‘যুদ্ধবিরতি’ আসলে একটি কূটনৈতিক ছলনা–গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্মূল, উচ্ছেদ ও মুছে ফেলার প্রক্রিয়াকে আড়াল করার উপায়, এবং আন্তর্জাতিক জনমত ও গণমাধ্যমকে পথভ্রষ্ট করার কৌশল।
গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক দিনে অন্তত ২০ জন নিহত এবং ৮০ জনের বেশি আহত হয়েছে, যা ইসরায়েল–হামাসের নাজুক যুদ্ধবিরতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। রিমাল, দেইর আল-বালাহ, নুসেইরাত ও পশ্চিম গাজা সিটিতে ধারাবাহিক হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়নের মার্কিন পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। মার্কিন খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে নিরাপত্তা পরিষদে ভোট দিয়েছে ১৩টি দেশ। ভোটদানে বিরত থাকে চীন ও রাশিয়া।
গাজায় যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি আবারও জটিল রূপ নিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—ইসরায়েলি বাহিনী সরে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে হামাস। এ অবস্থায় গাজা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনাগুলোও পড়ছে বড় চ্যালেঞ্জে।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কারণ, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকে জোর করেছিল। তিনি এই দাবিকে আফগানিস্তানের ‘সক্ষমতার’ বাইরে বলে বর্ণনা করেছেন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে ২৬টি দেশ প্রস্তুত। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ৩৫ দেশের অংশগ্রহণে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাদ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল।