Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, তবুও কীভাবে হামলা চালাচ্ছে তেহরান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২: ৪৩
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, তবুও কীভাবে হামলা চালাচ্ছে তেহরান

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ‘কার্যত ধ্বংস’ করার দাবি করেছে আমেরিকা ও ইসরায়েল। তবে মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। সক্ষমতা হ্রাস পেলেও তেহরান এখনও প্রতিবেশী দেশ এবং ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার মতো সক্ষমতা বজায় রেখেছে। এই দ্বিমুখী পরিস্থিতি এখন সামরিক বিশেষজ্ঞদের নতুন আলোচনার বিষয়।

Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর গত শনিবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখন প্রায় বিলীন। তাদের নৌবাহিনী অকার্যকর এবং ইরানের আকাশসীমায় মিত্রবাহিনীর এখন নিরঙ্কুশ আধিপত্য। এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের ড্রোন তৈরির সক্ষমতাও গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

পেন্টাগনের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশ কমেছে। আল জাজিরার তথ্যমতে, যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যেখানে আমিরাতের ওপর ৭০৮টি প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন) ছোড়া হয়েছিল, ১৫তম দিনে তা নেমে এসেছে মাত্র ১০টিতে।

এত সক্ষমতা হ্রাসের পরও গতকাল সোমবার কাতার, সৌদি আরব, আমিরাত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি করা হয়। এমনকি আবুধাবিতে এক ব্যক্তির প্রাণহানিও ঘটেছে। প্রশ্ন উঠছে—সব ধ্বংস হওয়ার পরও ইরান কীভাবে হামলা চালাচ্ছে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ডেভিড ডেস রোচেসের মতে, ইরান একটি বিশাল দেশ। স্থল অভিযান ছাড়া কেবল আকাশপথ থেকে শতভাগ সক্ষমতা নির্মূল করা প্রায় অসম্ভব। যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই ইরান তার লঞ্চার ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এমন সব জায়গায় সরিয়ে রেখেছে, যা প্রচলিত সামরিক মানচিত্রে ধরা পড়ে না।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের ৪৪০টি লঞ্চারের মধ্যে ২৯০টি অকেজো করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু মোবাইল বা ভ্রাম্যমাণ লঞ্চারগুলো দ্রুত স্থান পরিবর্তন করায় সেগুলোকে শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। ইরান এখন বড় আকারের হামলা বাদ দিয়ে দু-একটি করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে। সামরিক ভাষায় একে বলা হয় 'হ্যারাসমেন্ট ফায়ার' বা হয়রানিমূলক গোলাবর্ষণ। এর উদ্দেশ্য সামরিক বিজয় নয়, বরং প্রতিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখা এবং জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা।

বিশেষজ্ঞ হামিদেরেজা আজিজির মতে, তেহরান একটি দীর্ঘমেয়াদী 'ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধে'র পরিকল্পনা করছে। এটি এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক কৌশল, যেখানে প্রতিপক্ষকে সরাসরি বড় কোনো যুদ্ধের মাধ্যমে হারানোর চেয়ে, ক্রমাগত ছোট ছোট হামলা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মাধ্যমে ধীরে ধীরে দুর্বল বা নিঃশেষ করে দেওয়া হয়। তাদের কৌশল হলো—ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শেষ হওয়ার আগেই যেন ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর ব্যয়বহুল ‘ইন্টারসেপ্টর মিসাইল’ ফুরিয়ে যায়। শাহেদ-১৩৬ এর মতো সস্তা ড্রোন ব্যবহার করে তারা দামী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ক্লান্ত করে তুলছে।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ভ্যালি নাসর মনে করেন, ইরানের প্রকৃত যুদ্ধ এখন সামরিক ময়দানে নয়, বরং অর্থনৈতিক ফ্রন্টে। হামলার ভয়ে হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। কাতারের গ্যাস উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক ক্ষয়ক্ষতির চেয়েও বড় অর্থনৈতিক আঘাত হতে পারে।

মার্কিন দাবি অনুযায়ী, ইরান সামরিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়লেও, তেহরানের 'অপ্রতিসম যুদ্ধ' বা কৌশলী আক্রমণগুলো এখনও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। একটি সফল ড্রোন বা একটি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলার মাধ্যমেই ইরান প্রমাণ করতে চায় যে, তারা এখনও লড়াইয়ের ময়দানে টিকে আছে।

বিষয়: আমেরিকাইরানক্ষেপণাস্ত্রতেহরানইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, বিস্মিত জেলেনস্কি

  • ২

    ইউপি নির্বাচন: জানুয়ারি থেকে শুরু পাঁচ ধাপের ভোট

  • ৩

    সদস্যদের রাতে একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যা বলছে খুলনা পুলিশ

  • ৪

    বাল্যবিয়ের কারণে কোনো কন্যার স্বপ্ন যেন থমকে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

  • ৫

    রাশিয়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজন করবেন: এবিসিকে জেলেনস্কি

সম্পর্কিত
  • ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    ২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি, কীভাবে ?

    পারমাণবিক যুদ্ধ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারের কারণে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্ত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট’। সংস্থাটির নতুন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই সম্ভাবনার হার তুলনামূলকভাবে কম।

  • কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    কীভাবে ‘অপহরণ’ করা হয় ধ্রুব রাঠিকে

    ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আজ রোববার অভিযোগ করেছেন যে, গতকাল শনিবার পুলিশ তাকে দিল্লির বাড়ি থেকে জোর করে নিয়ে যায় এবং প্রায় এক দিন আটক করে রাখে। এ সময় তাকে কোনো আইনজীবী বা নিজের ফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এবং দাবি করেন যে, এটি পুলিশের কোনো বৈধ

  • ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    ‘নিষিদ্ধ’ রাশিয়ার তেলই কিনবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন ও কীভাবে? লাভ হবে এই চুক্তিতে?

    যে রাশিয়ার ওপর বছরের পর বছর ধরে নানান নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, গত মাসেই রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা দেশগুলোর ওপরই যেখানে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে, সেই রাশিয়ার কাছ থেকেই এবার ডিজেল সরবরাহের চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

  • নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    নতুন গঙ্গা চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’-এ গুরুত্ব ঢাকার, কেন?

    বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। তবে দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে কেবল গঙ্গা নদীকে ঘিরে। আগামী ১২ ডিসেম্বর গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নতুন বা সংশোধিত চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে গ্যারান্টি ধারা অন্তর্ভুক্ত করাকে