
টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডে যোগ দিলেন সেলিম রায়হান
সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহকসেবা, ব্যাংকিং খাতের নিয়মনীতি মেনে চলা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করেছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশব্যাপী ৩৪টি শাখা চালু করেছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে চারটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিং শাখার মাধ্যমে শরিয়াহভিত্তিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে। শুরু থেকেই সিএমএসএমই খাতে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা করছে ব্যাংকটি। একই সঙ্গে ক্রেডিট রেটিং সূচকে ‘AA’ অর্জন এবং আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা চালুর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসসিসিআই) সভাপতি ম. জসিম উদ্দিন গ্রাহকদের আস্থা, অংশীদারদের সহযোগিতা এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের পরিশ্রমের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, সিএমএসএমই খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং ভবিষ্যতেও এই খাতের টেকসই উন্নয়নে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক কাজ করে যাবে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ বলেন, ব্যাংকিং খাতের নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা, উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কেক কাটা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সেলিম রায়হান তিন বছরের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশের নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টালের প্রকাশক ও সম্পাদকদের সমন্বয়ে ‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। বিদ্যমান ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১-এর বাস্তবায়নে ঘাটতির কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই চুক্তির আওতায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা (পিও) এবং ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের (এমএফআই) মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ প্রদান করতে পারবে।