Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১১ অক্টোবর, ২০২৬
১১ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

ইরানে মার্কিন হামলার ৭ সম্ভাব্য পরিনতি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ২০
ইরানে মার্কিন হামলার ৭ সম্ভাব্য পরিনতি

যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু দিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে, ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তার সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে।

Advertisement

বলা হচ্ছে, যদি জেনেভায় দু দেশের আলোচনা ব্যর্থ হয় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দেন, তাহলে এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে যেতে পারে। একটি বিশ্লেষণে বিবিসি বলেছে, এই হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যগুলো জানা গেলেও ‘ফলাফলটা জানা নেই’।

তবে এই হামলা হলে কী হতে পারে সে বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার অনলাইনে সাতটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। দেখা যাক কী সেই পরিস্থিতি:

১) সীমিত হামলা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তন

Advertisement
Advertisement
Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র বিমান ও নৌবাহিনীর মাধ্যমে ইরানের সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন বা পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালাতে পারে। এর ফলে ইরানের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব দুর্বল হতে পারে এবং ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিবর্তন শুরু হতে পারে। কিছু বিশ্লেষক এটিকে সম্ভাব্য গণতান্ত্রিক রূপান্তর হিসেবেও দেখেন। কিন্তু অন্যদিকে, পশ্চিমা হস্তক্ষেপের কারণে ইরাক ও লিবিয়ার মতো দেশগুলোতে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিতিশীলতা দেখা গেছে।

২) বর্তমান শাসকেরা টিকে গেল এবং নীতি বদলালো

ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব টিকে থাকতে পারে। কিন্তু মার্কিন সামরিক চাপের মুখে তারা তাদের নীতি কিছুটা বদলাতে বাধ্য হতে পারে। যেমন: ক. হুথি ও হিজবুল্লার মতো আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর সহায়তা কমানো। খ. ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক কর্মকাণ্ড সীমিত করা। গ. অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়ন কিছুটা কমানো।

এই পরিস্থিতিকে কখনো ‘ভেনেজুয়েলা মডেল’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। এখানে নেতৃত্ব থাকে, কিন্তু নীতি কিছুটা নরম হয়।

৩) বিশৃঙ্খলার মধ্যে সামরিক শাসন

যদি হামলায় ইরানের সিস্টেম দুর্বল হয়, কিন্তু জনগণ বা বিরোধীরা ক্ষমতা নিতে না পারে, তখন ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বা রেভোলিউশনারি গার্ডস সাময়িকভাবে শাসনক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে। এতে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় একটা সামরিক পরিচালনার বিষয় চলে আসে, যা জনগণের দাবির বাইরেই থাকে।

৪) ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ওপর প্রতিশোধ নিতে পারে

ইরান স্পষ্টভাবে বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা করে, তখন তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোকে হামলার লক্ষ্য করবে। বিশেষত বাহরাইন, কাতারসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে। এছাড়া তারা এমন দেশগুলোকেও লক্ষ্য করতে পারে যাদের তারা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থক হিসেবে দেখে, সেগুলোর মধ্যে থাকতে পারে ইসরায়েল বা জর্ডান।

৫) হরমুজ প্রণালিতে বাধাদান এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট

ইরান এর আগেও ১৯৮০-এর দশকে হরমুজ প্রণালীতে প্রতিবন্ধক স্থাপন করেছিল; বর্তমান উত্তেজনার মধ্যে আবার এ পথে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এই জলপথের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল ও গ্যাস চলে। তাই জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়বে। যেমন: দামের ঊর্ধ্বগতি, যোগান সংকট ইত্যাদি।

৬) সমুদ্রে সংঘাতের ঝুঁকি

দু দেশের নৌবহর সরাসরি সংঘাতে জড়াতে পারে– এমন আশঙ্কাও আছে। উদাহরণস্বরূপ ড্রোন ও দ্রুতগতির নৌকাগুলোর একযোগে হামলার ঝুঁকি। যদিও এটি তুলনামূলক এর সম্ভাবনা কম, কিন্তু এমন কোনো ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি খুব দ্রুত মারাত্মক রূপ নিতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ বা বিমানবাহী রণতরী জড়িত থাকলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

৭) শাসনব্যবস্থায় পতন ও বিশৃঙ্খলা

কোনো দেশে যদি নেতৃত্বের পতন হয়, কিন্তু বিকল্প শক্তিশালী কোনো স্থানীয় নেতৃত্ব বা সরকারের বিকল্প তৈরি না হয়, তাহলে ইরানে অভ্যন্তরীণ সংঘাত, জাতিগত উত্তেজনা বা বড় জনগোষ্ঠীর আধিপত্য তৈরি হতে পারে– যা সিরিয়া, ইয়েমেন বা লিবিয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।

এতে মানসিক ও মানবিক সংকটের আশঙ্কায় আশেপাশের দেশগুলো উদ্বিগ্ন থাকে। শরণার্থীর সমস্যা বা নিরাপত্তা মহাসংকটের জন্য নানা প্রস্তুতি নিতে হতে পারে তাদের।

বিষয়: হামলাইরানড্রোনযুক্তরাষ্ট্রযুদ্ধরাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

  • ২

    ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান

  • ৩

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৯

  • ৪

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

  • ৫

    রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

সম্পর্কিত
  • সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

    সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ আইএসপিআরের

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার অনু

  • ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান

    ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান

    অপ্রত্যাশিত এ বিঘ্নের জন্য এবং যাত্রী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অসুবিধার কারণে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ।

  • যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৯

    যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় বন্দুক হামলায় নিহত ৯

    শনিবার সকালে (স্থানীয় সময়) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গভর্নর শাপিরো লেখেন, “গত রাতে ইরিতে মর্মান্তিক বন্দুক হামলায় আমাদের পেনসিলভানিয়ার নয়জন নাগরিক নিহত হওয়ার পর আমি মেয়র ডারিয়া ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছি এবং আমার প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।”

  • রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

    রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হামলায় কয়েকজন আহত, কার্যক্রম বন্ধ

    শনিবার বিমানবন্দরে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি বিস্ফোরণ দেখেছেন। এরপর ভেতরে মাটিতে বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এক ডজনের বেশি অ্যাম্বুলেন্সকে বিমানবন্দরের দিকে ছুটে যেতে দেখা যায়।