চরচা ডেস্ক

একটি তথ্যচিত্রে নিজের ভাষণ কেটেকুটে দেখানোর অভিযোগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিরুদ্ধে ১ হাজার কোটি ডলারের মামলা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মামলা বাতিল করার জন্য বিবিসি আদালতে আবেদন করেছে। আর সেই আবেদনের জবাব দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের সময় শেষ হবে আজ অর্থাৎ ১ জুন।
বিবিসি অবশ্য বলছে, ট্রাম্প তো আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেনই, তাই তার সম্মানের কোনো ক্ষতি হয়েছে এমন দাবি আসলে খাটে না। আজ ট্রাম্প তার জবাব দেওয়ার পর, এর বিপরীতে কথা বলার জন্য বিবিসি ১৫ জুন পর্যন্ত সময় পাবে।
ট্রাম্পের অভিযোগ, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি দেওয়া তার একটি ভাষণের ভিডিও এডিট করে এমনভাবে জোড়াতালি দেওয়া হয়েছে, যেন মনে হয় তিনিই তার সমর্থকদের মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালাতে বলেছিলেন। ওই দিন জো বাইডেনের জয়ের স্বীকৃতি দিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা সেখানে বৈঠকে বসেছিলেন।
এই তথ্যচিত্র নিয়ে তুমুল বিতর্ক ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে গত নভেম্বরে বিবিসির প্রধান নির্বাহী এবং সংবাদ প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
শুধু বিবিসিই নয়, নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ আরও বেশ কয়েকটি বড় সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধেও মানহানির মামলা করেছেন ট্রাম্প।
সমালোচকদের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় সাংবাদিকদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছে এবং সমালোচক সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই কারণে সংবাদমাধ্যমগুলোও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউজ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে উদার প্রেসিডেন্ট এবং তার সরকার সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ আগের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।

একটি তথ্যচিত্রে নিজের ভাষণ কেটেকুটে দেখানোর অভিযোগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিরুদ্ধে ১ হাজার কোটি ডলারের মামলা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মামলা বাতিল করার জন্য বিবিসি আদালতে আবেদন করেছে। আর সেই আবেদনের জবাব দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের সময় শেষ হবে আজ অর্থাৎ ১ জুন।
বিবিসি অবশ্য বলছে, ট্রাম্প তো আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেনই, তাই তার সম্মানের কোনো ক্ষতি হয়েছে এমন দাবি আসলে খাটে না। আজ ট্রাম্প তার জবাব দেওয়ার পর, এর বিপরীতে কথা বলার জন্য বিবিসি ১৫ জুন পর্যন্ত সময় পাবে।
ট্রাম্পের অভিযোগ, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি দেওয়া তার একটি ভাষণের ভিডিও এডিট করে এমনভাবে জোড়াতালি দেওয়া হয়েছে, যেন মনে হয় তিনিই তার সমর্থকদের মার্কিন ক্যাপিটল ভবনে হামলা চালাতে বলেছিলেন। ওই দিন জো বাইডেনের জয়ের স্বীকৃতি দিতে মার্কিন আইনপ্রণেতারা সেখানে বৈঠকে বসেছিলেন।
এই তথ্যচিত্র নিয়ে তুমুল বিতর্ক ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে গত নভেম্বরে বিবিসির প্রধান নির্বাহী এবং সংবাদ প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
শুধু বিবিসিই নয়, নিউ ইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ আরও বেশ কয়েকটি বড় সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধেও মানহানির মামলা করেছেন ট্রাম্প।
সমালোচকদের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় সাংবাদিকদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছে এবং সমালোচক সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই কারণে সংবাদমাধ্যমগুলোও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউজ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে উদার প্রেসিডেন্ট এবং তার সরকার সাংবাদিকদের কাজের সুযোগ আগের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।