Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

তাইওয়ান শান্তি চায়, তবে স্বাধীনতা বিসর্জন দেবে না: প্রেসিডেন্ট লাই

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২: ৩৫
তাইওয়ান শান্তি চায়, তবে স্বাধীনতা বিসর্জন দেবে না: প্রেসিডেন্ট লাই
তাইওয়ানের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে, ফার্স্ট লেডি উ মেই-জু এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট শাও বাই খিমকে পতাকা হাতে অভিবাদন জানাতে দেখা যাচ্ছে। ১০ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

তাইওয়ান শান্তিকে গুরুত্ব দেয়, তবে স্বাধীনতা বিসর্জন দেবে না। তাইওয়ানের জনগণের অস্তিত্বের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। আজ শনিবার জাতীয় দিবসের ভাষণে এ কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে। তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করা কোনো উসকানি নয়।

Advertisement

গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত তাইওয়ান চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছে। বেইজিং দ্বীপটিকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে মনে করে, যদিও তাইপের সরকার এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

চীনের তুলনায় অনেক ছোট সামরিক বাহিনী নিয়ে তাইওয়ান উন্নত প্রযুক্তির নতুন অস্ত্র, যেমন স্টেলথ যুদ্ধবিমান, বিমানবাহী রণতরি ও বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্রে সমৃদ্ধ চীনা সামরিক শক্তির মোকাবিলা করছে। এ পরিস্থিতিতে তাইওয়ান প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়ন করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বাইরে দেওয়া ভাষণে লাই বলেন, শুধু ‘ইচ্ছার’ ওপর নির্ভর করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

তিনি বলেন, “তাইওয়ান শান্তিকে গুরুত্ব দেয়, তবে আমরা আমাদের স্বাধীনতা বিসর্জন দেব না। আমরা মতবিনিময়ের জন্য উন্মুক্ত, কিন্তু কারও অধীনতা মেনে নেব না।”

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃত্ববাদী সম্প্রসারণবাদের’ মুখে তাইওয়ানের দৃঢ় অবস্থান শুধু নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিষয় নয়। লাইয়ের ভাষায়, “এর সঙ্গে এই প্রশ্নও জড়িত যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো বিশ্বাস করে কি না—শক্তি প্রয়োগ করে নিয়মকে পদদলিত করা যায় না এবং ক্ষমতাধররা কোনো জনগোষ্ঠীর নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেড়ে নিতে পারে না।”

প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ ‘উসকানি’ নয়

লাইয়ের ভাষণ সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে চীনের তাইওয়ানবিষয়ক দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। চীন কখনোই তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা নাকচ করেনি। দেশটি লাইকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে অভিহিত করে এবং তার আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

শক্তির মাধ্যমেই শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব, বললেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টTaiwan President Lai Ching-te attends a memorial ceremony for the 1958 in Kinmen, August 23, 2026–Reuters

যুক্তরাষ্ট্রের একজন জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে লাইয়ের অঙ্গীকারকে স্বাগত জানায় ওয়াশিংটন। চীনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, “নিয়মিত একটি ভাষণকে আগ্রাসী বা জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপের কোনো অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।”

আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমর্থক।

লাই বলেন, তার সরকারের প্রতিরক্ষা খাতে বাড়তি বিনিয়োগের লক্ষ্য যুদ্ধ প্রতিরোধ করা, উসকানি দেওয়া নয়।

সামরিক প্রদর্শনী ও নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করতে আসা দর্শকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা সংলাপের পথ পরিত্যাগ করার জন্য আত্মরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করছি না। বরং সংলাপ যাতে সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে হতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।”

তিনি আরও বলেন, “তাইওয়ানের জনগণের অস্তিত্বের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতেই হবে।”

১৯১১ সালের এক অভ্যুত্থানের বার্ষিকীকে তাইওয়ানের জাতীয় দিবস পালিত হয়। ওই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে চীনের সর্বশেষ রাজবংশের পতন ঘটে এবং চীন প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্টদের সঙ্গে গৃহযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর ১৯৪৯ সালে চীন প্রজাতন্ত্রের সরকার তাইওয়ানে আশ্রয় নেয়। দ্বীপটির আনুষ্ঠানিক নাম এখনো চীন প্রজাতন্ত্র।

বিষয়: তাইওয়ানপ্রেসিডেন্টস্বাধীনতাচীনযুক্তরাষ্ট্রজাতীয় দিবস
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

  • ২

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

  • ৩

    সরকারি কর্মী: বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক ও সময়োচিত

  • ৪

    ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান আইনসভায় নির্বাচিত অমুসলিম ছিলেন ৭২ জন, এখন বাংলাদেশে ৪

  • ৫

    ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

সম্পর্কিত
  • রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা, অপতথ্য ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব। আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছিলেন সহযোগী

  • ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

    ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

    ব্যাংকিং ব্যবস্থার তারল্য সংকটের জন্য দায়ীদের কঠোর সমালোচনা করে গভর্নর বলেন, এ অপরাধের ভয়াবহতা বোঝাতে প্রচলিত শব্দ যথেষ্ট নয়।

  • যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

    যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, আজ শনিবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ কমিটি

  • নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে আসকের অভিনন্দন

    নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে আসকের অভিনন্দন

    নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী, আইনজ্ঞ ও বিচারক নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আসক জানিয়েছে, মানবাধিকার সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নোবেল শান্তি