চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএননের প্রতিবেদনে বলা হয়, শর্ত অনুযায়ী, হিজবুল্লাহকে হামলা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আগামৗী ২২ জুনের পর একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছাতে আবার আলোচনা শুরু করবে ইসরায়েল ও লেবানন। এ সময়ের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা চালিয়ে যাবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতেও সম্মত হয়েছে। এসব এলাকায় কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না। শুধু লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এলাকাগুলোর একক নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে এসব অঞ্চল কবে গঠন করা হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সূচি দেওয়া হয়নি।
লেবানন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় তারা লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াবে, যাতে পুরো দেশের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রও লেবাননের সেনাবাহিনীকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এদিকে, এমন এক সময়ে এই সমঝোতার ঘোষণা এলো, যখন লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের হুমকি দিয়েছিল ইসরায়েল। এমন পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান আলোচনাকেও ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল।
গত মঙ্গলবার সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর চটেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ ইসরায়েলের পরিকল্পিত এই হামলা ইরানের সঙ্গে একটি প্রাথমিক সমঝোতা তৈরিতে বাধা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএননের প্রতিবেদনে বলা হয়, শর্ত অনুযায়ী, হিজবুল্লাহকে হামলা পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে তাদের সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আগামৗী ২২ জুনের পর একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছাতে আবার আলোচনা শুরু করবে ইসরায়েল ও লেবানন। এ সময়ের মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা চালিয়ে যাবে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতেও সম্মত হয়েছে। এসব এলাকায় কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না। শুধু লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এলাকাগুলোর একক নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে এসব অঞ্চল কবে গঠন করা হবে, সে বিষয়ে কোনো সময়সূচি দেওয়া হয়নি।
লেবানন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় তারা লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াবে, যাতে পুরো দেশের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রও লেবাননের সেনাবাহিনীকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এদিকে, এমন এক সময়ে এই সমঝোতার ঘোষণা এলো, যখন লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের হুমকি দিয়েছিল ইসরায়েল। এমন পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান আলোচনাকেও ব্যাহত করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল।
গত মঙ্গলবার সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর চটেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ ইসরায়েলের পরিকল্পিত এই হামলা ইরানের সঙ্গে একটি প্রাথমিক সমঝোতা তৈরিতে বাধা হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।