
শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে কোনো নেতা, দল বা নির্বাচন কমিশন একা নয়; তাকে বাঁচিয়ে রাখে প্রশ্ন করতে পারা সাহসী মানুষ। আর রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত শুরু হয় তখনই, যখন সে মানুষের প্রশ্নকে ভয় পেতে শেখে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আর পদে থাকছেন না বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। খবরে বলা হচ্ছে, তিনি পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানানো হয়নি।

চিকিৎসা বিদ্যায় ভর্তির পরীক্ষা নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিষয়টিকে ‘পাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের কর্মীরা নেতা-মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর মান নিয়ে বিচলিত হতেন। সেই সময়ে নেতা-মন্ত্রী এবং তাদের মান নিয়ে বিচলিত সাগরেদদের কাউকে এখন দেখা যাচ্ছে না। চার মাস বয়সী বিএনপির সরকারকে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিলাম মাত্র।

এ ধরনের পদক্ষেপ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে দুর্বল করতে পারে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে সীমিত করতে পারে এবং এতে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গণমাধ্যমের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ভূমিকা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যে তীব্র বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। ট্রাম্প গইতালীয় একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ‘অনুনয়-বিনয়’ করেছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটি দেশের গণমাধ্যম ইতিহাসের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। বাংলাদেশে এই প্রথম গণমাধ্যমের মূল ধারার সকল অংশীজনকে আমরা একই মঞ্চে জড়ো করতে পেরেছি।”

সাংবাদিকতায় প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের সংবাদ গ্রহণ ও সরবরাহের প্রচলিত পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। সম্প্রতি রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী সংবাদপত্র, রেডিও এবং টেলিভিশনের মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর দর্শক-শ্রোতার সংখ্যায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়। এ সংক্রান্ত গবেষণাটি গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছে।

একটি তথ্যচিত্রে নিজের ভাষণ কেটেকুটে দেখানোর অভিযোগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিরুদ্ধে ১ হাজার কোটি ডলারের মামলা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মামলা বাতিল করার জন্য বিবিসি আদালতে আবেদন করেছে। আর সেই আবেদনের জবাব দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের সময় শেষ হবে আজ অর্থাৎ ১ জুন, ২০২৬।

তুমুল আলোচিত মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে বর্তমানে রাখা হয়েছে ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায়। মাথায় ঢেউখেলানো গোলাপি রঙের চুলের মহিষটি নিয়ে দেশীয় সংবাদমাধ্যম ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েল ও আমেরিকা মিলে ইরানে হামলা শুরু করে। চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে একদিকে আমেরিকা বারবার বলছে, ইরান চুক্তি করতে বেশ আগ্রহী। আবার আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমে নতুন করে হামলা হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান চুক্তির বিষয় নিয়ে তেহরানে অবস্থান করছেন।

আজকের সময়ের বার্তা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এম. লোকমান হোসাঈন বলেন, “আমার প্রতিষ্ঠানের একজন সাংবাদিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আমাকেও হুমকি দেওয়া হয়। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানিয়েছে, পুলিশ পদক প্রদান বা অনুমোদন সংক্রান্ত কোনো ফাইল বা সারসংক্ষেপ রাষ্ট্রপতির কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হয়নি বা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের সাংবাদিকতার এই হাল কেন? গণমাধ্যম কাকে বলব, কাকে বলবা, তার কি নতুন করে সংজ্ঞায়ন দরকার? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই যুগে সাংবাদিকতা কি কঠিন হয়ে যাচ্ছে? সাংবাদিকদের নামে এত হত্যা মামলা কেন? বিএনপি সরকার মুক্ত সাংবাদিকতাকে বাধা দেওয়ার শঙ্কা আছে কি?

অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়েও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় কেন উগান্ডার পেছনে বাংলাদেশ? যে উগান্ডাকে নিয়ে আমরা ট্রল করি, সূচকের বিচারে তারাই এখন আমাদের চেয়ে এগিয়ে। এই পরিস্থিতির পেছনের আসল কারণ কী?

বাংলাদেশের সাংবাদিকতা যে ‘কাম নাই করতে’ অবস্থায় পৌঁছাল, সেটি আসলে শুধুই মোবাইল জার্নালিস্টদের অবদান নয়। বরং নিউজ মিডিয়ার পুরো ইকোসিস্টেমই এর জন্য দায়ী। ভোক্তারাও দায়ী। সবাই মিলেই একে নেওয়া হয়েছে খাদের কিনারায়

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কোনো প্রকার ‘সময়ের চাপ’ বা তাড়াহুড়ো নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যমটির উপস্থাপিকা মার্থা ম্যাককালামের সঙ্গে এক ফোনালাপে এমন মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার সংবাদ পরিবেশন নিয়ে তিনি এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বক্তারা বলেছেন, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নাগরিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের মধ্যে আরও কাঠামোগত ও টেকসই সহযোগিতা প্রয়োজন।