
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আজ রোববার ঢাকার ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক নীতি-পরামর্শ সংলাপে এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। অধিকারভিত্তিক সংগঠন ভয়েসের উদ্যোগে এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশন্স (এপিসি)-এর সহায়তায় এ সংলাপের আয়োজন করা হয়।সংলাপে উপস্থাপিত ভয়েসের সাম্প্রতিক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে উৎপন্ন ই-বর্জ্যের তুলনায় পুনঃপ্রক্রিয়াজাতের হার অত্যন্ত কম। জরিপে অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত হলেও গত অর্থবছরে কোনো প্রতিষ্ঠান ব্যবহার অযোগ্য পণ্য সংরক্ষণ করেনি, যা বিধিমালার বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।
ভয়েসের উপপরিচালক মুররাত মাহেরা বলেন, ২০২২ সালে বিশ্বে প্রায় ৬২ মিলিয়ন মেট্রিক টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে এর পরিমাণ প্রায় ৩ মিলিয়ন মেট্রিক টন। তিনি জানান, প্রতি বছর ই-বর্জ্য থেকে প্রায় ২০০ থেকে ২২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. রওশন মমতাজ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও দক্ষ ও কৌশলগতভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে রেঞ্জ ইনিশিয়েটিভসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান ইলেকট্রনিক পণ্যের কার্যকর মনিটরিং ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সার্কুলার ইকোনমিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারি সংস্থাগুলোর দৃঢ় অঙ্গীকার, নিয়মিত তদারকি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্পখাত, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ নিশ্চিত করা জরুরি। এতে ই-বর্জ্যকে পরিবেশের ঝুঁকি থেকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।

২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন ও অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ২৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।