বরিশাল প্রতিনিধি

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছে শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
আজ রোববার বিকেলে বরিশাল টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন,“এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে বাংলাদেশি প্রবাসীরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
ইতিমধ্যে ১০টি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আইনি সহায়তা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
নুরুল হক নুর আরও বলেন,“বর্তমান সরকারের ইশতেহারে বলা হয়েছিল এক কোটি বিদেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। সেটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১০৪টি জেনারেল টিটিসি আছে এবং ৬টি মেরিল টিটিসিগুলো পরিদর্শন করার মধ্য দিয়ে আমরা দেখার এবং বোঝার চেষ্টা করছি যে এখানে কি সক্ষমতা আছে এবং কি সক্ষমতা অ্যাড করতে হবে।”
বরিশালের টিটিসি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,“বরিশালের সক্ষমতা বেশ ভাল। এখানে মোট ৫৫টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এখানে সবগুলো ট্রেড চালু করা দরকার। এজন্য এখানে যারা দায়িত্বশীল আছে তাদের সাথে কথা বলে বাকি কোর্সগুলো চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছে শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
আজ রোববার বিকেলে বরিশাল টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন,“এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে বাংলাদেশি প্রবাসীরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”
ইতিমধ্যে ১০টি দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আইনি সহায়তা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে আরও সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
নুরুল হক নুর আরও বলেন,“বর্তমান সরকারের ইশতেহারে বলা হয়েছিল এক কোটি বিদেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। সেটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১০৪টি জেনারেল টিটিসি আছে এবং ৬টি মেরিল টিটিসিগুলো পরিদর্শন করার মধ্য দিয়ে আমরা দেখার এবং বোঝার চেষ্টা করছি যে এখানে কি সক্ষমতা আছে এবং কি সক্ষমতা অ্যাড করতে হবে।”
বরিশালের টিটিসি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,“বরিশালের সক্ষমতা বেশ ভাল। এখানে মোট ৫৫টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি এখানে সবগুলো ট্রেড চালু করা দরকার। এজন্য এখানে যারা দায়িত্বশীল আছে তাদের সাথে কথা বলে বাকি কোর্সগুলো চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”