হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এসব সরঞ্জাম মোতায়েন করা হতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি ও সামরিক সূত্রের বরাতে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্যমতে, হরমুজে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের জন্য সংসদের অনুমোদন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। এর অংশ হিসেবে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর চলতি মাসেই সংসদে সম্মতি প্রস্তাব জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সিউলের বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী একটি ইউনিট মোতায়েন করা। সম্ভাব্য এই সহায়তার পরিসর ও ধরন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
তবে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্লু হাউস বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতায় কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে সিউল আলোচনা করছে। তবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে–এমন খবর ‘তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’।
এদিকে আগস্টে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করতে দক্ষিণ কোরিয়া রাজি না হওয়ায় দেশটির সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া তিনি আংশিকভাবে কমিয়ে দিয়েছেন।