিহাসিক কারবালা শহর এখন এক মহাউপলক্ষে প্রস্তুত হচ্ছে। ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর মরদেহ আগামী ৮ জুলাই ইরাকে নেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ তম বার্ষিকী পালনে ব্যস্ত তখন ইরান তাদের প্রয়াত ধর্মগুরু আয়াতোল্লা আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে। প্রায় ৭ দিন ধরে চলা এই দাফন অনুষ্ঠানে অলিখিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শতাধিক নেতৃবৃন্দ যোগ দিয়েছেন।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন আজ সোমবার রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হবে। গতকাল রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কফিন আজ সোমবার রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে নেওয়া হবে। গতকাল রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।