চরচা ডেস্ক

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও যুদ্ধবিরতি এখনও বজায় আছে বলে জানিয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কারণ, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকে জোর করেছিল। তিনি এই দাবিকে আফগানিস্তানের ‘সক্ষমতার’ বাইরে বলে বর্ণনা করেছেন।
মুখপাত্র আরও বলেন, “যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা আমরা এখনও পর্যন্ত লঙ্ঘন করিনি এবং তা পালন করা অব্যাহত থাকবে।”
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেন, “সীমান্ত সংঘাত রোধে ইস্তানবুলে আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেছে।” তবে তিনি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আফগান মাটি থেকে কোনো আক্রমণ না হলে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে।”
গত বৃহস্পতিবার ইস্তানবুলে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই দুই দেশের সেনা সীমান্ত সংঘাতে জড়ায়।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনার দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও যুদ্ধবিরতি এখনও বজায় আছে বলে জানিয়েছেন তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কারণ, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকে জোর করেছিল। তিনি এই দাবিকে আফগানিস্তানের ‘সক্ষমতার’ বাইরে বলে বর্ণনা করেছেন।
মুখপাত্র আরও বলেন, “যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা আমরা এখনও পর্যন্ত লঙ্ঘন করিনি এবং তা পালন করা অব্যাহত থাকবে।”
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেন, “সীমান্ত সংঘাত রোধে ইস্তানবুলে আফগানিস্তানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেছে।” তবে তিনি যুদ্ধবিরতির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আফগান মাটি থেকে কোনো আক্রমণ না হলে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে।”
গত বৃহস্পতিবার ইস্তানবুলে শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই দুই দেশের সেনা সীমান্ত সংঘাতে জড়ায়।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।