
প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, ছায়ানটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের একটা অংশ বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিবিসি বাংলাকে আজ শুক্রবার তিনি এ কথা বলেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ভাষণ বিকৃতির অভিযোগে বিবিসি'র বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলারের মামলা করেছেন। বিবিসি ভুল স্বীকার করলেও ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই বিতর্কের জেরে বিবিসি'র ডিরেক্টর জেনারেল এবং নিউজ প্রধান পদত্যাগ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্য বিকৃত করার অভিযোগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ট্রাম্পের একটি ভাষণ সম্পাদনা করে প্রকাশ করার জন্য স্থানীয় সময় সোমবার ফ্লোরিডায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে দিল্লিতে বসবাস করছেন। ঢাকা আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রত্যর্পণ চেয়েছে। কিন্তু নয়াদিল্লি এখন পর্যন্ত সে ব্যাপারে সাড়া দেয়নি।

ইতিহাস বলছে, ১৯৮৩ সালে আঞ্চলিক দল তেলেগু দেশম পার্টির (টিডিপি) উত্থানের পর থেকে খুব কম নতুন দলই ভারতের রাজনীতিতে নিজেদের জায়গা করে নিতে পেরেছে। যে কয়েকটি দল এই জায়গা পেয়েছে তারমধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস ও ওড়িশার বিজু জনতা দল।

২০২৪-এ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে প্রচারিত প্যানোরামা অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে এমনভাবে দেখানো হয় যেন তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলছেন, ‘আমরা ক্যাপিটলে যাব এবং শেষ পর্যন্ত লড়ব।’ অথচ প্রকৃত ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাপিটলে যাব, শান্তিপূর্ণভাবে ও দেশপ্রেমিকের মতো আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দিত

তথ্যচিত্রে ভাষণ ভুলভাবে প্রচারের ঘটনায় বিবিসির বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত সোমবার সংবাদমাধ্যমটিকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়।

ডেভি আরও কয়েক মাস দায়িত্বে থাকবেন, যতক্ষণ না নতুন মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। সূত্র জানিয়েছে, ডেভির পদত্যাগের সিদ্ধান্তে বিবিসি বোর্ড হতবাক হয়েছে।

পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির মহাপরিচালক টিম ডেভি এবং বার্তা বিভাগের প্রধান নির্বাহী ডেবোরা টারনেস। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ বিকৃতির অভিযোগ ও সাম্প্রতিক নানা বিতর্কে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

মিয়ানমারে এ বছর হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে, যা বিদ্রোহীদের মনোবল ভেঙে দিয়েছে। আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা প্রজেক্টের (অ্যাকলেড) জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক এবং সশস্ত্র সংঘাতের তথ্য সংগ্রহে বিশেষজ্ঞ সু মন বিবিসিকে বলেন, ড্রোন হামলা বিদ্রোহীদের পিছু হটতে বাধ্য করেছে।