
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
চরচা ডেস্ক

মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নিয়মিত পদ নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে দাপ্তরিক নির্দেশনা জারি করে।
মোতাছিম বিল্লাহ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নগদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান।
নগদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এক বছরে তিনি সেবার মান ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে নগদের লেনদেন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
মোতাছিম বিল্লাহ ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ, অফসাইট সুপারভিশন, পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন।
দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট খাতের আধুনিকায়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। প্রথম দেশীয় কার্ড স্কিম ‘টাকাপে’, এনপিএসবি মাইগ্রেশন, ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ এবং বাংলা কিউআর চালুতে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে গঠিত সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্টে আইটি অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বিজনেস প্রসেস রি-ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও ভূমিকা রাখেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।