চরচা প্রতিবেদক

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ সংসদে বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, “কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড প্রদান, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পার্বত্য ও দুর্গম অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, নতুন হাসপাতাল স্থাপন, বিদ্যমান অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিনামূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুদের জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ ও টিকা সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, সমন্বিত ও আধুনিক পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তামাকজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ ওষুধের পুনরাবৃত্তি রোধ, চিকিৎসা সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা, অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যয় কমানো এবং একটি দক্ষ, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, “ডিজিটাল হেলথ আইডির মাধ্যমে ই-হেলথ কার্ড প্রদান বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।”

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ সংসদে বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, “কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।”
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া।
ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ড প্রদান, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পার্বত্য ও দুর্গম অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, নতুন হাসপাতাল স্থাপন, বিদ্যমান অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বিনামূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুদের জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ ও টিকা সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, সমন্বিত ও আধুনিক পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তামাকজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ ওষুধের পুনরাবৃত্তি রোধ, চিকিৎসা সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা, অপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ব্যয় কমানো এবং একটি দক্ষ, নিরাপদ ও রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, “ডিজিটাল হেলথ আইডির মাধ্যমে ই-হেলথ কার্ড প্রদান বাংলাদেশের ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।”

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) বা সমপরিমাণ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। পাশাপাশি, গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং দেশব্যাপী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন।