চরচা ডেস্ক

খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বার্তাসংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকাল ৮টার দিকে আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, “সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন। কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে।”
মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যুর বিষয়ে খুলনা-২ আসনে জামায়তের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানে জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।”
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।”
এ বিষয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) খান ফয়সাল রাফি বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় মহিবুজ্জামান কচিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।

খুলনা সদরের আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বার্তাসংস্থা ইউএনবি এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাই লেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকাল ৮টার দিকে আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, “সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।”
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, “আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন। কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে।”
মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যুর বিষয়ে খুলনা-২ আসনে জামায়তের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানে জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।”
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।”
এ বিষয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) খান ফয়সাল রাফি বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় মহিবুজ্জামান কচিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।

অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।