হুতিদের হটিয়ে কৌশলগত বন্দরনগরী মোখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অবস্থান পুনর্দখলের দাবি করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সৌদির-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী সানা দখলে নিতেও ‘কৌশলগত অভিযান’ শুরু হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে সানা হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তবে মোখা নিয়ন্ত্রণ হারানোর দাবি অস্বীকার করেছে হুতিরা। যুদ্ধক্ষেত্রের এসব দাবি আল জাজিরা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
ইয়েমেন সরকারের সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, হুতিদের সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ের পর তারা মোখার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ওই লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন হুতি সদস্য নিহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটও সোমবার জানিয়েছে, তারা হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু করেছে।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ইয়েমেন সরকারের বাহিনীকে সহায়তা করতে ১০০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। বাব আল-মান্দেব প্রণালির আকাশসীমায় নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া হুতিদের বিভিন্ন অবস্থানে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এর জবাবে পাল্টা এক বিবৃতিতে হুথিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রাবিঘে অবস্থিত সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর একটি শোধনাগার, আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইতের একটি সামরিক ঘাঁটি।
এই দাবিরও সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবের সরকার বা আরামকো কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।