Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কিম জং উনকে নিয়ে কী ভাবছেন ট্রাম্প?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০: ৩৮
কিম জং উনকে নিয়ে কী ভাবছেন ট্রাম্প?

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন বৈশ্বিক নিরাপত্তা রোডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু এতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ কর্মসূচিকে লক্ষ্য হিসেবে আর উল্লেখ করা হয়নি। ২০২৬ সালে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক অগ্রগতির জন্য ওয়াশিংটন কৌশলগতভাবে এমনটি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করে ২০০৩ সালে। এরপর থেকে প্রতিটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি শেষ করার লক্ষ্যটি স্থায়ীভাবে ছিল।

কিন্তু শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, এটি স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত।

উত্তর কোরিয়ার দ্রুত অগ্রসরমান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির কোনো উল্লেখ না থাকা- ট্রাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার প্রত্যাশা বাড়াচ্ছে। শেষবার দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়েছিল ২০১৯ সালে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ট্রাম্প কি আসলেই যুদ্ধ থামাতে পেরেছেন?Trump 2

ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, তিনি কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কিছু একটা করতে চান। এমনটাই জানিয়েছেন কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের গবেষক হং মিন। তিনি বলেন, “আমি মনে করি সচেতন উদ্দেশ্যের একটা মাত্রা আছে। নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি যে এখানে আনতেই হবে, তার কোনো আবশ্যকতা নেই।’’

২০১৭ সালে প্রকাশিত ট্রাম্পের আগের নিরাপত্তার রোডম্যাপে উত্তর কোরিয়ার কথা ১৬ বার উল্লেখ করা হয়েছিল, আমেরিকার প্রতি হুমকি হিসেবে। সেখানে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া যেকোনো সময় আমেরিকার বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

এ বছরের নথিতে ট্রাম্পের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে, যা মূলত তাইওয়ান নিয়ে চীনের সঙ্গে সংঘাতকে কেন্দ্র করে। এশিয়ায় মার্কন মিত্র, বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কিমের দৃষ্টিভঙ্গি

সোমবার দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকা–দুই দেশই উত্তর কোরিয়াকে ঘিরে তাদের নীতিতে পরিবর্তনের কথা অস্বীকার করেছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, নিরস্ত্রীকরণই এখনো তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। কিম স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি আলোচনায় ফিরবেন কি না–তা নির্ভর করে সেই আলোচনার ধরন কেমন হবে তার ওপর।

‘নিরস্ত্রীকরণ’ কথাটির গুরুত্ব আর আগের মতো নেই। সেপ্টেম্বর মাসে পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে কিম বলেন, “আমরা এখন একটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র। এখন ‘নিরস্ত্রীকরণ’ আমাদের কাছ থেকে আশা করা সর্বশেষ বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র যদি অন্য দেশের নিরস্ত্রীকরণের আজগুবি অনুসন্ধান থেকে নিজেকে মুক্ত করে বাস্তবতা স্বীকার করে নেয় এবং আমাদের সঙ্গে সত্যিকারের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসতে কোনো আপত্তি নেই।’’

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে শান্তিচুক্তি আলোচনায় অংশ নিলে কিমের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থান আরও মজবুত হবে এবং তিনি তাঁর দেশের জনগণের কাছে প্রমাণ করতে পারবেন যে তিনি এমন একটি প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন, যা তার পিতা ও পিতামহ পূরণ করতে পারেননি।

এই দুই নেতা ২০১৮ ও ২০১৯ সালে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে তা সফল হয়নি পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে। উত্তর কোরিয়া অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে।

ইরান কি উত্তর কোরীয় মডেলে যাবে?iran-north korea-1

দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান কী?

মার্কিন নথি প্রকাশের পর থেকে দক্ষিণ কোরিয়া বলছে, আগামী বছর উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা আমেরিকা তো বটেই চীন ও জাপানসহ প্রধান শক্তিগুলোর ইতিবাচক সংকেত।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া গোপনে তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়িয়ে চলেছে। দেশটি ২০৩৫ সালের মধ্যে জিডিপির ৩.৫% সামরিক ব্যয়ে খরচ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ শনিবার দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রশংসা করে বলেন, “দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের মিত্র দেশ, সে জন্য তারা আমাদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পাবে।” তিনি আশাবাদী ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যান্য মিত্র দেশও একই পথে হাঁটবে।

অক্টোবরে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং আমেরিকার সহায়তায় জ্বালানি সরবরাহের মাধ্যমে পারমাণবিক চালিত সাবমেরিন নির্মাণের অনুমোদন পান। কারণ সিউল পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত থাকার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে।

প্রথম মেয়াদে উত্তর কোরিয়া নিয়ে ট্রাম্পের মাথাব্যথা ছিল। এবার এখন পর্যন্ত এর কোনো আভাসই মিলছে না। তার মানে কি, ট্রাম্প উত্তর কোরিয়াকে তোয়াজ করে চলছেন? এমন নাও হতে পারে। কেননা প্রথম মেয়াদের চেয়ে এবার ট্রাম্পকে অন্যরকম মনে হচ্ছে। তবে তিনি আসলে কী চাইছেন, সেটি সময়ই বলে দেবে।

বিষয়: উত্তর কোরিয়া
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কী লাগে? ৫টি যোগ্যতার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনটি?

  • ২

    বাংলাদেশ লিড নেওয়ার আশায় বাধা রহমতের প্রতিরোধ

  • ৩

    কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ উদ্ধার

  • ৪

    দিল্লিতে লকডাউন পরিস্থিতি: ৬ হাজার আটক, সিজেপির আন্দোলন ‘চলবে’

  • ৫

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

সম্পর্কিত
  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে

  • বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    বিদেশি তারকাদের নিয়ে ঢাকায় কনসার্ট করা কেন কঠিন হয়ে যাচ্ছে?

    কয়েক বছর আগেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক তারকা- বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ সারির সুরকার ও শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত থাকত ঢাকার কনসার্ট অঙ্গন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে আয়োজিত কনসার্টের টিকিট কেনা দর্শক-শ্রোতাদের জন্য যেন এক বড় ধরনের অনিশ্চয়তার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ককরোচ পার্টির আন্দোলন সামনে রেখে কী চলছে দিল্লিতে?

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিতর্কিত বিশেষ নিবিড় পুনর্নিরীক্ষণ (এসআইআর ) বাতিলের দাবিতে দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

  • আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    আফগানিস্তানকেও টেস্টে ‘ভয়’ পাচ্ছে বাংলাদেশ?

    একদিন বাদেই বাংলাদেশের একটা টেস্ট ম্যাচ, তবে তার আগে নেই কোনো উত্তাপ। এমনকি অনেকেই জানেন না যে কাল আফগানিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে লাল বলের ক্রিকেট খেলবে নাজমুল হোসেনের দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বাইরের এমন একটি ম্যাচে চলতি বছরই জিম্বাবুয়ের কাছে ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশ দলের। তা