Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
০৪ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> এক্সপ্লেইনার

দেশে শুধু ফ্যান বদলালেই বছরে বাঁচবে কত হাজার কোটি টাকা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৬: ১১
দেশে শুধু ফ্যান বদলালেই বছরে বাঁচবে কত হাজার কোটি টাকা?
দেশে শুধু ফ্যান বদলালেই বছরে বাঁচবে কত হাজার কোটি টাকা? ছবি: এআই দিয়ে নির্মিত

ঘরে ঘরে এখন যে সাধারণ ফ্যান চালানো হয়, তার বদলে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করলেই বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব! এতে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদাও ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমানো যেতে পারে। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি লোডশেডিং পরিস্থিতি সামাল দেওয়াও সহজ হতে পারে।

Advertisement

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৬ সালের ২ নভেম্বর। গবেষণায় দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ২৬টি জেলায় ৪৩৫টি পরিবারের ওপর জরিপ চালানো হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশে ঘর ঠান্ডা রাখতে যে বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলো সবচেয়ে বেশি চালানো হয়, তার একটি হলো ফ্যান। কিন্তু সাধারণ যে ফ্যানগুলো মানুষের ঘরে ঘরে দেখা যায়, এসব ফ্যান কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে?

আইইইএফএ-র গবেষণায় বেশি বিদ্যুৎ খরচ করা সাধারণ এসব ফ্যানকে বলা হচ্ছে ‘অদক্ষ’ ফ্যান। আর তাদের গবেষণা অনুযায়ী, একটি অদক্ষ ফ্যান ঘণ্টায় ৭০ ওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। অন্যদিকে বিএলডিসি ফ্যানের বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ৩৫ ওয়াট। অর্থাৎ একই ধরনের কাজের জন্য বিএলডিসি ফ্যান প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

বিদ্যুতের চাহিদায় ফ্যানের ভূমিকা কতটা?

বাংলাদেশে গরমের সময় বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার অন্যতম কারণ ফ্যানের ব্যবহার। ২০১৪ সালের মে মাসে শুধু বাসাবাড়িতে চালানো ফ্যানের বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট। তখন দেশের মোট বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশের বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত ফ্যানগুলো মোট ৬ হাজার ১৮১ গিগাওয়াট-আওয়ার বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছিল। একই সময়ে সব ধরনের গৃহস্থালি যন্ত্রের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল ১৭ হাজার ৫৭০ গিগাওয়াট-আওয়ার। অর্থাৎ, বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির পেছনে যত বিদ্যুৎ খরচ হয়, তার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগই যায় ফ্যানের পেছনে।

ব্যবসায়ীরাই ঠিক করল জ্বালানির দাম, ভোক্তার কথা শুনবে কে?lpg gas barishal

কিন্তু সেটা তো এক যুগ আগের হিসাব। এখনকার হিসাব কী বলে?

আইইইএফএ-র হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ঘর ঠান্ডা রাখতে ব্যবহৃত ফ্যানের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা ৩ হাজার ৩৬২ থেকে ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াটের মধ্যে। সন্ধ্যার দিকে এই চাহিদা সবচেয়ে বেশি হয়।

আর বর্তমানে বছরে দেশে ফ্যানের পেছনে বিদ্যুতের ব্যবহার আনুমানিক ১৩ হাজার ৯১৬ গিগাওয়াট-আওয়ার। খসড়া ন্যাশনাল কুলিং প্ল্যান অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল নাগাদ এই অঙ্কটা বেড়ে ২২ হাজার ১৭৪ গিগাওয়াট-আওয়ারে পৌঁছাতে পারে।

বিএলডিসি ফ্যান: মুশকিলে আসান?

গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যবহৃত অদক্ষ ফ্যানগুলোর জায়গায় শুধু বিএলডিসি ফ্যান লাগালেই গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমানো সম্ভব। পাশাপাশি বছরে প্রায় ৬ হাজার ৯১৩ গিগাওয়াট-আওয়ার বিদ্যুৎ সাশ্রয় হতে পারে।

এই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কারণে কত টাকা বাঁচবে? আইইইএফএ-র গবেষণা বলছে, এর ফলে বছরে প্রায় ৮৯.৮৭ বিলিয়ন–অর্থাৎ, প্রায় ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি–টাকা বাঁচবে। মার্কিন ডলারে অঙ্কটা প্রায় ৭৩০ মিলিয়ন!

এ তো গেল শুধু বিদ্যুৎ বাঁচানো টাকার হিসাব। গবেষণাটি বলছে, ফ্যানের বিদ্যুৎ চাহিদা কমলে ভবিষ্যতে নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজনও এড়ানো যেতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪৯ হাজার ১৬০ কোটি টাকা।

তাহলে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করে না কেন?

বিএলডিসি ফ্যানের সুবিধা থাকলেও দেশে এর ব্যবহার এখনো খুব কম। আইইইএফএ-র জরিপে দেখা গেছে, মোট গৃহস্থালি ফ্যানের মাত্র ১.৪ শতাংশ বিএলডিসি প্রযুক্তির।

জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, তারা বিএলডিসি ফ্যানের বিষয়ে আগে জানত না। তবে এর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুবিধা জানার পর ৯৬ শতাংশ পরিবার এই ফ্যান ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছে।

তবে এই ফ্যানের দাম এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটা বড় বাধা হয়ে দাড়াতে পারে। সাধারণ একটি ফ্যানের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা। অন্যদিকে বিএলডিসি ফ্যানের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিল কমালেও এই বিএলডিসি ফ্যান কিনতেই শুরুতে প্রায় তিনগুণ বেশি টাকা লাগবে।

যুক্তি আসতে পারে, শুরুতে বাড়তি খরচ হলেও পরে তো দীর্ঘমেয়াদে এই ফ্যান বিদ্যুতের খরচ কমাবে! সে হিসাবও করা হয়েছে গবেষণায়। বিদ্যুৎ বিল কমার কারণে ফ্যান কেনার সময়ের এই বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে কত সময় লাগবে? গবেষণাটি বলছে, মাসে ২৫ হাজার টাকার কম আয় করা পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৬ বছর লাগতে পারে। অন্য আয়শ্রেণির পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে সময় লাগবে ৬ বছরের কম।

মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা বেলা ১১টায়gov logo

কীভাবে বাড়ানো যেতে পারে ব্যবহার?

গবেষণায় বিএলডিসি ফ্যানের ব্যবহার বাড়াতে কয়েকটি উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বড় পরিসরে ফ্যান কেনার ব্যবস্থা, কিস্তিতে দাম পরিশোধের সুযোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের মান নিশ্চিত করা।

এ ক্ষেত্রে ভারতের এলইডি বাল্ব কর্মসূচির উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। বড় পরিসরে বাল্ব কেনার মাধ্যমে দেশটিতে এলইডি বাল্বের প্রাথমিক দাম ৮৭ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছিল। বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ নিলে বিএলডিসি ফ্যানের দাম কমতে পারে।

এ ছাড়া অন-বিল ইনস্টলমেন্ট ফাইন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে কিস্তিতে ফ্যানের দাম পরিশোধের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। ভবিষ্যতে কার্বন ক্রেডিট বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থও এই কর্মসূচিতে ব্যবহার করা সম্ভব। গবেষণায় বলা হয়েছে, অদক্ষ ফ্যান প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের কাছে এই উদ্যোগ পৌঁছে দিতে একটি সুপার ইএসসি (এনার্জি সার্ভিস কোম্পানি) গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছে আইইইএফএ। পাশাপাশি টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) মাধ্যমে পণ্যের মান, এনার্জি এফিশিয়েন্সি লেবেল, বাজার তদারকি এবং প্রচার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ফ্যানের মতো নিত্যব্যবহৃত একটি যন্ত্রে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রযুক্তি যুক্ত করতে পারলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা কমানোর বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে গবেষণায় উল্লেখ করা সাশ্রয় ও চাহিদা কমার পরিমাণ সম্ভাব্য হিসাব। বাস্তবে তা কতটা অর্জন করা যাবে, সেটা নির্ভর করবে কম দামে বিএলডিসি ফ্যানের সরবরাহ, মান নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের কাছে এর সুবিধা কতটা পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে, তার ওপর।

বিষয়: গ্রীষ্মকালবিদ্যুৎ বিলফ্যানবাংলাদেশবিদ্যুৎ সাশ্রয়বিদ্যুৎ বিভ্রাট
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    কমলাপুরে তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত এক ব্যক্তির মৃত্যু

  • ২

    ভারতকে কি ভয় পাওয়ার কিছু আছে চীনের?

  • ৩

    খুলনার আদালত পাড়ায় আলোচিত জোড়া হত্যা মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

  • ৪

    তাইওয়ানের ইন্টারপোলে যোগ দেওয়ার অধিকার নেই: চীন

  • ৫

    শ্রমিকদের আন্দোলন দ্রুত সমাধানের আহ্বান জামায়াত আমিরের

সম্পর্কিত
  • ট্রাম্পের এমন ভরাডুবি কেন?

    ট্রাম্পের এমন ভরাডুবি কেন?

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ হারানোর পথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবরিকানরা। এরইমধ্যে ৫১টি আসন পেয়ে সিনেটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে ট্রাম্প বিরোধীরা। প্রতিনিধি পরিষদেও এগিয়ে রয়েছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

  • মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপাকে ট্রাম্প, এবার কী হবে?

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপাকে ট্রাম্প, এবার কী হবে?

    যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। অবশ্য এখনো প্রেসিডেন্ট পদে বহাল তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের খবর বলছে, এরই মধ্যে বিরোধী ডেমোক্র্যাট পার্টি সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের কাছে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারাতে যাচ্ছে

  • এশিয়ার জ্বালানি সংকটে  কতটা গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন?

    এশিয়ার জ্বালানি সংকটে কতটা গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন?

    ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটে এরই মধ্যে বিপর্যস্ত এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো। এসব অঞ্চলের সরকার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চোখ এখন মঙ্গলবারের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে।

  • আর কোন কোন দেশে জেলহত্যা হয়েছে?

    আর কোন কোন দেশে জেলহত্যা হয়েছে?

    কারাবন্দিদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধার দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের। সেই নিরাপদ কারাগারেই যখন রাজবন্দীদের গুলি করে হত্যা করা হয়, তখন সেই ঘটনা হয়ে যায় রাষ্ট্রের জন্য এক বড় ‘কলঙ্কের ইতিহাস’।