
অ্যাক্সিওস দুই আঞ্চলিক সূত্র ও যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের সম্মতিতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনীতির ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চিত, তখন যুদ্ধপরবর্তী ভবিষ্যৎ বিবেচনা করা অকালবোধন মনে হতে পারে। গত ১৭ জুনের সমঝোতা স্মারকের পর দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ আবারও তীব্রতর হয়। আর সই করা নথিটি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। উভয় পক্ষই বড় ধরনের হামলা শুরু করে।

ট্রাম্প বলেন, “আমাদের আলোচনা ভালোই চলছে। আমার মনে হয়, কিছু একটা হওয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে। যদি হয়, তাহলে ভালো। আর যদি না হয়, তাহলে দুই দিন আগে যা করছিলাম, সেটাই আবার শুরু করব।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, তেহরানের অবস্থান এখনো ‘হামলার জবাবে হামলা’ নীতিতেই রয়েছে। তিনি বলেন, “হামলা বন্ধ হলে ইরানও তার অভিযান বন্ধ রাখবে। এই বার্তা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এবং পরবর্তী যুদ্ধবিরতির সময় মোট ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তেল বিক্রি করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের তেল মন্ত্রণালয়।

রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন “সবসময় কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। তবে তেহরান আলোচনায় একই ধরনের অঙ্গীকার দেখাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

সর্বশেষ যুদ্ধপর্বটি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের জন্য সংঘাতের অন্যতম প্রাণঘাতী অধ্যায় হয়ে উঠেছে। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। কাগজে-কলমে শান্তি চুক্তি হলেও বাস্তবে কি তা হয়েছে? আমরা তো দেখছি যুদ্ধ-পরিস্থিতি এখনো বিরাজমান। এ নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তাফা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভেঙে গেছে’ এবং তা এখন সম্পূর্ণ অতীত বলে জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকে ইরানের ওপর টানা হামলা চলছে। তবে আমেরিকার সাথে এই হামলায় ইসরায়েল এখনো যোগ দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভেঙে গেছে’ এবং তা এখন সম্পূর্ণ অতীত বলে জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এ ঘৌষণা করেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাজে মনেই হচ্ছিল তারা ইরানের সাথে করা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভেঙে গেছে’ এবং তা এখন সম্পূর্ণ অতীত বলে জানিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এ ঘৌষণা করেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কাজে মনেই হচ্ছিল তারা ইরানের সাথে করা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়।

সমঝোতা স্মারক সই পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জবাবে ইরানে আবারও বড় পরিসরে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা মোতায়েন থাকা বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তেহরানও।

মস্কোর ‘হায়ার স্কুল অব ইকোনমিক্স’-এর অধ্যাপক দিমিত্রি ট্রেনিনের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি বিশ্বমঞ্চে মার্কিন একাধিপত্যের এক বড় পরাজয়। ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল তাদের মূল সামরিক ও রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় ইরান এখন অপরাজেয় আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের উপমন্ত্রী গত সপ্তাহে কংগ্রেস সদস্যদের জানিয়েছেন যে. যুদ্ধ ও অন্যান্য খরচ মেটাতে বিভাগটি অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চাইবে। তবে প্রকৃত খরচ এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েকঘণ্টা পরই লেবাননে ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ বন্ধে শিগগির একটি চুক্তি হতে চলেছে ইরানের সাথে। একে চুক্তি না বলে সমঝোতা স্মারক বলা যেতে পারে। তবে এর খসড়ায় কী আছে তা কোনো পক্ষ বলেনি। তারপরেও এটা পরিস্কার যে, যুদ্ধ বন্ধে বিজয়ী হিসেবে একটি চুক্তি করতে মরিয়া ট্রাম্প। ইরানেরও আগ্রহ কম নয়।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ ১০১ দিন পার করল। এর মধ্যে নানা ঘটনা ঘটেছে। শান্তি আলোচনা চলছে ঠিকই কিন্তু এখনো মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটেনি। কোথায় গিয়ে থামবে এই যুদ্ধ? চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তফা।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ ১০১ দিন পার করল। এর মধ্যে নানা ঘটনা ঘটেছে। শান্তি আলোচনা চলছে ঠিকই কিন্তু এখনো মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও অনিশ্চয়তা কাটেনি। কোথায় গিয়ে থামবে এই যুদ্ধ? চরচার সঙ্গে আলোচনা করেছেন বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান সাবির মুস্তফা।

যদিও ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে লড়াই থামানোর লক্ষ্যে গত ১৭ এপ্রিল মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছিল। তবুও পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে রাজধানী বৈরুতও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইলেও ইরান, ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর পরিকল্পনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। কয়েক মাস ধরে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যর্থ চেষ্টার পরও ট্রাম্প নিজেকে পরিস্থিতির মূল চালক হিসেবে দাবি করে আসছেন।