Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বিদ্যুতের বিল কম-বেশি হয় যেভাবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১০: ০৮
বিদ্যুতের বিল কম-বেশি হয় যেভাবে
মিটারের কোনো ত্রুটির কারণে নয়, বরং বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হওয়ার কারণেই বাড়তি বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ছবি: সংগৃহীত

গত জুনের বিদ্যুৎ বিল দেখে চমকে উঠেছেন অনেকে। একই ধরনের অভিযোগের পাহাড়ে গণমাধ্যম অফিস আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সয়লাব হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিলের নানা খবরে একসময় ছেয়ে গিয়েছিল পত্রিকার পাতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তখন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্তাব্যক্তিরা জানিয়েছিলেন, এসব অভিযোগের বেশির ভাগের কোনো ভিত্তি নেই। বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ দাবি করেছিলেন, দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রাহক হয়রানির জন্য বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া মিটারের কোনো ত্রুটির কারণে নয়, বরং বিদ্যুতের ব্যবহার বেশি হওয়ার কারণেই বাড়তি বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

তবে এক মাসের ব্যবধানে বিলের মাস ‘জুলাইতে’ এসেও একই অভিযোগ করছেন গ্রাহকেরা। প্রিপেইড কিংবা পোস্টপেইড–দুই শ্রেণির গ্রাহকই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন। খোদ রাজধানী ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, গাজীপুর ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এই অভিযোগ আসছে।

প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকদের অভিযোগ, ব্যবহার না বাড়লেও আগের তুলনায় দুই থেকে তিনগুণ বেশি বিল দিতে হচ্ছে। অনেকের অভিযোগ, মাস শেষে স্ল্যাব পরিবর্তন না হয়েই আগের ব্যবহারের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন উচ্চহারে বিল কাটা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গ্যাস নেই-বিল আছে, গ্যাস সংকটে ভোক্তার অধিকার কোথায়?gas

তবে এবারও যথারীতি গণহারে বাড়তি বিলের বিষয়টি সত্য নয় বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম চরচাকে জানিয়েছেন, ব্যাপকভাবে অতিরিক্ত বিল করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিচ্ছিন্নভাবে হয়তো দু-একটি ভুল থাকতে পারে।

বিদ্যুৎ খুটি। ফাইল ছবি
বিদ্যুৎ খুটি। ফাইল ছবি

পিডিবি চেয়ারম্যান জানান, প্রতিটি বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিকে নিজ নিজ এলাকার গ্রাহকদের বাড়তি বিলের অভিযোগ যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রতিটি ইউটিলিটি আলাদাভাবে বিষয়টি দেখছে এবং অধিকাংশ অভিযোগ পরীক্ষা করে দেখা গেছে, যেভাবে অতিরিক্ত বিল করার দাবি করা হচ্ছে, বাস্তবে তা পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, জুনে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে শূন্য দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। মে মাসে দেশের সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা জুনে দাঁড়ায় ৩৮ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে। ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। পিডিবি চেয়ারম্যান জানান, জুনে তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছিল। আগে যেখানে সিস্টেমের লোড সাড়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াটের মতো ছিল, তা বেড়ে সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত ওঠে। এই বিদ্যুৎ তো গ্রাহকরাই ব্যবহার করেছেন, ফলে বিল তো স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।

কতটা কাজে লাগবে দ্বিগুণ দামে কেনা ময়লা পোড়ানো বিদ্যুৎ?Waste-Management-&-Recycling_01

বিপিডিবি কীভাবে বিল তৈরি করে?

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বিল তৈরির পদ্ধতির দিকে তাকালে দেখা যায়, বাণিজ্যিক পরিচালন পদ্ধতিতে কম্পিউটার সেন্টারে বিল তৈরির পর তা চূড়ান্ত করার আগে ‘বিলিং এক্সেপশন’ বিবরণী প্রস্তুতের নিয়ম রয়েছে। অস্বাভাবিক বা ব্যতিক্রমী বিলের তালিকা সংশ্লিষ্ট বিক্রয় ও বিতরণ দপ্তরে পাঠিয়ে তা পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। বিল চূড়ান্ত হয়ে গ্রাহকের হাতে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অন্তত ১০ শতাংশ বিল পরীক্ষা করার নিয়ম রয়েছে। সেখানে কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে কম্পিউটার সেন্টারের মাধ্যমে তা সংশোধন করা হয়। তবে কোনো মাসে মিটার রিডিং নেওয়া সম্ভব না হলে আগের ছয় মাসের গড় ব্যবহারের ভিত্তিতে আনুমানিক বিল করার সুযোগ পিডিবির বিধিতেই আছে, যদিও টানা দুই মাসের বেশি এভাবে বিল দেওয়ার সুযোগ নেই।

বুঝতে হবে বিদ্যুতের স্ল্যাব

বিদ্যুৎ বিল-সংক্রান্ত ঝামেলা বুঝতে হলে বিদ্যুতের স্ল্যাব সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। সচেতন গ্রাহক না হলে এ সংক্রান্ত অযাচিত ভোগান্তির বিষয়টি সহজে ধরা পড়ে না। বিভিন্ন স্ল্যাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের নির্ধারিত দরে অর্থ পরিশোধ করতে হয়।

বিষয়টি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে বিল দিতে হয় প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ১৮ পয়সা দরে। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহৃত বিদ্যুতের দাম ধরা হয় প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত দাম পড়ে প্রতি ইউনিট ৯ টাকা ১০ পয়সা। এভাবে মোট ছয়টি স্ল্যাবে বিদ্যুতের দর ভাগ করা রয়েছে।

লোডশেডিং হচ্ছেই, বিদ্যুৎ নিয়ে সংকট আসলে কোথায়?plant

ধরা যাক, একজন ভোক্তা মাসে ১৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে তিনি প্রথম স্ল্যাবের ৭৫ ইউনিটের দাম দেবেন ৬ টাকা ১৮ পয়সা করে এবং পরের ১০০ ইউনিটের দাম দেবেন ৮ টাকা ৫০ পয়সা দরে। পরবর্তী মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার শূন্য ইউনিট থেকে তার নতুন বিলিং শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু গ্রাহকের অভিযোগ, নতুন মাস শুরুর পরও আগের মাসের ধারাবাহিকতায় বিল কাটা হচ্ছে। ফলে তা বর্ধিত দামের পরবর্তী উচ্চতর স্ল্যাবে চলে যাচ্ছে এবং গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

একই সঙ্গে মিটার রিডিং যাচাই না করে অনুমাননির্ভর বিলিং, স্ল্যাব পরিবর্তন না করেই নতুন উচ্চহারে বিল কাটা, প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ ও টোকেন জটিলতা, মিটার রিডারদের ঘুষ দাবি করা, অভিযোগ জানিয়েও প্রতিকার না পাওয়া এবং হটলাইনে সাড়া না পাওয়ার অভিযোগও গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এ ছাড়া বছরের শেষে সিস্টেম লস কম দেখাতে গিয়ে কৃত্রিমভাবে বাড়তি বিল করার প্রবণতার কথা জানিয়েছে কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। এসব অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত প্রতিকারের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ব্যয় বৃদ্ধির চাপে কুপোকাত দেশের পোশাক খাতgarments_worker

তবে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করে বলা হচ্ছে, অযাচিত বা ভুতুড়ে বিল যেন না হয়, সে জন্য একটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করে বিতরণ কোম্পানিগুলো।

গত জুনের বিদ্যুৎ বিল দেখে চমকে উঠোছেন অনেকে। ছবি: বাসস
গত জুনের বিদ্যুৎ বিল দেখে চমকে উঠোছেন অনেকে। ছবি: বাসস

এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের করণীয় কী, তা জানা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ বিধিমালা ২০২০ অনুযায়ী, কোনো বিলে আপত্তি থাকলে দাবিকৃত অর্থের ১০ শতাংশ জমা দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা যায়। স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সেসব অভিযোগ নিষ্পত্তি করবেন। সেক্ষেত্রে সংশোধিত বিলকে নতুন বিল হিসেবে গণ্য করা হবে এবং তার ওপর কোনো বিলম্ব মাশুল বা সারচার্জ নেওয়া যাবে না।

ভোক্তাস্বার্থ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা বলছেন, প্রতিটি গ্রাহকেরই উচিত ভুতুড়ে বিলের বিষয়টি উপেক্ষা না করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা। তবে অভিযোগ জানালেই যে প্রতিকার মিলবে, সে বিষয়ে সাধারণ গ্রাহকদের আস্থা খুব একটা নেই। এই অবস্থায় বিদ্যুতের ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও কৌশলী হওয়াই গ্রাহকদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিষয়: বিদ্যুৎকেন্দ্রঅভিযোগবাংলাদেশিবিদ্যুৎ বিলবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
সর্বশেষ
  • ১

    গ্রীনল্যান্ডে দুটি সামরিক ঘাঁটি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • ২

    ছোট একটি ডাল থেকে লাখ টাকার বনসাই

  • ৩

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বেসরকারি কনটেইনার ডিপোতে বাড়লো চার্জ

  • ৪

    সালাহউদ্দিন–চুন্নুদের জেল কেন দিয়েছিল সামরিক আদালত?

  • ৫

    অপ্রতিম-আজমল-মরিয়মরা কেন ঝরে যায়?

সম্পর্কিত
  • গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ কি বাতিল হবে?

    গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ কি বাতিল হবে?

    গাজী নজরুল দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়নি। তার সদস্যপদ নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে হলে সংসদ থেকে বিষয়টি স্পিকারের মাধ্যমে ইসিতে পাঠানোর বিষয়টি সামনে আসবে।

  • ৬ মাসে শেষ ১৪ পরিবার, শুধুই মৃত্যু নাকি হত্যা?

    ৬ মাসে শেষ ১৪ পরিবার, শুধুই মৃত্যু নাকি হত্যা?

    দেশে আবারও একটি সপরিবারে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এবারের স্থান মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বারাহী জান্নাকান্দি গ্রাম। এই তিন মরদেহের মধ্যে রয়েছে ১৮ মাসের এক শিশুও। আর রংপুরের ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। সিলেট বা লক্ষ্মীপুরের ঘটনা মনে করতেও খুব একটা কষ্ট করার প্রয়োজন পড়ে না

  • সৌদি আরব এখন কোন কৌশলে তেল রপ্তানি করছে?

    সৌদি আরব এখন কোন কৌশলে তেল রপ্তানি করছে?

    সম্প্রতি ইরাক থেকে চালানো ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এই পাইপলাইনটি দিয়েই তেল রপ্তানি করা হতো।

  • চীনের পোড়ামাটির সেনাবাহিনী যে কথা বলে

    চীনের পোড়ামাটির সেনাবাহিনী যে কথা বলে

    এই ঘটনার পরই চীনা প্রত্নতাত্ত্বিকরা এলাকাটি খনন করতে শুরু করেন এবং আবিষ্কার করেন চীনের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।